leadT1ad

খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জনিং’ করা হয়েছিল: ব্যক্তিগত চিকিৎসক

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ২২: ০২
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জনিং’ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। তিনি বলেছেন, ‘মেথোট্রেক্সেট’ নামের ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে তাঁর লিভার সিরোসিস বাড়ানো হয়েছিল।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভায় এই সব কথা বলেন ডা. এফ এম সিদ্দিকী। শোকসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, ‘বিএসএমএমইউতে সরকার নির্ধারিত চিকিৎসকরা ম্যাডামকে নিয়মিত মেথোট্রেক্সেট ট্যাবলেট খাইয়েছেন। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের জন্য এই ওষুধ দেওয়া হলেও এর প্রভাবে লিভারের ক্ষতি হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়নি।’

তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘তথাকথিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অধীনে থাকলেও দেড় বছরে তাঁর একটি আল্ট্রাসনোগ্রাফিও করা হয়নি। লিভার ফাংশন টেস্টে অবস্থা খারাপ দেখালেও ওষুধটি চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওই প্রেক্ষাপটে এই ওষুধ স্লো পয়জন হিসেবে কাজ করেছে।’

ডা. সিদ্দিকীর অভিযোগ, বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে লিভার রোগের তথ্য গোপন করেছিল। তিনি বলেন, ‘এটি ইচ্ছাকৃত অবহেলা ও অমার্জনীয় অপরাধ। এটি তাঁকে হত্যার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’

ডা. সিদ্দিকী অবিলম্বে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বিএসএমএমইউ থেকে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সব নথিপত্র আইনিভাবে জব্দের পরামর্শ দেন।

২০২১ সালের এপ্রিল থেকে খালেদা জিয়ার সার্বিক চিকিৎসার দায়িত্বে ছিলেন মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

Ad 300x250

সম্পর্কিত