জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

গোপালগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
গোপালগঞ্জ

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১: ২০
সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বাড়ি। সংগৃহীত ছবি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র‍্যাব সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে বলে জানিয়েছেন মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।

নিহত নিলু মুন্সী (৫০) কমলাপুর গ্রামের আনোয়ার মুন্সীর ছেলে। আহতদের মধ্যে অন্তত চারজনকে গুরুতর অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছ থেকে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি নেতা আনোয়ার মুন্সী ও নুর মোহাম্মদ (৩৩) গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছে। তাঁদের মধ্যে আনোয়ার মুন্সী মুকুসুদপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি। অপরদিকে একই ওয়ার্ডের বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বেলা ১১টার দিকে নুর মোহাম্মদ তাঁর ভাইকে নিয়ে মুকসুদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে উপস্থিত আনোয়ার মুন্সীর সমর্থকেরা উপজেলা হাসপাতাল গেট তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এতে আহত নূর মোহাম্মদ। এই খবরে তাঁর সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে আনোয়ার মুন্সীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এর এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে মুকসুদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নূর মোহাম্মদ, নিলু মুন্সী (৫০), তাঁর স্ত্রী রুপা বেগম (৪০), ভাই মিলন মুন্সী (৫২) ও দুলাল মুন্সীকে (৪০) উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসক। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিলু মুন্সীকে মৃত ঘোষণা করেন। বিকেলে দিকে তাঁর মরদেহ বাড়িতে আনা হলে বিষয়টি জানাজানি হয়। এ ছাড়া আহত নূর মোহাম্মদের সমর্থকদের মুকসুদপুর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় বর্তমানে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র‍্যাব সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন।

Ad 300x250

সম্পর্কিত