leadT1ad

ঢাকা-১৪: বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থিতায় পাল্টে গেছে ভোটের সমীকরণ

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১: ১৯
বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে সাবেক এমপির ছেলে এবি সিদ্দিক সাজুর স্বতন্ত্র প্রার্থিতা এই আসনের লড়াইকে দুপক্ষের সীমা ছাড়িয়ে নিয়ে গেছে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায়

যত দিন ঘনিয়ে আসছে, জমে উঠছে নির্বাচনী প্রচারণা। এবারের নির্বাচনে প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন দুটি জোট। তবে ঢাকা-১৪ আসনে রাজনৈতিক সমীকরণ কিছুটা ভিন্ন। বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে সাবেক এমপির ছেলে এবি সিদ্দিক সাজুর স্বতন্ত্র প্রার্থিতা এই আসনের লড়াইকে দুপক্ষের সীমা ছাড়িয়ে নিয়ে গেছে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। ফলে বিএনপির প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি ও জামায়াত প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেমের (ব্যারিস্টার আরমান) পাশাপাশি বিদ্রোহী প্রার্থী সাজুকে ঘিরেই হিসাব কষছেন ভোটাররা। কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে—সেই হিসাবের চেয়ে এখন বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত ভোটের ভাগাভাগি কার পক্ষে যাবে।

আসনটির সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মো. এস এ খালেক মারা যান গত বছরের ৫ জানুয়ারি। দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীদের বড় একটি ধরেই নিয়েছিলেন, এরপর আসনটি থেকে বিএনপির মনোনয়ন পাবেন তাঁর ছেলে সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক (এবি সিদ্দিক সাজু)। অন্তত বাবার মৃত্যু ঘিরে যে সহানুভূতির আবহ তৈরি হয়েছে, তা স্বাভাবিকভাবেই সাজুর দিকেই প্রবাহিত হতে থাকে।

তবে ঠিক এক বছর পর হিসাব পাল্টে গেছে। আসনটি থেকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগ আমলে গুমের শিকার মীর আহমাদ বিন কাসেম, যিনি ব্যারিস্টার আরমান নামেও পরিচিত। এই আসনে বিএনপিও তুরুপের তাস হিসেবে সামনে নিয়ে আসে বিগত সরকারের আমলে গুম-খুনের শিকার পরিবারগুলোকে সংঘবদ্ধ করার কাজ করা সানজিদা ইসলাম তুলিকে। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে মাঠে থাকার ঘোষণা দেন সাজুও। আর এর ফলে নির্বাচনী সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দেয়।

এই আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবু ইউসুফ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির রিয়াজ উদ্দিন, গণফোরামের মো. জসিম উদ্দিন, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মো. সোহেল রানা, এবি পার্টির মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির নুরুল আমিন, জাতীয় পার্টির মো. হেলাল উদ্দীন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. লিটন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. ওসমান আলী।

রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই আসনটি ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার কাউন্দিয়া ইউনিয়ন, বনগাঁও ইউনিয়ন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৭, ৮, ৯, ১০, ১১ ও ১২ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। ইসি সূত্রে জানা গেছে, এই আসনের মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৪ জন; যার মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৩২ হাজার ৬৬, নারী ২ লাখ ২৩ হাজার ৭ ও হিজড়া ৪ জন। এর আগে দ্বাদশ নির্বাচনে এই আসনে ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ১৮ হাজার ২১২ জন, অর্থাৎ এ বছর ভোটার বেড়েছে ৩৭ হাজার ৮৩২ জন।

ভোট ভাগাভাগির জটিল অঙ্ক

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা-১৪ আসনের ভোটের হিসাব এবার অত্যন্ত জটিল। এই আসনে যেমন রাজধানীর ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা রয়েছে, তেমনি ইউনিয়ন পরিষদভুক্ত গ্রামাঞ্চলও আছে। নদীবেষ্টিত ও বন্যাপ্রবণ এলাকা রয়েছে, আবার রয়েছে স্বল্পশিক্ষিত ও নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী। এসব বৈচিত্র্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ সমঝোতা এবং সাবেক এমপির মৃত্যুর পর তৈরি হওয়া আবেগী ভোট।

এছাড়া পরিবহন খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশাল ভোটারগোষ্ঠী যেমন প্রভাব ফেলতে পারে, তেমনি কল্যাণপুর-মিরপুর এলাকার শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজের বিভক্ত মতামতও ফলাফলে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন অনেকে।

স্থানীয় ভোটারদের মুখেও নানা হিসাব

৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে একেবারে বাইরের একজন মুখকে দেওয়া আমাদের কাছে বিস্ময়কর ছিল। সাজু প্রার্থী হওয়ায় পুরো হিসাব বদলে গেছে। ফলে বিএনপি প্রার্থী সানজিদা তুলি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাজুর মধ্যে ভোট কাটাকাটি হলে জামায়াত প্রার্থী জয়ী হলেও তা অস্বাভাবিক হবে না। বাস্তবে লড়াই হবে ত্রিমুখী।’

পরিবহন ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার বলেন, ‘পরিবহন খাতে স্থিতিশীলতা দরকার। সে জায়গা থেকে এবি সিদ্দিক সাজু আমাদের কাছে তুলনামূলক গ্রহণযোগ্য। তিনি আমাদের বাস্তবতা বোঝেন, অন্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সেটা ততটা মনে হয় না।’

মিরপুর-১ ও মিরপুর-২ এলাকার ভোটাররাও বলছেন, ভোট দেওয়ার আগে তারা দেখবেন কে কী প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, কে কতবার এলাকায় আসছেন এবং কে কতটা পরিচিত মুখ।

মিরপুর-১ এর বাসিন্দা মোহাম্মদ রবিন জানান, জামায়াতের প্রার্থী বা তাঁর কর্মীরা তার কাছে অন্তত চারবার এসেছেন, বিএনপির পক্ষ থেকে একবার এবং সাজুর পক্ষ থেকেও একবার যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রার্থিতা পেতে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর এক নিরন্তর প্রচেষ্টা, তরুণদের নিয়ে ভাবনা, এমন আরো কিছু নতুনত্ব তার মতো অনেকের সিদ্ধান্তেই প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা বলেন, ‘সাজু প্রার্থী হওয়ায় দলের ভোটের অঙ্কে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। স্থানীয় বিএনপির ভেতরেও সমর্থনের বিভাজন তৈরি হয়েছে। ফলে পুরো সমীকরণ বদলে গেছে। ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল মিরাজ এবং যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সদস্য সচিব মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেল এর সমর্থন মিরপুর-১ এবং মিরপুর-২ এর দিকে তুলির ভোট অনেক বাড়িয়ে দিবে।’

‘এই সমর্থনের পেছনে আসল সত্য হলো, সাজু যদি যদি নির্বাচিত হয়ে যান তবে স্থানীয় হওয়ায় এই আসনে সে দীর্ঘমেয়াদী প্রার্থী হয়ে উঠবেন। কিন্তু তুলি এমপি হলে, বিএনপির নিবেদিত কর্মী হসেবে ভবিষ্যতে তাদের জন্য এমপি হওয়ার পথ খুলে যাবে। একই কথা কিন্তু বনগাঁর চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাই ভোটের হিসেব শেষ পর্যন্ত কোথায় দাঁড়াবে, কে কখন কোনদিকে ঝুঁকে পড়ে সেটা বলাও কিন্তু মুশকিল’, বলেন বিএনপির এই নেতা।

অন্যদিকে স্থানীয় জামায়াত নেতারা বলছেন, গত ১৭ বছরে সংগঠনের যে শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়েছে, তার প্রতিফলন এবার ভোটে দেখা যাবে এবং তারা এই আসনে জয় ছিনিয়ে আনতে পারবেন বলে আশাবাদী।

প্রচারণার মাঠে তিন ভিন্ন কৌশল

নির্বাচনী প্রচারণার তৃতীয় দিনেই দেখা গেছে, তিন প্রার্থীই ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা, অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন। আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসছে মাদক ও চাঁদাবাজি, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং স্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর করার বিষয়।

প্রচারণার শুরুতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে—তিন প্রার্থী তিন ধরনের কৌশলে মাঠে নেমেছেন।

বিএনপি প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি দলীয় পরিচয় ও নারী ভোটারদের নিরাপত্তা ও অধিকারকে সামনে রেখে প্রচারণা চালাচ্ছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী এবি সিদ্দিক সাজু নিজেকে ‘মিরপুরের সন্তান’ হিসেবে তুলে ধরে পারিবারিক পরিচিতি, স্থানীয় ব্যবসা ও পরিবহন খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ততাকে শক্তি হিসেবে ব্যবহার করছেন।

জামায়াত প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম (ব্যারিস্টার আরমান) একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সাবেক কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ধারাবাহিক মাঠপর্যায়ের প্রচারণা, সংগঠিত কর্মীবাহিনী ও উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে নিজেকে বিকল্প শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করছেন।

স্থানীয় ভোটারদের মতে, এবারের নির্বাচন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভিন্ন। তারা বলছেন, এবার প্রতীক নয়, ব্যক্তি ও তার গ্রহণযোগ্যতাই ভোটের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে। এই বাস্তবতায় ‘ঘরের ছেলে’ হিসেবে পরিচিত এবি সিদ্দিক সাজু নিজেকে এগিয়ে রাখতে চাইছেন। অন্যদিকে, প্রায় এক বছর ধরে ধারাবাহিক প্রচারণা চালানো জামায়াত প্রার্থী ব্যারিস্টার আরমান, তার উদ্ভাবনী প্রচারনা এবং উন্নয়নের পরিকল্পনার গ্রহনযোগ্যতার বিচারে নিজেকে শক্ত অবস্থানে দেখছেন।

স্থানীয় সমস্যার ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রার্থী মুলত একই রকমের বিষয়গুলোর অবতারণা করেছেন। তবে সমাধান নিয়ে এসেছেন ভিন্ন পরিকল্পনা।

তারা মুল সমস্যা হিসেবে মাদক সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি, ভাঙাচোরা রাস্তা ও ব্রিজ, মাঠের অভাব, মাতৃসদন ও ক্লিনিক সংকট, জলাবদ্ধতা এবং গ্যাস সংকট, শিক্ষার দুর্বল মান, কর্মসংস্থানের সীমিত সুযোগ, রাস্তাঘাট ও গ্যাসসহ নাগরিক সুবিধার ঘাটতি এবং নারী নিরাপত্তাহীনতার কথা বলেছেন।

বিএনপি প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি ঢাকা–১৪ আসনকে নারীদের জন্য নিরাপদ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে বলেন, মাদকচক্র ভেঙে তরুণ সমাজকে সুরক্ষিত করা এবং নারী সমাজকে মূলধারায় আনাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য। তাঁর ভাষ্যে, ‘এই জনপদটি দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। মাঠে নেমে নারীদের সঙ্গে কথা বলে দেখেছি—অনেকে জানেনই না কী কী নাগরিক সুবিধা তাদের পাওয়ার কথা। আমার প্রতিশ্রুতিগুলো সরাসরি এই বাস্তবতা থেকেই এসেছে।’

বিদ্রোহী প্রার্থী ভোটের সমীকরণে জামায়াতকে সুবিধা দিচ্ছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কিছু ভোট তো কাটবেই। মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী থাকবেই। কিন্তু এই আসনের উন্নয়ন ও ভবিষ্যতের জন্য ধানের শীষের জয়ের বিকল্প নেই।’

তবে একই দলের দুজন প্রার্থী নিয়ে কোনো শঙ্কায় নেই জানিয়ে এবি সিদ্দিক সাজু বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছেন। বনগা ও আশপাশের ইউনিয়নগুলোতে ছোটবেলা থেকেই তাঁর আত্মীয়তা, সামাজিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। এলাকাবাসী তাকে নিজেদের সন্তান হিসেবে গ্রহণ করছে। তার প্রতীক নয়, বরং তার অতীত কাজ, সক্ষমতা ও ব্যক্তিগত পরিচিতিই ভোটারদের কাছে মুখ্য হয়ে উঠেছে।

নির্বাচিত হলে তিনি নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, মিরপুরে এক কোটি গাছ রোপণ, জাতীয় চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেন আধুনিকায়ন, বিদেশি বিনিয়োগ এনে বিনোদন কেন্দ্র ও পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা, পর্যটন খাত থেকে রাজস্ব আয় বাড়িয়ে এলাকার উন্নয়নে ব্যয়, গাবতলী বাস টার্মিনালকে বিমানবন্দরের আদলে আধুনিকায়ন করার পরিকল্পনা তার রয়েছে।

এদিকে ব্যারিস্টার আরমান স্ট্রিমকে বলেন, ঢাকা-১৪ রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হলেও এলাকাটি এখনও উপেক্ষিত। তারা এই জনপদকে ভোক্তা অঞ্চল নয়, বরং একটি উৎপাদনকেন্দ্রে রূপান্তর করতে চান, যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হয়।

নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি জানান, সবচেয়ে বেশি সমর্থন আসছে নারী ভোটারদের কাছ থেকে। পাশাপাশি তরুণ ভোটারদের বড় একটি অংশ তাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে, বিশেষ করে যারা আগে কখনো ভোট দেয়নি এবং জুলাই আন্দোলনের সময় রাজপথে সক্রিয় ছিল। এছাড়া শ্রমজীবী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছ থেকেও ইতিবাচক সাড়া মিলছে।

তাঁর ভাষায়, এসব ভোটারের মূল চাওয়া হচ্ছে পরিবর্তন—কালো টাকার প্রভাব, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত