leadT1ad

নির্বাচনে দিনে সাতটির বেশি আচরণবিধি লঙ্ঘন

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। স্ট্রিম ছবি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিগত ১৯ দিনের প্রচারে আচরণবিধি লঙ্ঘনের মোট ১৪৪টি ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি বলেন, এ সময় ৯৪টি মামলা ও আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে ৯ লাখ টাকার বেশি জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আনোয়ারুল। তাঁর তথ্যেই গড়ে দিনে সাতটির বেশি আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।

ইসি আনোয়ার বলেন, আমি তুলনা করব না। বলবও না শতভাগ আচরণবিধি মানা হচ্ছে। তবে আপনারা রাস্তাঘাট, মাঠ-ময়দান কিংবা বাজারে গেলে বুঝতে পারেন এত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার কারণ কি? কারণ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সঙ্গে প্রার্থী ও দল যেসব অঙ্গীকার করেছে, তারই বহিঃপ্রকাশ এগুলো। আমাদের রিটার্নিং অফিসারসহ মাঠের নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম পটরিচালনা করছেন। এর ফলে আমরা আচরণবিধি শতভাগ নিশ্চিত করতে পারছি বলে মনে করি।

তিনি বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে খবর নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন মনে করে, অতীতের অনেক নির্বাচনের চেয়ে এবার মাঠের পরিবেশ অত্যন্ত চমৎকার। প্রতিনিয়ত রাজনৈতিক নেতাকর্মীর সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। তাদের পরামর্শ ও পর্যবেক্ষণ গ্রহণ করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিচ্ছি।

ইসি আনোয়ার আরও বলেন, গণমাধ্যমে আসা খবর তাৎক্ষণিকভাবে আমরা রিটার্নিং অফিসারদের নজরে আনছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যারা নিয়োজিত, তাদের মাধ্যমে এগুলো নিবারণ, প্রতিরোধ ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নিবন্ধিত দলের বৈধ প্রার্থিরা নির্বাচন করতে পারবেন

জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ ও ভোটের বাইরে রাখার বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে ইসি আনোয়ার বলেন, আমরা কোনো পার্টিকে নিষিদ্ধের বিষয়ে বা তাদের কার্যক্রম বন্ধ করার বিষয়ে আদেশ পাইনি। কমিশন মনে করে, নিবন্ধিত দলের যারা মনোনয়ন পেয়েছেন, তারা নির্বাচন করতে পারবেন।

তিনি জানান, ভোট ব্যবস্থাপনায় কমিশন সর্বোচ্চ সতর্ক। যথাসময়ে ফলাফল ঘোষণার জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বেসরকারিভাবে অধিকাংশ কেন্দ্রের ফলাফল মধ্যরাতের মধ্যে এসে যায়। এবারও তাই হবে। বড়জোর শেষরাতে বা বা পরের দিন লাগবে।

ভোটারদের উদ্দেশে আনোয়ার বলেন, আপনারা সবাই সবাই ভোট দিতে যাবেন। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন। আপনার যাকে খুশি, তাকে ভোট দিবেন– এই নিশ্চয়তা শতভাগ নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ বাহিনী, আনসার বাহিনী এমনকি বিএনসিসিকেও ভোটের নিরাপত্তায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আশা করছি, ভোটের পরেও কোনো বিশৃঙ্খল ঘটনা ঘটবে না।

রাজনৈতিক দলগুলোর পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিষয়ে আরেক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, প্রত্যেকটি অভিযোগ আমরা মনোযোগের সঙ্গে শুনে, ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রিটারনিং অফিসার ও ইলেক্টোরাল ইনকয়ারি কমিটি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পুরো বিশ্ব দেখবে– একটি সুন্দর নির্বাচন হয়েছে।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত