স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের নেওয়া দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে এক প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। প্রতিবাদকারীরা বলেছেন, এই পরিকল্পনায় স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও এলাকায় সিডিএ স্কুলের সামনে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশ থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি ‘শতভাগ গ্রিন গ্রিড’ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর জোর দিতে হবে।
প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, এই খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের সময় নাগরিক সমাজ ও স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাদের মতে, গণতান্ত্রিক আলোচনা ও স্বচ্ছতা ছাড়া এই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।
পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বক্তব্য দেন।
এস এম নাজের হোসাইন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাবিত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা (২০২৬–২০৫০) প্রণয়নের সময় জনগণ, নাগরিক সমাজ ও স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, ইপিএসএমপি ২০২৫ ভবিষ্যতেও জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর প্রকল্পকে বৈধতা দেওয়ার কাঠামো তৈরি করছে। খসড়া মহাপরিকল্পনায় ‘এনার্জি ট্রানজিশন’-এর কথা বলা হলেও বাস্তবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ মাত্র ১৭ শতাংশ।
এস এম নাজের হোসাইন জানান, কাগজে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ৪৪ শতাংশ দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতা ১৫ দশমিক ৮ গিগাওয়াট থেকে বাড়িয়ে ২৫ দশমিক ২ গিগাওয়াট করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে অবিলম্বে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা ২০২৫ (ইপিএসএমপি ২০২৫) স্থগিত ও বাতিলসহ চারটি দাবি জানানো হয়।
বাংলাদেশের প্রতিবেশ ও উন্নয়ন কর্মজোট (বিডব্লিউজিইডি)-এর উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।আইএসডিই বাংলাদেশ, প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরাম-চট্টগ্রাম এবং উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন) সহ-আয়োজক হিসেবে অংশ নেয়।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম নাসিরুল হক।
আরও উপস্থিত ছিলেন এডাব চট্টগ্রামের সাবেক সভাপতি নারী নেত্রী জেসমিন সুলতানা পারু, নারী নেত্রী ডা. লুসি খান,
বাংলাদেশ ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবলস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সেলিম জাহাঙ্গীর, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, সবুজের যাত্রার নির্বাহী পরিচালক সায়েরা বেগমসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের নেওয়া দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে এক প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। প্রতিবাদকারীরা বলেছেন, এই পরিকল্পনায় স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও এলাকায় সিডিএ স্কুলের সামনে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশ থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি ‘শতভাগ গ্রিন গ্রিড’ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর জোর দিতে হবে।
প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, এই খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের সময় নাগরিক সমাজ ও স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাদের মতে, গণতান্ত্রিক আলোচনা ও স্বচ্ছতা ছাড়া এই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।
পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বক্তব্য দেন।
এস এম নাজের হোসাইন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাবিত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা (২০২৬–২০৫০) প্রণয়নের সময় জনগণ, নাগরিক সমাজ ও স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, ইপিএসএমপি ২০২৫ ভবিষ্যতেও জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর প্রকল্পকে বৈধতা দেওয়ার কাঠামো তৈরি করছে। খসড়া মহাপরিকল্পনায় ‘এনার্জি ট্রানজিশন’-এর কথা বলা হলেও বাস্তবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ মাত্র ১৭ শতাংশ।
এস এম নাজের হোসাইন জানান, কাগজে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ৪৪ শতাংশ দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতা ১৫ দশমিক ৮ গিগাওয়াট থেকে বাড়িয়ে ২৫ দশমিক ২ গিগাওয়াট করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে অবিলম্বে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা ২০২৫ (ইপিএসএমপি ২০২৫) স্থগিত ও বাতিলসহ চারটি দাবি জানানো হয়।
বাংলাদেশের প্রতিবেশ ও উন্নয়ন কর্মজোট (বিডব্লিউজিইডি)-এর উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।আইএসডিই বাংলাদেশ, প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরাম-চট্টগ্রাম এবং উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন) সহ-আয়োজক হিসেবে অংশ নেয়।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম নাসিরুল হক।
আরও উপস্থিত ছিলেন এডাব চট্টগ্রামের সাবেক সভাপতি নারী নেত্রী জেসমিন সুলতানা পারু, নারী নেত্রী ডা. লুসি খান,
বাংলাদেশ ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবলস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সেলিম জাহাঙ্গীর, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, সবুজের যাত্রার নির্বাহী পরিচালক সায়েরা বেগমসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা।

বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
১৯ মিনিট আগে
পোস্টাল ব্যালটে এখন পর্যন্ত চার লাখ পাঁচ হাজার ১৬৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশি ভোট দিয়েছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে পাঠানো এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ কথা বলা হয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
খেলাফতে মজলিশের আমির ও ঢাকা–১৩ আসনের রিকশা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মামুনুল হকের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দ্বিতীয় দিনের মতো ‘জাগরণী পদযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩৩ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় একটি সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল (মিলিটারি ইকোনমিক জোন) গড়ে তোলার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগে নির্ধারিত ভারতীয় সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিবর্তে এই নতুন অঞ্চল স্থাপন করা হবে।
৩৯ মিনিট আগে