পুরোনো বাসের জায়গায় নামবে ইলেকট্রিক বাস

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৬, ১৮: ১৮
স্ট্রিম গ্রাফিক

দেশের রাস্তায় চলাচল করা পুরোনো বাসগুলো পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেওয়া হবে। এসব বাসের বদলে নামানো হবে আধুনিক ইলেকট্রিক বাস।

আজ জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের (২০২৬-২৭) বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, পরিবেশের সুরক্ষা ও জ্বালানি খরচ কমানোর লক্ষ্যেই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, ধাপে ধাপে গণপরিবহন ব্যবস্থাকে পুরোপুরি বিদ্যুচ্চালিত বা ইলেকট্রিক যানে রূপান্তর করা হবে। এতে শহরের বায়ুদূষণ যেমন কমবে, তেমনি নাগরিকেরা স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারবেন।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইলেকট্রিক বাসের জন্য আলাদা চার্জিং স্টেশন ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি।

রেলে সময় বাঁচবে

রেল যোগাযোগকে দ্রুত করার জন্য ঢাকা ও কুমিল্লার মধ্যে ‘কর্ড লাইন’ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এই রেলপথটি তৈরি হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের রেলের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমে আসবে।

এতে যাত্রীদের সময় ও খরচ দুটোই বাঁচবে। এছাড়া দেশের প্রতিটি জেলাকে রেল সংযোগের আওতায় আনার কাজও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এক্সপ্রেসওয়ে ও নতুন সেতু

সড়কপথের উন্নয়নে অর্থমন্ত্রী জানান, সারা দেশে তিন হাজার কিলোমিটারের এক্সপ্রেসওয়ে গ্রিড তৈরির কাজ শুরু হবে।

এছাড়া যমুনা নদীতে দ্বিতীয় সেতু এবং মেঘনা নদীতে তৃতীয় সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। যাতায়াত সহজ করতে টোল দেওয়ার ব্যবস্থাকে করা হবে স্বয়ংক্রিয় বা হাতের স্পর্শহীন।

বিমান ও বন্দরের আধুনিকায়ন

আকাশপথের সক্ষমতা বাড়াতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ। অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোকে আন্তর্জাতিক মানের লজিস্টিকস হাব বা পণ্যের আদান-প্রদান কেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে।

পাশাপাশি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও চট্টগ্রামের বে-টার্মিনাল চালুর মাধ্যমে নৌপথে বাণিজ্যের সুযোগ আরও বাড়ানো হবে।

বিষয়:

সম্পর্কিত