স্ট্রিম প্রতিবেদক

কুমিল্লার মুরাদনগরে মাদক কারবারে জড়িত থাকার সন্দেহে রোকসানা আক্তার রুবি ও তাঁর দুই ছেলে-মেয়েকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় উত্তেজিত লোকজনের মারধরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁর আরেক মেয়েকে ভর্তি করা হয়েছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার আকবপুর ইউনিয়নের কড়ইবাড়ি গ্রামে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাঙ্গরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন বাঙ্গরা থানার কড়ইবাড়ি গ্রামের রোকসানা আক্তার রুবি (৫৫), তাঁর ছেলে রাসেল মিয়া (২৮) ও মেয়ে জোনাকি আক্তার (২২)। হাসপাতালে ভর্তি আছেন রুমা আক্তার (৩০) নামে আরেক মেয়ে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে ওসি মাহফুজুর রহমান জানান, মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল রোকসানা আক্তার রুবির পরিবারের বিরুদ্ধে। ওই অভিযোগ তুলে আজ সকালে রুবি ও তাঁর ছেলেমেয়েদের ‘গণপিটুনি’ দেয় এলাকার লোকজন। এতে ঘটনাস্থলেই রুবি, মেয়ে জোনাকী ও ছেলে রাসেল নিহত হন। এ সময় আহত হন আরেক মেয়ে রুমা।
আহত রুমা আক্তারকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে তাঁর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয় বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম মানিক। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁকে কুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রুবি তাঁর সন্তানদের নিয়ে কড়ইবাড়ি গ্রামে বাবার বাড়িতে থাকেন। রুবি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মুরাদনগর, বাঙ্গরাসহ অন্যান্য থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
তবে মাদক কারবারের অভিযোগে রুবির বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাকেই মামলা দেওয়াসহ নানাভাবে হয়রানি করতেন তিনি। এতে এলাকার লোকজনও তাঁদের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত ছিল। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বাগ্বিতণ্ডার জেরে ‘মাদকের বিরুদ্ধে অ্যাকশন’ নাম দিয়ে রুবির বাড়িতে হামলা চালায় উত্তেজিত জনতা। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
উপজেলার আকবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান শাহ আলম বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে যতটুকু শুনেছি, নিহত পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ নিয়ে ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী আজ সকালে ওই পরিবারের চারজনকে গণপিটুনি দেয়।’
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া কুমিল্লা পুলিশ সুপার (এসপি) নাজির আহমেদসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা ও থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উত্তেজনা এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান ওসি মাহফুজুর রহমান।

কুমিল্লার মুরাদনগরে মাদক কারবারে জড়িত থাকার সন্দেহে রোকসানা আক্তার রুবি ও তাঁর দুই ছেলে-মেয়েকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় উত্তেজিত লোকজনের মারধরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁর আরেক মেয়েকে ভর্তি করা হয়েছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার আকবপুর ইউনিয়নের কড়ইবাড়ি গ্রামে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাঙ্গরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন বাঙ্গরা থানার কড়ইবাড়ি গ্রামের রোকসানা আক্তার রুবি (৫৫), তাঁর ছেলে রাসেল মিয়া (২৮) ও মেয়ে জোনাকি আক্তার (২২)। হাসপাতালে ভর্তি আছেন রুমা আক্তার (৩০) নামে আরেক মেয়ে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে ওসি মাহফুজুর রহমান জানান, মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল রোকসানা আক্তার রুবির পরিবারের বিরুদ্ধে। ওই অভিযোগ তুলে আজ সকালে রুবি ও তাঁর ছেলেমেয়েদের ‘গণপিটুনি’ দেয় এলাকার লোকজন। এতে ঘটনাস্থলেই রুবি, মেয়ে জোনাকী ও ছেলে রাসেল নিহত হন। এ সময় আহত হন আরেক মেয়ে রুমা।
আহত রুমা আক্তারকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে তাঁর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয় বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম মানিক। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁকে কুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রুবি তাঁর সন্তানদের নিয়ে কড়ইবাড়ি গ্রামে বাবার বাড়িতে থাকেন। রুবি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মুরাদনগর, বাঙ্গরাসহ অন্যান্য থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
তবে মাদক কারবারের অভিযোগে রুবির বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাকেই মামলা দেওয়াসহ নানাভাবে হয়রানি করতেন তিনি। এতে এলাকার লোকজনও তাঁদের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত ছিল। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বাগ্বিতণ্ডার জেরে ‘মাদকের বিরুদ্ধে অ্যাকশন’ নাম দিয়ে রুবির বাড়িতে হামলা চালায় উত্তেজিত জনতা। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
উপজেলার আকবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান শাহ আলম বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে যতটুকু শুনেছি, নিহত পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ নিয়ে ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী আজ সকালে ওই পরিবারের চারজনকে গণপিটুনি দেয়।’
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া কুমিল্লা পুলিশ সুপার (এসপি) নাজির আহমেদসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা ও থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উত্তেজনা এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান ওসি মাহফুজুর রহমান।
.png)

রাজধানীর ভাটারা নতুন বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ তিনজনই মারা গেছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় বান ইনস্টিটিউটে গৃহবধূ ফাহিমা আক্তারের (২১) মৃত্যু হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের কাছে ছাতায় লুকিয়ে রাখা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) নিষ্ক্রিয় করার পরে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তাদের ভাষ্য, এটি সময় নিয়ন্ত্রিত। সেট করা সময়ের পরে বিস্ফোরণ ঘটতো। অতীতে উগ্রবাদী সংগঠনের আইইডির সঙ্গে এটির গঠনগত মিল রয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে এক ছাত্রকে (১২) বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক শাহজালাল হককে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা বাদী হয়ে আদিতমারী থানায় একটি মামলা করেন। আজ শনিবার ওই শিক্ষককে আদালতে সোপর্দ হলে তাঁকে কারাগারে পাঠান বিচারক।
১৫ ঘণ্টা আগে
মসজিদ, পাশেই ধানখেত। মসজিদের আঙিনায় জাতীয় পতাকার সঙ্গে উড়ছে বিএনপির পতাকা। সেখানেই খুপড়ি ঘরে বসবাস রাজীব শাহের। খোদ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বুকে তিনি সাম্রাজ্য গড়ে নাম দিয়েছেন ‘নবাবপাড়া’।
১৫ ঘণ্টা আগে