স্ট্রিম সংবাদদাতা

ঝিনাইদহ শহরে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের অসমাপ্ত ভাস্কর্য অপসারণ করছে জেলা পরিষদ। সরকারি ভাষ্য, ভাস্কর্যটির সঙ্গে হামিদুর রহমানের প্রকৃত অবয়বের সাদৃশ্য না থাকায় এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দৃষ্টিসীমা কমে যান চলাচলে ঝুঁকির কারণে স্থাপনাটি সরানো হচ্ছে।
জেলা শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় ভাস্কর্যটিতে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ভাঙচুর চালানো হয়েছিল। সম্প্রতি ভাস্কর্যটি অপসারণ শুরু হলে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় আসে। স্থানীয় প্রশাসনের কেউ প্রথমে এ বিষয়ে কথা না বলায় সমালোচনাও হয়।
তবে শুক্রবার (১৭ জুলাই) জেলা পরিষদ জানিয়েছে, তাদের তত্ত্বাবধানে ভাস্কর্যটি অপসারণ করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন ও পৌরসভা থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ ঝিনাইদহ পৌরসভার উদ্যোগে প্রায় ৩২ লাখ টাকায় ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর’ নামে প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। তবে ১১ লাখ টাকার কাজের পর অজানা কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে স্থাপনাটি পড়ে ছিল।
পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ আলী খান জানান, কেন নির্মাণকাজ বন্ধ হয়েছিল সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি প্রকল্প-সংক্রান্ত ফাইলও বর্তমানে পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগে পাওয়া যায়নি।
তবে জেলা পরিষদ থেকে জানা যায়, আংশিক কাজ শেষে সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে আসলে তা স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির একাধিক সভায় স্থাপনাটি অপসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে এখন অপসারণ শুরু হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মী আবু সাঈদ বলেন, ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান আমাদের গর্ব। কিন্তু তাঁর নামে যে স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়েছিল, সেটিতে তাঁর প্রকৃত অবয়ব বা ছবির কোনো প্রতিফলন ছিল না। নান্দনিকতারও ঘাটতি ছিল।’
সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কামালুজ্জামান বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাস্কর্য অপসারণের বিষয়টি দেখেছি। তবে সেখানে প্রকৃত অর্থে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের কোনো স্বীকৃত ভাস্কর্য ছিল বলে আমাদের জানা নেই। এমন স্থাপনা নির্মাণ হলে মুক্তিযোদ্ধাদের অবশ্যই জানানো হতো।’
ঢাকা-ঝিনাইদহ ও যশোর-কুষ্টিয়া মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে স্থাপনাটির কারণে যান চলাচলে সমস্যার কথা জানিয়েছেন যানচালকসহ স্থানীয়রা। দূরপাল্লার বাসচালক মিজানুর রহমান বলেন, মহাসড়কের মাঝে উঁচু বেদির কারণে অন্য পাশের গাড়ি দেখা যেত না।
বিষয়টি নিয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ বলেন, ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের নামে অসুন্দর বা বাস্তব অবয়বের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা তাঁর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন নয়। প্রকৃত অবয়ব অনুসরণ করে নান্দনিক ভাস্কর্য নির্মাণ করা হলে আজ এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না।’
তিনি আরও বলেন, অপরিকল্পিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মধ্যে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণে জননিরাপত্তার বিষয়টিও উপেক্ষা করা হয়েছিল।
জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন বলেন, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থাপনাটি অপসারণ করা হচ্ছে। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের প্রকৃত ছবি ও অবয়বের আদলে একটি নান্দনিক ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী রোববার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

ঝিনাইদহ শহরে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের অসমাপ্ত ভাস্কর্য অপসারণ করছে জেলা পরিষদ। সরকারি ভাষ্য, ভাস্কর্যটির সঙ্গে হামিদুর রহমানের প্রকৃত অবয়বের সাদৃশ্য না থাকায় এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দৃষ্টিসীমা কমে যান চলাচলে ঝুঁকির কারণে স্থাপনাটি সরানো হচ্ছে।
জেলা শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় ভাস্কর্যটিতে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ভাঙচুর চালানো হয়েছিল। সম্প্রতি ভাস্কর্যটি অপসারণ শুরু হলে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় আসে। স্থানীয় প্রশাসনের কেউ প্রথমে এ বিষয়ে কথা না বলায় সমালোচনাও হয়।
তবে শুক্রবার (১৭ জুলাই) জেলা পরিষদ জানিয়েছে, তাদের তত্ত্বাবধানে ভাস্কর্যটি অপসারণ করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন ও পৌরসভা থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ ঝিনাইদহ পৌরসভার উদ্যোগে প্রায় ৩২ লাখ টাকায় ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর’ নামে প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। তবে ১১ লাখ টাকার কাজের পর অজানা কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে স্থাপনাটি পড়ে ছিল।
পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ আলী খান জানান, কেন নির্মাণকাজ বন্ধ হয়েছিল সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি প্রকল্প-সংক্রান্ত ফাইলও বর্তমানে পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগে পাওয়া যায়নি।
তবে জেলা পরিষদ থেকে জানা যায়, আংশিক কাজ শেষে সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে আসলে তা স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির একাধিক সভায় স্থাপনাটি অপসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে এখন অপসারণ শুরু হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মী আবু সাঈদ বলেন, ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান আমাদের গর্ব। কিন্তু তাঁর নামে যে স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়েছিল, সেটিতে তাঁর প্রকৃত অবয়ব বা ছবির কোনো প্রতিফলন ছিল না। নান্দনিকতারও ঘাটতি ছিল।’
সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কামালুজ্জামান বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাস্কর্য অপসারণের বিষয়টি দেখেছি। তবে সেখানে প্রকৃত অর্থে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের কোনো স্বীকৃত ভাস্কর্য ছিল বলে আমাদের জানা নেই। এমন স্থাপনা নির্মাণ হলে মুক্তিযোদ্ধাদের অবশ্যই জানানো হতো।’
ঢাকা-ঝিনাইদহ ও যশোর-কুষ্টিয়া মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে স্থাপনাটির কারণে যান চলাচলে সমস্যার কথা জানিয়েছেন যানচালকসহ স্থানীয়রা। দূরপাল্লার বাসচালক মিজানুর রহমান বলেন, মহাসড়কের মাঝে উঁচু বেদির কারণে অন্য পাশের গাড়ি দেখা যেত না।
বিষয়টি নিয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ বলেন, ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের নামে অসুন্দর বা বাস্তব অবয়বের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা তাঁর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন নয়। প্রকৃত অবয়ব অনুসরণ করে নান্দনিক ভাস্কর্য নির্মাণ করা হলে আজ এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না।’
তিনি আরও বলেন, অপরিকল্পিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মধ্যে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণে জননিরাপত্তার বিষয়টিও উপেক্ষা করা হয়েছিল।
জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন বলেন, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থাপনাটি অপসারণ করা হচ্ছে। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের প্রকৃত ছবি ও অবয়বের আদলে একটি নান্দনিক ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী রোববার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
.png)

চীনের সাংহাইয়ে ‘ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কনফারেন্স ২০২৬’-এ অংশ নিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
১ মিনিট আগে
কক্সবাজারের মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সদস্যরা। এ সময় ‘মিন্টু বাহিনী’র প্রধান ইমাম হোসেন মিন্টুকে (৩৮) আটক করা হয়।
৪ মিনিট আগে
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে টর্নেডো আঘাত হেনেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে হঠাৎ সৈকতের সুগন্ধা ও সি-গাল পয়েন্টে মিনিটখানেক স্থায়ী এই ঘূর্ণিঝড় হয়। এতে পর্যটকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত সরকার। শুক্রবার (১৭ জুলাই) নয়াদিল্লিতে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এই কথা বলেন।
২ ঘণ্টা আগে