জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

তারেক রহমান সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন—দাবিটি সঠিক নয়

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

বাংলাদেশের ইতিহাসে চল্লিশ বছরেরও বেশি বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নজির রয়েছে। স্ট্রিম গ্রাফিক

তারেক রহমান বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন— এই দাবিতে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কয়েকটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে (,,)। স্ট্রিমের যাচাই বলছে, দাবিটি সঠিক নয়। কারণ বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগেই আরও বেশি বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নজির আছে।

দাবিটি যাচাই করতে আমরা দুটি তথ্য মিলিয়ে দেখি। এক, তারেক রহমানের জন্মতারিখ। দুই, এর আগে কারও প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময় বয়স কত ছিল।

প্রথমত, বিএনপির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে তারেক রহমানের পরিচিতিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে, তারেক রহমানের জন্ম ২০ নভেম্বর ১৯৬৭।

এই জন্মতারিখ অনুযায়ী ২০২৬ সালের ২০ নভেম্বরের আগে তাঁর বয়স ৬০ পূর্ণ হওয়ার কথা নয়। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়কাল উল্লেখ না করে তাকে ‘৬০ বছর বয়সী’ বলে প্রচার করা দাবি তথ্যগতভাবে মিলছে না।

দ্বিতীয়ত, ‘সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী’ হওয়ার দাবিটি যাচাই করতে গিয়ে প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদনের তথ্য পাওয়া যায়। সেখানে বলা হয়েছে, আতাউর রহমান খানের জন্ম ১৯০৫ সালে এবং তিনি ১৯৮৪ সালের ৩০ মার্চ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

এ তথ্যের ভিত্তিতে হিসাব করলে দেখা যায়, ১৯৮৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময় আতাউর রহমান খানের বয়স আনুমানিক ৭৮ থেকে ৭৯ বছরের মধ্যে ছিল। ফলে ‘৬০ বছর বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে তিনি সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ রেকর্ড করবেন’ এই দাবি ইতিহাসগতভাবে টেকে না। কারণ আতাউর রহমান খান তার চেয়েও অনেক বেশি বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হন।

এখানে, বিএনপির ওয়েবসাইটে থাকা জন্মতারিখ অনুযায়ী তারেক রহমানের বয়স সংক্রান্ত প্রচারের সঙ্গে অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি প্রথম আলোর প্রতিবেদনে থাকা তথ্য অনুযায়ী, আতাউর রহমান খান ইতোমধ্যে অনেক বেশি বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তাই ফেসবুকে প্রচারিত ‘তারেক রহমান সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন’ দাবিটি সঠিক নয়।

Ad 300x250

সম্পর্কিত