স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের কর–জিডিপি অনুপাত কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নিতে এবং বাণিজ্য সহায়ক করনীতি প্রণয়নে সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে এ সংক্রান্ত টাস্কফোর্স।
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জায়েদী সাত্তারের নেতৃত্বাধীন ১১ সদস্যের জাতীয় টাস্কফোর্স প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদনটি হস্তান্তর করে।
‘ট্যাক্স পলিসি ফর ডেভেলপমেন্ট : অ্যা রিফর্ম অ্যাজেন্ডা ফর রিস্ট্রাকচারিং দ্য ট্যাক্স সিস্টেম’ শীর্ষক প্রতিবেদনে মোট ৫৫টি নীতিগত বিষয় চিহ্নিত করে সেগুলোর জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
এ সময় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারক এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. আবদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদন দাখিলের সময় জাতীয় কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত কমিটির সভাপতি ড. জায়েদী সাত্তার ছাড়াও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের প্রফেসরিয়াল ফেলো ড. সুলতান হাফিজ রহমান; কানাডার কনকর্ডিয়া ইউনিভার্সিটি প্রফেসর ইমেরিটাস ড. সৈয়দ মইনুল আহসান; বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ জাহিদ হোসাইন; পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক ড. খুরশীদ আলমসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য, সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি দ্রুততর ও টেকসই করতে সরকারের নিজস্ব রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য এবং বর্তমান কর কাঠামোর সীমাবদ্ধতা থেকে উত্তরণে গত বছরের ৬ অক্টোবর এ টাস্কফোর্স গঠন করে সরকার। জায়েদী সাত্তারের নেতৃত্বাধীন এ টাস্কফোর্সকে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে চলতি ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী আজ প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়।
প্রতিবেদনে দেশের কর ব্যবস্থাকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে জটিল, অদক্ষ এবং পরোক্ষ করের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, সামান্য সংস্কার বা খণ্ডিত পরিবর্তনের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে কর ব্যবস্থার মৌলিক ও কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন।
প্রতিবেদনে অগ্রাধিকারভিত্তিক ৭টি নীতিগত বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে কর–জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে উন্নীত করার রূপরেখা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কাঠামোগত পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের অনুপাত বর্তমান ৩০ : ৭০ থেকে ৫০ : ৫০ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এছাড়াও ডিজিটালাইজেশন, অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ, সহজ কর কাঠামো, প্রণোদনা পুনর্গঠন, ঝুঁকিভিত্তিক অডিট এবং বাণিজ্য কর থেকে সরে এসে দেশীয় করের দিকে কৌশলগত পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে। শুল্ক কাঠামো আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে রপ্তানি ও আমদানির বিকল্প পণ্যের কার্যকর সুরক্ষা সমান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আলাদা ভ্যালুয়েশন ডেটাবেজের প্রয়োজন নেই উল্লেখ করে বন্দরের পরিবর্তে পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিট প্রয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ব্যবস্থায় বহু হারের পরিবর্তে একক হারের দিকে অগ্রসর হওয়ার সুপারিশও করা হয়েছে।
প্রতিবেদন গ্রহণ শেষে কমিটির সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে সময় খুবই কম। আমরা এসব নীতির বাস্তবায়নের পথচলা শুরু করে যেতে চাই। এই নীতিগুলো বাস্তবায়িত হলে রাজস্ব আদায়ের খাত ও পদ্ধতি আরও স্পষ্ট হবে এবং এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় একটি বড় নীতিগত পরিবর্তন আনবে।’
এ সময় অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘এই প্রতিবেদন আমাদের জন্য একটি গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে। এর ফলে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির পাশাপাশি এ খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’
প্রতিবেদন দেওয়ার সময় কমিটির প্রধান ড. জায়েদী সাত্তার বলেন, ‘গত এক দশকে আমাদের রাজস্ব আদায়ের পদ্ধতি অত্যন্ত জটিল হয়ে গেছে। এসব পদ্ধতির সংস্কার ছাড়া রাজস্ব আদায়ের পরিসর বাড়ানো কঠিন। এই পদ্ধতিগুলো দ্রুত সংস্কার করা গেলে অর্থনীতিতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. আবদুর রহমান খান বলেন, ‘এই প্রতিবেদনে সংকটগুলো স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেগুলো নিরসনের পথনির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

দেশের কর–জিডিপি অনুপাত কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নিতে এবং বাণিজ্য সহায়ক করনীতি প্রণয়নে সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে এ সংক্রান্ত টাস্কফোর্স।
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জায়েদী সাত্তারের নেতৃত্বাধীন ১১ সদস্যের জাতীয় টাস্কফোর্স প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদনটি হস্তান্তর করে।
‘ট্যাক্স পলিসি ফর ডেভেলপমেন্ট : অ্যা রিফর্ম অ্যাজেন্ডা ফর রিস্ট্রাকচারিং দ্য ট্যাক্স সিস্টেম’ শীর্ষক প্রতিবেদনে মোট ৫৫টি নীতিগত বিষয় চিহ্নিত করে সেগুলোর জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
এ সময় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারক এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. আবদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদন দাখিলের সময় জাতীয় কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত কমিটির সভাপতি ড. জায়েদী সাত্তার ছাড়াও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের প্রফেসরিয়াল ফেলো ড. সুলতান হাফিজ রহমান; কানাডার কনকর্ডিয়া ইউনিভার্সিটি প্রফেসর ইমেরিটাস ড. সৈয়দ মইনুল আহসান; বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ জাহিদ হোসাইন; পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক ড. খুরশীদ আলমসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য, সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি দ্রুততর ও টেকসই করতে সরকারের নিজস্ব রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য এবং বর্তমান কর কাঠামোর সীমাবদ্ধতা থেকে উত্তরণে গত বছরের ৬ অক্টোবর এ টাস্কফোর্স গঠন করে সরকার। জায়েদী সাত্তারের নেতৃত্বাধীন এ টাস্কফোর্সকে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে চলতি ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী আজ প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়।
প্রতিবেদনে দেশের কর ব্যবস্থাকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে জটিল, অদক্ষ এবং পরোক্ষ করের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, সামান্য সংস্কার বা খণ্ডিত পরিবর্তনের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে কর ব্যবস্থার মৌলিক ও কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন।
প্রতিবেদনে অগ্রাধিকারভিত্তিক ৭টি নীতিগত বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে কর–জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে উন্নীত করার রূপরেখা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কাঠামোগত পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের অনুপাত বর্তমান ৩০ : ৭০ থেকে ৫০ : ৫০ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এছাড়াও ডিজিটালাইজেশন, অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ, সহজ কর কাঠামো, প্রণোদনা পুনর্গঠন, ঝুঁকিভিত্তিক অডিট এবং বাণিজ্য কর থেকে সরে এসে দেশীয় করের দিকে কৌশলগত পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে। শুল্ক কাঠামো আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে রপ্তানি ও আমদানির বিকল্প পণ্যের কার্যকর সুরক্ষা সমান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আলাদা ভ্যালুয়েশন ডেটাবেজের প্রয়োজন নেই উল্লেখ করে বন্দরের পরিবর্তে পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিট প্রয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ব্যবস্থায় বহু হারের পরিবর্তে একক হারের দিকে অগ্রসর হওয়ার সুপারিশও করা হয়েছে।
প্রতিবেদন গ্রহণ শেষে কমিটির সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে সময় খুবই কম। আমরা এসব নীতির বাস্তবায়নের পথচলা শুরু করে যেতে চাই। এই নীতিগুলো বাস্তবায়িত হলে রাজস্ব আদায়ের খাত ও পদ্ধতি আরও স্পষ্ট হবে এবং এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় একটি বড় নীতিগত পরিবর্তন আনবে।’
এ সময় অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘এই প্রতিবেদন আমাদের জন্য একটি গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে। এর ফলে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির পাশাপাশি এ খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’
প্রতিবেদন দেওয়ার সময় কমিটির প্রধান ড. জায়েদী সাত্তার বলেন, ‘গত এক দশকে আমাদের রাজস্ব আদায়ের পদ্ধতি অত্যন্ত জটিল হয়ে গেছে। এসব পদ্ধতির সংস্কার ছাড়া রাজস্ব আদায়ের পরিসর বাড়ানো কঠিন। এই পদ্ধতিগুলো দ্রুত সংস্কার করা গেলে অর্থনীতিতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. আবদুর রহমান খান বলেন, ‘এই প্রতিবেদনে সংকটগুলো স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেগুলো নিরসনের পথনির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

আড়াই মাস পরে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে (ইআরএল) উৎপাদন শুরু হয়েছে। সৌদি আরব থেকে ক্রুড অয়েলের চালান হাতে পেয়ে শুক্রবার (৮ মে) সকাল ৮টার দিকে বিভিন্ন ইউনিটে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কনটেইনার জট নিরসনে ২২০ কনটেইনার পণ্য অনলাইন নিলামে তুলছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। চলতি মাসে ই-অকশনে এসব পণ্য নিষ্পত্তি করা হবে।
১ দিন আগে
দেশে তুলা উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিতে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বিটিএমএ ও যুক্তরাজ্যের কটনকানেক্ট। বুধবার (৬ মে) রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) কার্যালয়ে এই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে ফরাসি বিনিয়োগ বাড়ানো ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সেরি-শার্লের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
১ দিন আগে