স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারিক কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের দিনব্যাপী আইনি যুক্তিতর্ক ও পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছেন ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য হলেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলার শেষ দিনের শুনানিতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, এক্স-রে রিপোর্ট এবং গুলির ধরন নিয়ে উভয় পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়। শুনানির পর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু দাবি করেন, ময়নাতদন্তে পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়েছে এবং মৃত্যুর কারণ হিসেবে গুলির বিষয়টি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়।
আজিজুর রহমান দুলু বলেন, ‘ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক কোনো এক্স-রে বা রেডিওস্কপিক পরীক্ষা ছাড়াই মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করেছেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রটোকল অনুযায়ী, আগ্নেয়াস্ত্রের আঘাতে মৃত্যু হলে শরীরের ভেতরে বুলেট বা পিলেটসের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এক্স-রে বা রেডিওস্কপিক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। যেহেতু এই পরীক্ষাগুলো করা হয়নি এবং শরীর থেকে কোনো কার্তুজ বা বুলেটের অংশবিশেষ জব্দ করা হয়নি, তাই চিকিৎসকের প্রতিবেদনটি অসম্পূর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ।’
এর জবাবে প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকার হত্যাকাণ্ডকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন বারবার পরিবর্তন করতে চিকিৎসকের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. রাজিব সেই রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আদালতে সত্য সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি চাপের মুখেও মৃত্যুর সঠিক কারণ পরিবর্তন করেননি এবং নিশ্চিত করেছেন যে শরীরে অন্যান্য আঘাত থাকলেও আবু সাঈদের মৃত্যু হয়েছে গুলিতেই।’
টি-শার্টে ছিদ্র না থাকা ও বেনিফিট অব ডাউট
শুনানিতে আরেকটি বড় বিতর্কের বিষয় ছিল আবু সাঈদের গায়ে থাকা টি-শার্ট। আসামিপক্ষ প্রশ্ন তোলে, পুলিশের গুলিতে মারা গেলে টি-শার্টে কেন কোনো গুলির ছিদ্র পাওয়া গেল না? জেরায় তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) স্বীকার করেছেন যে জব্দ করা টি-শার্টের অংশে কোনো ছিদ্র নেই এবং সেটি সামনের না পেছনের অংশ, তা তিনি নিশ্চিত নন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘ফৌজদারি আইনে মামলা প্রমাণের দায় সম্পূর্ণ রাষ্ট্রপক্ষের। এখানে আলামতের অসামঞ্জস্যতা রয়েছে, যার বেনিফিট অব ডাউট বা সন্দেহের সুবিধা সব সময় আসামি পাবেন। হাজার অপরাধী ছাড়া পেলেও একজন নিরপরাধ ব্যক্তি যেন সাজা না পান, এটিই আইনের নীতি।’
প্রত্যুত্তরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা সরকারের অনুগত হয়ে আলামত নষ্টের চেষ্টা করেছেন। তিনি পুরো গেঞ্জি জব্দ না করে কেবল একটি অংশ জব্দ করেছিলেন। এটি পেছনের অংশ হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বুকে ও পেটে গুলির আঘাতের কথা স্পষ্ট উল্লেখ আছে। তদন্ত কর্মকর্তার গাফিলতির সুবিধা আসামিরা পেতে পারেন না।’’
ব্যবহৃত অস্ত্রের প্রাণঘাতী ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘আবু সাঈদের ওপর যে ১২ বোর শর্টগান ব্যবহার করা হয়েছিল, তা মানবদেহের জন্য কতটা ক্ষতিকর, সে বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ কোনো দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করেনি। যদি প্রমাণ না হয় যে ওই কার্তুজ প্রাণঘাতী ছিল, তবে আবু সাঈদের মৃত্যু যে গুলিতেই হয়েছে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ হতে হলে ভিক্টিমকে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকতে হয়। কিন্তু সাক্ষ্য ও ভিডিওতে দেখা গেছে, আবু সাঈদ পুলিশের লাঠির আঘাত প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিলেন। এটি তার বীরত্বগাথা। তাই তাকে সাধারণ সিভিলিয়ান হিসেবে না দেখিয়ে তার বীরত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে বিশেষ আইনে বা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দোষীদের বিচার করা হলে তা আরও যুক্তিযুক্ত হতো।’
বিচারিক প্রত্যাশা বিষয়ে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ২৫ জন সাক্ষী উপস্থাপন করেছি এবং অকাট্য প্রমাণ দিয়েছি। আসামিদের সর্বোচ্চ ও আইনানুগ শাস্তি আমরা আদালতের কাছে প্রত্যাশা করছি।’
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, গত বছরের ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরু হয়। এর আগে ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। মামলায় মোট ৩০ জন আসামির মধ্যে বেরোবির সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন এখনো পলাতক। বর্তমানে কারাগারে থাকা ৬ আসামি এএসআই আমির হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজকে আজ আদালতে হাজির করা হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারিক কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের দিনব্যাপী আইনি যুক্তিতর্ক ও পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছেন ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য হলেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলার শেষ দিনের শুনানিতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, এক্স-রে রিপোর্ট এবং গুলির ধরন নিয়ে উভয় পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়। শুনানির পর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু দাবি করেন, ময়নাতদন্তে পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়েছে এবং মৃত্যুর কারণ হিসেবে গুলির বিষয়টি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়।
আজিজুর রহমান দুলু বলেন, ‘ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক কোনো এক্স-রে বা রেডিওস্কপিক পরীক্ষা ছাড়াই মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করেছেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রটোকল অনুযায়ী, আগ্নেয়াস্ত্রের আঘাতে মৃত্যু হলে শরীরের ভেতরে বুলেট বা পিলেটসের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এক্স-রে বা রেডিওস্কপিক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। যেহেতু এই পরীক্ষাগুলো করা হয়নি এবং শরীর থেকে কোনো কার্তুজ বা বুলেটের অংশবিশেষ জব্দ করা হয়নি, তাই চিকিৎসকের প্রতিবেদনটি অসম্পূর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ।’
এর জবাবে প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকার হত্যাকাণ্ডকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন বারবার পরিবর্তন করতে চিকিৎসকের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. রাজিব সেই রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আদালতে সত্য সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি চাপের মুখেও মৃত্যুর সঠিক কারণ পরিবর্তন করেননি এবং নিশ্চিত করেছেন যে শরীরে অন্যান্য আঘাত থাকলেও আবু সাঈদের মৃত্যু হয়েছে গুলিতেই।’
টি-শার্টে ছিদ্র না থাকা ও বেনিফিট অব ডাউট
শুনানিতে আরেকটি বড় বিতর্কের বিষয় ছিল আবু সাঈদের গায়ে থাকা টি-শার্ট। আসামিপক্ষ প্রশ্ন তোলে, পুলিশের গুলিতে মারা গেলে টি-শার্টে কেন কোনো গুলির ছিদ্র পাওয়া গেল না? জেরায় তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) স্বীকার করেছেন যে জব্দ করা টি-শার্টের অংশে কোনো ছিদ্র নেই এবং সেটি সামনের না পেছনের অংশ, তা তিনি নিশ্চিত নন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘ফৌজদারি আইনে মামলা প্রমাণের দায় সম্পূর্ণ রাষ্ট্রপক্ষের। এখানে আলামতের অসামঞ্জস্যতা রয়েছে, যার বেনিফিট অব ডাউট বা সন্দেহের সুবিধা সব সময় আসামি পাবেন। হাজার অপরাধী ছাড়া পেলেও একজন নিরপরাধ ব্যক্তি যেন সাজা না পান, এটিই আইনের নীতি।’
প্রত্যুত্তরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা সরকারের অনুগত হয়ে আলামত নষ্টের চেষ্টা করেছেন। তিনি পুরো গেঞ্জি জব্দ না করে কেবল একটি অংশ জব্দ করেছিলেন। এটি পেছনের অংশ হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বুকে ও পেটে গুলির আঘাতের কথা স্পষ্ট উল্লেখ আছে। তদন্ত কর্মকর্তার গাফিলতির সুবিধা আসামিরা পেতে পারেন না।’’
ব্যবহৃত অস্ত্রের প্রাণঘাতী ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘আবু সাঈদের ওপর যে ১২ বোর শর্টগান ব্যবহার করা হয়েছিল, তা মানবদেহের জন্য কতটা ক্ষতিকর, সে বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ কোনো দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করেনি। যদি প্রমাণ না হয় যে ওই কার্তুজ প্রাণঘাতী ছিল, তবে আবু সাঈদের মৃত্যু যে গুলিতেই হয়েছে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ হতে হলে ভিক্টিমকে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকতে হয়। কিন্তু সাক্ষ্য ও ভিডিওতে দেখা গেছে, আবু সাঈদ পুলিশের লাঠির আঘাত প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিলেন। এটি তার বীরত্বগাথা। তাই তাকে সাধারণ সিভিলিয়ান হিসেবে না দেখিয়ে তার বীরত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে বিশেষ আইনে বা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দোষীদের বিচার করা হলে তা আরও যুক্তিযুক্ত হতো।’
বিচারিক প্রত্যাশা বিষয়ে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ২৫ জন সাক্ষী উপস্থাপন করেছি এবং অকাট্য প্রমাণ দিয়েছি। আসামিদের সর্বোচ্চ ও আইনানুগ শাস্তি আমরা আদালতের কাছে প্রত্যাশা করছি।’
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, গত বছরের ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরু হয়। এর আগে ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। মামলায় মোট ৩০ জন আসামির মধ্যে বেরোবির সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন এখনো পলাতক। বর্তমানে কারাগারে থাকা ৬ আসামি এএসআই আমির হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজকে আজ আদালতে হাজির করা হয়।

নির্বাচনি প্রচারণাকালে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
১০ মিনিট আগে
রাজধানীর বাড্ডা লিংক রোডে দুই বাসের মধ্যে চাপা পড়ে আবুল কাশেম আজাদ (৩৫) নামে এক যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি বেসরকারি ব্যাংক ইউসিবি’র সাপোর্ট স্টাফ ছিলেন।
৩১ মিনিট আগে
রাজধানীর গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট সড়ক থেকে এক প্রবাসীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছেন পথচারীরা। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে তাঁকে উদ্ধারের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী প্রধান (আইজিপি) বাহরুল আলম বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখতে সক্ষম হবে।
১ ঘণ্টা আগে