স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্বসংক্রান্ত অভিযোগ ও আপিল শুনানি শেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অন্তত ২২ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে ছয়টি দলের ২০ জন এবং দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। তবে আরও একজন প্রার্থীর বিষয়ে আপিল এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। তাঁর প্রার্থিতা এখন একটি দালিলিক প্রমাণের ওপর নির্ভর করছে।
বাংলাদেশের আইনে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা ব্যক্তিরা নির্বাচনে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন। সংবিধানের ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এই বিধান ২০০৯ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (সংশোধনী) আইন এবং ২০১১ সালের সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধনী) আইনের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করা হয়। সংশোধনী অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন বা অন্য দেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন, তবে তিনি সংসদ সদস্য পদের জন্য অযোগ্য হবেন। এই বিধান ২০০৮ সালের ১৯ আগস্ট থেকে কার্যকর রয়েছে।
তবে আইনে দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়ে উল্লেখ থাকায় এর ব্যাখ্যার সুযোগ নিচ্ছেন প্রার্থীরা। কেবল নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদনের প্রমাণ জমা দিয়েই এবারের নির্বাচনে এ সকল প্রার্থী সুযোগ পাচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, বিএনপি থেকে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে মোট ৯ জন প্রার্থী লড়ছেন। তাঁরা হলেন — এ কে এম কামরুজ্জামান (দিনাজপুর-৫), শামা ওবায়েদ ইসলাম (ফরিদপুর-১), মো. মনিরুজ্জামান (সাতক্ষীরা-৪), তাহির রায়হান চৌধুরী (সুনামগঞ্জ-২), মো. শওকতুল ইসলাম (মৌলভীবাজার-২), মুশফিকুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), আবদুল আউয়াল মিন্টু (ফেনী-৩), আফরোজা খানম রিতা (মানিকগঞ্জ-৩) এবং মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী (শেরপুর-২)।
এ ছাড়া কুমিল্লা-৩ আসনের কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের আপিল এখনো স্থগিত আছে। নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ শুনানি চলাকালে জানান, যে নথিপত্র উপস্থাপন করা হয়েছে তা তাঁর নাগরিকত্ব ত্যাগের কথা বললেও প্রক্রিয়াগতভাবে সন্তোষজনক নয়। তাই তুরস্ক দূতাবাস থেকে গ্রহণযোগ্য নথি জমা দিতে পারলে তাঁর বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ হবে।
এদিকে শুনানিতে অনুপস্থিত থাকার কারণে বিএনপির বৈধ প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১০) প্রার্থিতা হারিয়েছেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে পাঁচজন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। তাঁরা হলেন — মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম (ঢাকা-১), জোনায়েদ হোসাইন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), মো. মাহবুবুল আলম (কুড়িগ্রাম-৩), ডা. এ কে এম ফজলুল হক (চট্টগ্রাম-৯) এবং মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ (যশোর-২)। আপিল শুনানিতে জামায়াতের তিনজন প্রার্থী তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে দুজন প্রার্থী রয়েছেন। তাঁরা হলেন — জহিরুল ইসলাম এবং মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন (চট্টগ্রাম-৩)। এর মধ্যে মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন তাঁর প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে মঞ্জুম আলী (রংপুর-১) ও মো. খুরশিদ আলম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), এনসিপি থেকে এহতেশামুল হক (সিলেট-১), খেলাফত মজলিস থেকে মো. আজাবুল হক (নাটোর-১) এবং স্বতন্ত্র হিসেবে আনোয়ার হোসেন (সুনামগঞ্জ-৩) ও শেখ সুজাত মিয়া (হবিগঞ্জ-১) নির্বাচনে লড়ছেন।
ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে আগে বাতিল হওয়া যেসব প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন, তাঁরা হলেন — ইসলামী আন্দোলনের আমজাদ হোসেন; জামায়াতের মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ, ডা. এ কে এম ফজলুল হক ও মো. মাহবুবুল আলম; জাতীয় পার্টির মঞ্জুম আলী ও মো. খুরশিদ আলম; বিএনপির মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী; খেলাফত মজলিসের আজাবুল হক এবং এনসিপির এহতেশামুল হক।
এদিকে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা ও আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুছা শুনানি চলাকালে জানান, দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও প্রার্থিতা দেওয়ার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্বসংক্রান্ত অভিযোগ ও আপিল শুনানি শেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অন্তত ২২ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে ছয়টি দলের ২০ জন এবং দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। তবে আরও একজন প্রার্থীর বিষয়ে আপিল এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। তাঁর প্রার্থিতা এখন একটি দালিলিক প্রমাণের ওপর নির্ভর করছে।
বাংলাদেশের আইনে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা ব্যক্তিরা নির্বাচনে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন। সংবিধানের ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এই বিধান ২০০৯ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (সংশোধনী) আইন এবং ২০১১ সালের সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধনী) আইনের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করা হয়। সংশোধনী অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন বা অন্য দেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন, তবে তিনি সংসদ সদস্য পদের জন্য অযোগ্য হবেন। এই বিধান ২০০৮ সালের ১৯ আগস্ট থেকে কার্যকর রয়েছে।
তবে আইনে দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়ে উল্লেখ থাকায় এর ব্যাখ্যার সুযোগ নিচ্ছেন প্রার্থীরা। কেবল নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদনের প্রমাণ জমা দিয়েই এবারের নির্বাচনে এ সকল প্রার্থী সুযোগ পাচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, বিএনপি থেকে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে মোট ৯ জন প্রার্থী লড়ছেন। তাঁরা হলেন — এ কে এম কামরুজ্জামান (দিনাজপুর-৫), শামা ওবায়েদ ইসলাম (ফরিদপুর-১), মো. মনিরুজ্জামান (সাতক্ষীরা-৪), তাহির রায়হান চৌধুরী (সুনামগঞ্জ-২), মো. শওকতুল ইসলাম (মৌলভীবাজার-২), মুশফিকুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), আবদুল আউয়াল মিন্টু (ফেনী-৩), আফরোজা খানম রিতা (মানিকগঞ্জ-৩) এবং মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী (শেরপুর-২)।
এ ছাড়া কুমিল্লা-৩ আসনের কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের আপিল এখনো স্থগিত আছে। নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ শুনানি চলাকালে জানান, যে নথিপত্র উপস্থাপন করা হয়েছে তা তাঁর নাগরিকত্ব ত্যাগের কথা বললেও প্রক্রিয়াগতভাবে সন্তোষজনক নয়। তাই তুরস্ক দূতাবাস থেকে গ্রহণযোগ্য নথি জমা দিতে পারলে তাঁর বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ হবে।
এদিকে শুনানিতে অনুপস্থিত থাকার কারণে বিএনপির বৈধ প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১০) প্রার্থিতা হারিয়েছেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে পাঁচজন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। তাঁরা হলেন — মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম (ঢাকা-১), জোনায়েদ হোসাইন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), মো. মাহবুবুল আলম (কুড়িগ্রাম-৩), ডা. এ কে এম ফজলুল হক (চট্টগ্রাম-৯) এবং মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ (যশোর-২)। আপিল শুনানিতে জামায়াতের তিনজন প্রার্থী তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে দুজন প্রার্থী রয়েছেন। তাঁরা হলেন — জহিরুল ইসলাম এবং মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন (চট্টগ্রাম-৩)। এর মধ্যে মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন তাঁর প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে মঞ্জুম আলী (রংপুর-১) ও মো. খুরশিদ আলম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), এনসিপি থেকে এহতেশামুল হক (সিলেট-১), খেলাফত মজলিস থেকে মো. আজাবুল হক (নাটোর-১) এবং স্বতন্ত্র হিসেবে আনোয়ার হোসেন (সুনামগঞ্জ-৩) ও শেখ সুজাত মিয়া (হবিগঞ্জ-১) নির্বাচনে লড়ছেন।
ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে আগে বাতিল হওয়া যেসব প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন, তাঁরা হলেন — ইসলামী আন্দোলনের আমজাদ হোসেন; জামায়াতের মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ, ডা. এ কে এম ফজলুল হক ও মো. মাহবুবুল আলম; জাতীয় পার্টির মঞ্জুম আলী ও মো. খুরশিদ আলম; বিএনপির মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী; খেলাফত মজলিসের আজাবুল হক এবং এনসিপির এহতেশামুল হক।
এদিকে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা ও আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুছা শুনানি চলাকালে জানান, দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও প্রার্থিতা দেওয়ার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবেন।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ক্রমশ বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত ডিজেল দেওয়ার অনুরোধ পেয়েছে ভারত। এখন সেই অনুরোধ বিবেচনা করছে দেশটি। তবে তার আগে নিজেদের চাহিদা এবং শোধনাগারের ক্ষমতা খতিয়ে দেখবে ভারত।
৫ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি হওয়া মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ সময় আওয়ামী লীগ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’আখ্যা দেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘পুলিশ হত্যা’র অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ ৪২ জনকে আসামি করে মামলার আবেদন করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সড়ক, রেল ও নৌপথের যাত্রী এবং চালকদের প্রতি নিরাপত্তা দির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
৬ ঘণ্টা আগে