স্ট্রিম প্রতিবেদক

পারিবারিক ব্যবসায় অংশীদার করার কথা বলে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার এই আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত ও মামলার নথি অনুযায়ী, বাদী আমিরুল ইসলাম অভিযোগে উল্লেখ করেন যে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সূত্র ধরে আসামিরা তাঁকে পারিবারিক ব্যবসার অংশীদার করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রলোভনে পড়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে মোট ২৭ লাখ টাকা দেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় পার হলেও ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু হয়নি। লভ্যাংশ বা মূল টাকা ফেরত না পেয়ে বাদী বারবার যোগাযোগ করলেও আসামিরা কালক্ষেপণ করতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়।
আরজিতে আরও বলা হয়, টাকা ফেরত চাইলে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বাদীর সঙ্গে আসামিদের কথা হয়। তাঁকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করতে বলা হয়। সেখানে গেলে মেহজাবীন চৌধুরী, আলিশান চৌধুরী এবং অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজন তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। ভবিষ্যতে টাকা চাইলে বা বাসার সামনে গেলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ ছিল।
ঘটনার পর বাদী ভাটারা থানায় গেলে পুলিশের পরামর্শে তিনি আদালতে এসে ফৌজদারি কার্যবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাটি করেন।
বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাঁরা ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এ আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আফরোজা হক তানিয়া তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন।
আজ সোমবার চূড়ান্ত শুনানিতে আদালত অভিযোগের সারবত্তা পর্যালোচনা করে মেহজাবীন চৌধুরী ও আলিশান চৌধুরীকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেন।

পারিবারিক ব্যবসায় অংশীদার করার কথা বলে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার এই আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত ও মামলার নথি অনুযায়ী, বাদী আমিরুল ইসলাম অভিযোগে উল্লেখ করেন যে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সূত্র ধরে আসামিরা তাঁকে পারিবারিক ব্যবসার অংশীদার করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রলোভনে পড়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে মোট ২৭ লাখ টাকা দেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় পার হলেও ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু হয়নি। লভ্যাংশ বা মূল টাকা ফেরত না পেয়ে বাদী বারবার যোগাযোগ করলেও আসামিরা কালক্ষেপণ করতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়।
আরজিতে আরও বলা হয়, টাকা ফেরত চাইলে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বাদীর সঙ্গে আসামিদের কথা হয়। তাঁকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করতে বলা হয়। সেখানে গেলে মেহজাবীন চৌধুরী, আলিশান চৌধুরী এবং অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজন তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। ভবিষ্যতে টাকা চাইলে বা বাসার সামনে গেলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ ছিল।
ঘটনার পর বাদী ভাটারা থানায় গেলে পুলিশের পরামর্শে তিনি আদালতে এসে ফৌজদারি কার্যবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাটি করেন।
বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাঁরা ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এ আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আফরোজা হক তানিয়া তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন।
আজ সোমবার চূড়ান্ত শুনানিতে আদালত অভিযোগের সারবত্তা পর্যালোচনা করে মেহজাবীন চৌধুরী ও আলিশান চৌধুরীকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেন।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সীমান্তবর্তী নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামের এক যুবকের বাম পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাইনটি মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) পুঁতে রেখেছিল।
২০ মিনিট আগে
শুরুর দিকে বলা হয়েছিল, এসব প্রকল্পে লাখ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এগুলো অদূর ভবিষ্যতে একেকটি ‘সিলিকন ভ্যালি’ হিসেবে পরিচিতি পাবে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে নতুন করে চেনাবে। কাগজে-কলমে এগুলোই ছিল ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর গর্বিত স্মারক। কিন্তু বাস্তবতা হলো, হাই-টেক পার্কের নামে গত দেড় দশকে তৈরি করা হয়েছে
৩০ মিনিট আগে
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলো অঙ্গীকার করেছে। ওনারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, অঙ্গীকার করেছেন। এটা যদি না মানেন, তা কি কোনো ইজ্জতের মানুষ করতে পারে? অবশ্যই নিঃসন্দেহে তাঁরা এগুলো বাস্তবায়ন করতে বাধ্য থাকবেন। আমরা আশা করি, তারা এগুলো বাস্তবায়ন করবেন।’
২ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্বসংক্রান্ত জটিলতায় চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি–বাকলিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি এখন উচ্চ আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
২ ঘণ্টা আগে