স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও বলেছেন, ‘পূজা উপলক্ষে আশপাশে যে মেলাগুলো হয়, তারপর ওখানে যে গাঁজার আড্ডা বসে, মদের আড্ডা বসে—এ বছর এগুলো কোনো অবস্থাতেই হওয়া যাবে না। কোনো রকম মেলা হবে না। তবে ছোটখাট দুয়েকটা দোকান বসতে পারবে, কমিটির অনুমোদন থাকতে হবে।’
স্ট্রিম প্রতিবেদক

গত বছরের মতো এবারও যাতে এবারও দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভার আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এমন তথ্য দিয়েছেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও বলেছেন, ‘পূজা উপলক্ষে আশপাশে যে মেলাগুলো হয়, তারপর ওখানে যে গাঁজার আড্ডা বসে, মদের আড্ডা বসে—এ বছর এগুলো কোনো অবস্থাতেই হওয়া যাবে না। কোনো রকম মেলা হবে না। তবে ছোটখাট দুয়েকটা দোকান বসতে পারবে, কমিটির অনুমোদন থাকতে হবে।’
উপদেষ্টা বলেন, এটা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব, তাদের মধ্যে যারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন, তারা অঙ্গীকার করেছেন যে এটা খুবই ভালো হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে তাদের যে একটা বড় ভূমিকা আছে, তা নিশ্চিত করতে চব্বিশ ঘণ্টা যাতে মণ্ডপ পর্যবেক্ষণে থাকে, সে জন্য দিনে তিনজন করে, রাতে চারজন করে থাকবেন। তারাও চব্বিশ ঘণ্টা মণ্ডপ পর্যবেক্ষণ করবেন, যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, ‘আমরা একটি নতুন অ্যাপ চালু করেছি, যাতে কোনো ঘটনা ঘটলে এর মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করা যাবে। পাশাপাশি, ঘটনার কোনো সত্যতা আছে কিনা, সেটাও যাচাই করে দেখা যাবে।’
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আমাদের সব বাহিনী থাকবে তাদের নিরাপত্তায়। তবে সীমান্তের পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তার মূল দায়িত্ব বর্ডার গার্ড বাংলাদেশর (বিজিবি) ওপর বর্তায়। তবে পুলিশও থাকবে। আর আনসার সব জায়গায় থাকবে। এবার প্রায় ৩৩ হাজার পূজামণ্ডপ স্থাপন করা হয়েছে।’
পূজামণ্ডপ করলে সে তথ্য যেন পুলিশকে জানানো হয়, সেই অনুরোধ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এই তালিকার বাইরে অনেক সময় দয়েকটি মণ্ডপ হতে পারে। এসব মণ্ডপে যদি কোনো একটি ঘটনা ঘটে যায়... আমরা তো যে তালিকাটা পাই, সেটির ওপর ভিত্তি করেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হয়। কিন্তু হঠাৎ কোথাও একটি মণ্ডপ স্থাপন করা হলো—ওটা হলে আমাদের জন্য অসুবিধা হয়ে যায়। এ কারণে তাঁদের কাছে অনুরোধ করেছি, আপনারা যে যেখানে যেটিই করেন না কেন, আমাদের কাছে আগেই তালিকা দিয়ে দেবেন, যাতে সেখানে আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করতে পারি।’
আগের মতো বিসর্জনের জন্যও সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে কিনা, প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বলা হয়েছে, সন্ধ্যা সাতটার আগেই যেন বিসর্জনের কাজ শেষ হয়ে যায়। এটা সবার জন্য। গ্রামে-গঞ্জে বিসর্জন একটু আগেভাগেই দিয়ে ফেলে। কিন্তু ঢাকায় অনেক সময় দেরি হয়। ঢাকায় একটা লাইন করে দিতে হবে—কার পরে কে দেবে, সেটার ব্যবস্থা করে দিতে হবে।’
এবার হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছ থেকে কোনো ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, তারা এমন কিছু বলেননি। এবার তারা কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। অন্যবার তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। তারা বলেছেন যে গতবার তারা শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন করেছেন, এবার আরও শান্তিপূর্ণভাবে করতে পারবেন।’
যারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না, তারাই নাশকতা করছে বলে আপনি এর আগে অভিযোগ করেছেন, এবার তাদের কাছ থেকে কোনো ধরনের নাশকতার আশঙ্কা আছে কিনা—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘যারা দুষ্কৃতকারী, তারা সব জায়গায় দুষ্কর্ম করার চেষ্টা করে। এটা প্রতিহত করার দায়িত্ব আমাদের ও আপনাদের। আমরা সবাই মিলে এটা প্রতিহত করব। এবার পূজামণ্ডপ পাহারায় তিন লাখের মতো আনসার থাকবে, অন্য বাহিনীর সদস্যরাও থাকবেন।’
প্রতিবারই পূজা শুরুর আগে মণ্ডপ ভাঙার খবর আসে। এবার নিবৃত্তিমূলক কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'আমাদের নিবৃত্তিমূলক পদক্ষেপ শুরু হয়ে গেছে।'

গত বছরের মতো এবারও যাতে এবারও দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভার আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এমন তথ্য দিয়েছেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও বলেছেন, ‘পূজা উপলক্ষে আশপাশে যে মেলাগুলো হয়, তারপর ওখানে যে গাঁজার আড্ডা বসে, মদের আড্ডা বসে—এ বছর এগুলো কোনো অবস্থাতেই হওয়া যাবে না। কোনো রকম মেলা হবে না। তবে ছোটখাট দুয়েকটা দোকান বসতে পারবে, কমিটির অনুমোদন থাকতে হবে।’
উপদেষ্টা বলেন, এটা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব, তাদের মধ্যে যারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন, তারা অঙ্গীকার করেছেন যে এটা খুবই ভালো হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে তাদের যে একটা বড় ভূমিকা আছে, তা নিশ্চিত করতে চব্বিশ ঘণ্টা যাতে মণ্ডপ পর্যবেক্ষণে থাকে, সে জন্য দিনে তিনজন করে, রাতে চারজন করে থাকবেন। তারাও চব্বিশ ঘণ্টা মণ্ডপ পর্যবেক্ষণ করবেন, যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, ‘আমরা একটি নতুন অ্যাপ চালু করেছি, যাতে কোনো ঘটনা ঘটলে এর মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করা যাবে। পাশাপাশি, ঘটনার কোনো সত্যতা আছে কিনা, সেটাও যাচাই করে দেখা যাবে।’
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আমাদের সব বাহিনী থাকবে তাদের নিরাপত্তায়। তবে সীমান্তের পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তার মূল দায়িত্ব বর্ডার গার্ড বাংলাদেশর (বিজিবি) ওপর বর্তায়। তবে পুলিশও থাকবে। আর আনসার সব জায়গায় থাকবে। এবার প্রায় ৩৩ হাজার পূজামণ্ডপ স্থাপন করা হয়েছে।’
পূজামণ্ডপ করলে সে তথ্য যেন পুলিশকে জানানো হয়, সেই অনুরোধ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এই তালিকার বাইরে অনেক সময় দয়েকটি মণ্ডপ হতে পারে। এসব মণ্ডপে যদি কোনো একটি ঘটনা ঘটে যায়... আমরা তো যে তালিকাটা পাই, সেটির ওপর ভিত্তি করেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হয়। কিন্তু হঠাৎ কোথাও একটি মণ্ডপ স্থাপন করা হলো—ওটা হলে আমাদের জন্য অসুবিধা হয়ে যায়। এ কারণে তাঁদের কাছে অনুরোধ করেছি, আপনারা যে যেখানে যেটিই করেন না কেন, আমাদের কাছে আগেই তালিকা দিয়ে দেবেন, যাতে সেখানে আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করতে পারি।’
আগের মতো বিসর্জনের জন্যও সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে কিনা, প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বলা হয়েছে, সন্ধ্যা সাতটার আগেই যেন বিসর্জনের কাজ শেষ হয়ে যায়। এটা সবার জন্য। গ্রামে-গঞ্জে বিসর্জন একটু আগেভাগেই দিয়ে ফেলে। কিন্তু ঢাকায় অনেক সময় দেরি হয়। ঢাকায় একটা লাইন করে দিতে হবে—কার পরে কে দেবে, সেটার ব্যবস্থা করে দিতে হবে।’
এবার হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছ থেকে কোনো ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, তারা এমন কিছু বলেননি। এবার তারা কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। অন্যবার তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। তারা বলেছেন যে গতবার তারা শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন করেছেন, এবার আরও শান্তিপূর্ণভাবে করতে পারবেন।’
যারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না, তারাই নাশকতা করছে বলে আপনি এর আগে অভিযোগ করেছেন, এবার তাদের কাছ থেকে কোনো ধরনের নাশকতার আশঙ্কা আছে কিনা—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘যারা দুষ্কৃতকারী, তারা সব জায়গায় দুষ্কর্ম করার চেষ্টা করে। এটা প্রতিহত করার দায়িত্ব আমাদের ও আপনাদের। আমরা সবাই মিলে এটা প্রতিহত করব। এবার পূজামণ্ডপ পাহারায় তিন লাখের মতো আনসার থাকবে, অন্য বাহিনীর সদস্যরাও থাকবেন।’
প্রতিবারই পূজা শুরুর আগে মণ্ডপ ভাঙার খবর আসে। এবার নিবৃত্তিমূলক কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'আমাদের নিবৃত্তিমূলক পদক্ষেপ শুরু হয়ে গেছে।'

মালয়েশিয়ায় পুনরায় কর্মী পাঠাতে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেছেন, সরকার কম খরচে এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো নিশ্চিত করতে চায়।
২৫ মিনিট আগে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দরবারে হামলা চালিয়ে মারধরে নিহত পীর আব্দুর রহমান ওরফে শামীম জাহাঙ্গীরের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার আসরের নামাজের পর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় গ্রামের একটি ঈদগাহে জানাজা শেষে দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
৪৩ মিনিট আগে
হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়া বাংলাদেশি জাহাজ দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদী। তিনি জানিয়েছেন, ইরান এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে এবং দ্রুত জাহাজগুলো গন্তব্যে পৌঁছাবে।
১ ঘণ্টা আগে
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, তিনি আগামী তিন মাস সরকারি বরাদ্দের জ্বালানির পুরোটাই নেবেন না।
১ ঘণ্টা আগে