স্ট্রিম সংবাদদাতা

মোড়কে ঢাকা ছিল উপহারের বাক্স। তাতে কোনো উপহার ছিল না। ছিল উপঢৌকনের ৭ লাখ টাকা। এমপিও সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার সুপারিশের বিনিময়ে ওই টাকা শিক্ষা কর্মকর্তার হাতে তুলে দিতে এসেছিলেন এক ব্যক্তি। পরে হাতেনাতে ধরে পড়েছেন তিনি।
ধরা পড়ার পর ওই ব্যক্তি বলেন, আমারই দোষ ম্যাডাম তো ঘুষ খান না।
আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুরের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এলে পুলিশ তাকে আটক করে।
আটক ব্যক্তির নামর মাইদুল ইসলাম (৫০)। তাঁর বাড়ি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা এলাকায়। তিনি নিজেকে সাবেক শিক্ষক ও কৃষক বলে দাবি করেন।
পুলিশ ও আঞ্চলিক শিক্ষা উপপরিচালকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা উচ্চবিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারী এমপিও’র সুপারিশের জন্য গত সোমবার উপপরিচালকের কার্যালয়ে যান মাইদুল। এক সপ্তাহ পর আজ আবার উপহারের বাক্সে করে ৭ লাখ টাকা নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা আঞ্চলিক উপপরিচালক মোছা. রোকসানা বেগম কক্ষে যান। সেখানে তাঁকে সুপারিশের বিনিময়ে বাক্সটি গ্রহণ করতে বলেন। এ সময় বক্সের ভেতরে টাকা থাকার বিষয়টি জানালে রোকসানা কর্মচারীদের মাধ্যমে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে টাকাসহ ওই ব্যক্তিকে আটক করে বিকেলে থানা নিয়ে যান।
মাইদুল ইসলাম ঘুষের প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘আমি আলাপ করতে আসছি। ম্যাডাম ঘুষ খায় না সেটা আমি জানি না। এটা আমারই দোষ।’

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা আঞ্চলিক উপপরিচালক মোছা. রোকসানা বেগম বলেন, ‘ওই ব্যক্তিকে আমি আগে কখনও দেখিনি। তবে তিনি গত সোমবার আমার অফিসে এসেছিলেন। আজকে (সোমবার) তিনি রৌমারীর কাজাইকাটা উচ্চবিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারীর এমপিও’র সুপারিশ করতে এসে উপহারের বক্সটি টেবিলে রাখেন। এ সময় মেসেজে দেখান একজন শিক্ষকের জন্য ৫ লাখ, তিনজন কর্মচারীর জন্য তিন লাখ, ৮ লাখ টাকা এখানে আছে। এটা দেখে অফিসের কর্মচারীদের দিয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে তাঁকে আটক করে নিয়ে যায়। এ সময় তাঁর কাছে থাকা ৭ লাখ টাকা জব্দ করে।’
রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী রাত সাড়ে ৭টায় বলেন, ‘খবর পেয়ে জিডি করে জব্দ টাকাসহ ওই ব্যক্তিকে শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আটক করে থানা আনা হয়েছে। বিষয়টি দুদককে জানানো হয়েছে। তাঁরা আসলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মোড়কে ঢাকা ছিল উপহারের বাক্স। তাতে কোনো উপহার ছিল না। ছিল উপঢৌকনের ৭ লাখ টাকা। এমপিও সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার সুপারিশের বিনিময়ে ওই টাকা শিক্ষা কর্মকর্তার হাতে তুলে দিতে এসেছিলেন এক ব্যক্তি। পরে হাতেনাতে ধরে পড়েছেন তিনি।
ধরা পড়ার পর ওই ব্যক্তি বলেন, আমারই দোষ ম্যাডাম তো ঘুষ খান না।
আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুরের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এলে পুলিশ তাকে আটক করে।
আটক ব্যক্তির নামর মাইদুল ইসলাম (৫০)। তাঁর বাড়ি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা এলাকায়। তিনি নিজেকে সাবেক শিক্ষক ও কৃষক বলে দাবি করেন।
পুলিশ ও আঞ্চলিক শিক্ষা উপপরিচালকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা উচ্চবিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারী এমপিও’র সুপারিশের জন্য গত সোমবার উপপরিচালকের কার্যালয়ে যান মাইদুল। এক সপ্তাহ পর আজ আবার উপহারের বাক্সে করে ৭ লাখ টাকা নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা আঞ্চলিক উপপরিচালক মোছা. রোকসানা বেগম কক্ষে যান। সেখানে তাঁকে সুপারিশের বিনিময়ে বাক্সটি গ্রহণ করতে বলেন। এ সময় বক্সের ভেতরে টাকা থাকার বিষয়টি জানালে রোকসানা কর্মচারীদের মাধ্যমে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে টাকাসহ ওই ব্যক্তিকে আটক করে বিকেলে থানা নিয়ে যান।
মাইদুল ইসলাম ঘুষের প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘আমি আলাপ করতে আসছি। ম্যাডাম ঘুষ খায় না সেটা আমি জানি না। এটা আমারই দোষ।’

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা আঞ্চলিক উপপরিচালক মোছা. রোকসানা বেগম বলেন, ‘ওই ব্যক্তিকে আমি আগে কখনও দেখিনি। তবে তিনি গত সোমবার আমার অফিসে এসেছিলেন। আজকে (সোমবার) তিনি রৌমারীর কাজাইকাটা উচ্চবিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারীর এমপিও’র সুপারিশ করতে এসে উপহারের বক্সটি টেবিলে রাখেন। এ সময় মেসেজে দেখান একজন শিক্ষকের জন্য ৫ লাখ, তিনজন কর্মচারীর জন্য তিন লাখ, ৮ লাখ টাকা এখানে আছে। এটা দেখে অফিসের কর্মচারীদের দিয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে তাঁকে আটক করে নিয়ে যায়। এ সময় তাঁর কাছে থাকা ৭ লাখ টাকা জব্দ করে।’
রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী রাত সাড়ে ৭টায় বলেন, ‘খবর পেয়ে জিডি করে জব্দ টাকাসহ ওই ব্যক্তিকে শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আটক করে থানা আনা হয়েছে। বিষয়টি দুদককে জানানো হয়েছে। তাঁরা আসলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরের ফুটপাতে বেচাবিক্রি আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। ক্রেতা সংকট ও বৃষ্টির কারণে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এবারই সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন তাঁরা।
৮ মিনিট আগে
অস্থায়ী ১০ ও একটি স্থায়ী হাটের আটটিই পেয়েছেন দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। বাকি তিনটির ইজারা ব্যবসায়ীদের নামে থাকলেও, নেপথ্যে থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারাই।
২৭ মিনিট আগে
রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। তবে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহে ভোগান্তি, আসন সংকট এবং কালোবাজারির অভিযোগ তুলেছেন অনেক যাত্রী। যদিও কেউ কেউ নির্বিঘ্ন যাত্রার কথাও জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মিরপুরের কালশি বস্তিতে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট কাজ করছে। তবে পানির তীব্র সংকটে আগুন নেভাতে চরম বেগ পেতে হচ্ছে কর্মীদের।
২ ঘণ্টা আগে