রমজানের চাঁদ ওঠার আগেই সৌদি আরবের ঘরে ঘরে শুরু হয় প্রস্তুতি। পবিত্র এই মাসটিকে স্বাগত জানাতে তারা নিজেদের বাড়িঘর নানা রঙের বাতি ও বাহারি শৈলীতে সাজিয়ে তোলেন।
ফাবিহা বিনতে হক

রমজান মাস এলে সারা পৃথিবীর মুসলমানদের জীবনে এক আলাদা আবহ তৈরি হয়। ইফতারকে ঘিরে গড়ে ওঠে নানা রকম সংস্কৃতি। সৌদি আরবও এর ব্যতিক্রম নয়। বিশেষ করে নবীজী (সা.) স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র মক্কা ও মদীনা নগরী সৌদি আরবে হওয়ার মুসলিম বিশ্বে দেশটির ব্যাপক গুরুত্ব রয়েছে। তাই পবিত্র রমজান মাসকে ঘিরে সৌদি আরব সেজে ওঠে উৎসবের সাজে।
রমজানের চাঁদ ওঠার আগেই সৌদি আরবের ঘরে ঘরে শুরু হয় প্রস্তুতি। পবিত্র এই মাসটিকে স্বাগত জানাতে তারা নিজেদের বাড়িঘর নানা রঙের বাতি ও বাহারি শৈলীতে সাজিয়ে তোলেন। সঙ্গে থাকে প্রাচীন আরবীয় ধাঁচের কুপিবাতি বা লণ্ঠনের ব্যবহার। বর্ণিল এই সাজসজ্জায় আরও থাকে সুবাসিত ফুল, রঙিন কাগজ আর নকশাদার বাহারি সব পর্দা, যেখানে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে লেখা থাকে নানান শুভেচ্ছা বার্তা।
সৌদি আরবের ইফতার সংস্কৃতির বড় বৈশিষ্ট্য হলো একসঙ্গে বসে ইফতার করা। আরবরা একা ইফতার করতে পছন্দ করেন না। এজন্য প্রায়ই তাঁরা বাড়ির সামনের আঙিনায় রীতিমত বিশাল তাঁবু খাটিয়ে ইফতারের আয়োজন করেন। রমজানের পুরো মাসজুড়েই শহরগুলোর পথে পথে লাল-নীল তাঁবুর চোখ ধাঁধানো সব পসরা দেখতে পাওয়া যায়, যা রোজার উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
খাদ্যাভ্যাসের দিক থেকেও আরবদের ইফতার রীতি বেশ ব্যতিক্রমী। দিনভর রোজা রাখার পর অধিকাংশ আরবই শুরুতে কেবল কয়েকটি খেজুর আর এক গ্লাস পানি দিয়ে রোজা ভাঙেন। কখনও কখনও এর সঙ্গে সামান্য স্যুপ থাকে। এই হালকা খাবার মুখে দিয়েই তাঁরা মাগরিবের নামাজ আদায় করে নেন। মূলত নামাজের পর শুরু হয় তাঁদের মূল ইফতার বা রাতের ভোজের পর্ব, যেখানে বিচিত্র সব খাবারের পসরায় ভরে ওঠে আরবদের বিশাল দস্তরখান।
সৌদি আরবের সব জায়গাতেই কিছু খাবার ইফতারের টেবিলে নিয়মিত দেখা যায়। এর মধ্যে প্রথমেই আসে ‘সরবা’ নামক এক বিশেষ ধরনের স্যুপ। ভেড়া বা মুরগির মাংস দিয়ে তৈরি ‘খাবসা’, ‘তামিজ’ নামের রুটি, ‘সালাতা’ নামক সালাদ এবং ‘বোরাক’ নামের পিঠাও সমান জনপ্রিয়।
এর বাইরে অঞ্চলভেদে ইফতারের আয়োজনে যুক্ত হয় নিজস্ব ঐতিহ্য। যেমন, সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চল তথা মক্কা, জেদ্দা ও মদিনা শহরগুলোর ইফতারে হিজাজি রন্ধনশৈলীতে তৈরি খাবারের প্রচলন আছে। রমজান মাসের সুস্বাদু খাবারের জন্য এই অঞ্চলটি খুবই পরিচিত। মূলত শাবানের শেষ সপ্তাহ থেকেই খাবার তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়।
হিজাজ অঞ্চলে ইফতারের প্লেটে পাওয়া যাবে এমন খাবারের মধ্যে একটি হলো বার্লি স্যুপ। আরেকটি খাবার হলো সামবোসা। এই খাবারটি মূলত ত্রিভুজ আকারের ভাজা একধরনের পেস্ট্রি। এর ভেতরের অংশ গ্রাউন্ড বিফ বা চিকেন দিয়ে ভরা থাকে। এ ছাড়া বাদাম, ক্রিম কুনাফা ও জুবনিয়া সৌদি আরবে বেশ জনপ্রিয়।
তৃষ্ণা মেটাতে এই অঞ্চলে পান করা হয় ‘সোবিয়া’ শরবত। কয়েকশ বছর আগে মিসরীয় হাজিদের মাধ্যমে এই বিশেষ শরবতটি আরবের হিজাজ অঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে উঠে। বার্লি, ময়দা, শুকনো রুটি ও চিনি দিয়ে তৈরি করা হয় এই বিশেষ পানীয়টি।
মদিনার আল-খোসা, মক্কার আল-খোদারি ও আল-হুসাইনি এবং জেদ্দায় হানবাজাজা পরিবারসহ হিজাজের বিখ্যাত পরিবারগুলো সবচেয়ে সেরা সোবিয়া পরিবেশন করে।
আরবদের আরেকটি জনপ্রিয় পানীয় হলো কামর আল-দিন। খুবই ঘন ও মিষ্টি এই শরবত এপ্রিকট ফল থেকে বানানো হয়।
অন্যদিকে, সৌদি আরবের মধ্যাঞ্চলের অধিবাসীদের মধ্যে নজদিরাই সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি। তাঁদের নিজস্ব খাবার হিসেবে ইফতারের প্লেটে যুক্ত হয় হানিনি। এই খাবারটি হলো খেজুর, আটা, ঘি আর চিনি দিয়ে তৈরি এক প্রকার জাউ। দুম্বার গোশতের সঙ্গে আটা এবং সবজি মিশিয়ে রান্না করা জারিশ নামের খাবারতিও আরবদের দারুণ প্রিয়।
পূর্ব সৌদি আরবে ইফতারি মেনুতে থাকে গোশত ও সবজি দিয়ে বানানো সালুনা, বালাতিত নামে এক প্রকার নুডলস আর সাগু নামের মিষ্টান্ন। পশ্চিম সৌদি আরবের ঐতিহ্যবাহী ইফতারের মধ্যে রয়েছে তামিজ রুটির সঙ্গে শিমের বিচি দিয়ে তৈরি ‘ফাবা’ নামের এক প্রকার তরকারি।

আরবদের ইফতারের প্লেটে কোনো না কোনো ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন বা হালুয়া থাকবেই। কোনাফা, ত্রোম্বা ও বাছবুন্দার মতো নানা স্বাদের মিষ্টি খাবার ইফতারের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া সারাদিনের ক্লান্তি জুড়াতে রমজান মাসে তারা ‘ভিমতো’ নামক এক প্রকার বিশেষ বেভারেজ বা পানীয় বেশ তৃপ্তির সঙ্গে পান করে থাকেন।
তবে যে শুধু আনুষ্ঠানিকতা, মেহমানদারি কিংবা নানা পদের খাবারের মধ্যেই ডুবে থাকেন আরবেরা, তা কিন্তু নয়। পবিত্র রমজান মাসে সৌদি আরবের মানুষের দানশীলতা এক অনন্য রূপ ধারণ করে। প্রতিবেশীদের ঘরে ঘরে ইফতারি পাঠানোর পাশাপাশি সে দেশে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের মাঝেও তারা প্রচুর খাবার বিতরণ করেন। তবে ইফতারের সবচেয়ে বড় ও আবেগঘন আয়োজনটি হয় পবিত্র মাসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে।
প্রতিদিন লাখ লাখ রোজাদার পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে এসে এই দুই মসজিদে একত্রে বসে ইফতার করেন, যা বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের এক অপূর্ব নিদর্শন।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবে সৌদি আরবের এই ইফতার সংস্কৃতিতে প্রতিনিয়ত নানা আধুনিক পরিবর্তন আসছে। তবে যেকোনো নতুনত্বই সেখানে হাজির হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী আরবীয় মোড়ক ধারণ করে। নিজেদের মৌলিক সংস্কৃতি ও শেকড়কে আঁকড়ে ধরেই তারা রমজানের এই আনন্দ উদযাপন করে চলেছেন।

রমজান মাস এলে সারা পৃথিবীর মুসলমানদের জীবনে এক আলাদা আবহ তৈরি হয়। ইফতারকে ঘিরে গড়ে ওঠে নানা রকম সংস্কৃতি। সৌদি আরবও এর ব্যতিক্রম নয়। বিশেষ করে নবীজী (সা.) স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র মক্কা ও মদীনা নগরী সৌদি আরবে হওয়ার মুসলিম বিশ্বে দেশটির ব্যাপক গুরুত্ব রয়েছে। তাই পবিত্র রমজান মাসকে ঘিরে সৌদি আরব সেজে ওঠে উৎসবের সাজে।
রমজানের চাঁদ ওঠার আগেই সৌদি আরবের ঘরে ঘরে শুরু হয় প্রস্তুতি। পবিত্র এই মাসটিকে স্বাগত জানাতে তারা নিজেদের বাড়িঘর নানা রঙের বাতি ও বাহারি শৈলীতে সাজিয়ে তোলেন। সঙ্গে থাকে প্রাচীন আরবীয় ধাঁচের কুপিবাতি বা লণ্ঠনের ব্যবহার। বর্ণিল এই সাজসজ্জায় আরও থাকে সুবাসিত ফুল, রঙিন কাগজ আর নকশাদার বাহারি সব পর্দা, যেখানে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে লেখা থাকে নানান শুভেচ্ছা বার্তা।
সৌদি আরবের ইফতার সংস্কৃতির বড় বৈশিষ্ট্য হলো একসঙ্গে বসে ইফতার করা। আরবরা একা ইফতার করতে পছন্দ করেন না। এজন্য প্রায়ই তাঁরা বাড়ির সামনের আঙিনায় রীতিমত বিশাল তাঁবু খাটিয়ে ইফতারের আয়োজন করেন। রমজানের পুরো মাসজুড়েই শহরগুলোর পথে পথে লাল-নীল তাঁবুর চোখ ধাঁধানো সব পসরা দেখতে পাওয়া যায়, যা রোজার উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
খাদ্যাভ্যাসের দিক থেকেও আরবদের ইফতার রীতি বেশ ব্যতিক্রমী। দিনভর রোজা রাখার পর অধিকাংশ আরবই শুরুতে কেবল কয়েকটি খেজুর আর এক গ্লাস পানি দিয়ে রোজা ভাঙেন। কখনও কখনও এর সঙ্গে সামান্য স্যুপ থাকে। এই হালকা খাবার মুখে দিয়েই তাঁরা মাগরিবের নামাজ আদায় করে নেন। মূলত নামাজের পর শুরু হয় তাঁদের মূল ইফতার বা রাতের ভোজের পর্ব, যেখানে বিচিত্র সব খাবারের পসরায় ভরে ওঠে আরবদের বিশাল দস্তরখান।
সৌদি আরবের সব জায়গাতেই কিছু খাবার ইফতারের টেবিলে নিয়মিত দেখা যায়। এর মধ্যে প্রথমেই আসে ‘সরবা’ নামক এক বিশেষ ধরনের স্যুপ। ভেড়া বা মুরগির মাংস দিয়ে তৈরি ‘খাবসা’, ‘তামিজ’ নামের রুটি, ‘সালাতা’ নামক সালাদ এবং ‘বোরাক’ নামের পিঠাও সমান জনপ্রিয়।
এর বাইরে অঞ্চলভেদে ইফতারের আয়োজনে যুক্ত হয় নিজস্ব ঐতিহ্য। যেমন, সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চল তথা মক্কা, জেদ্দা ও মদিনা শহরগুলোর ইফতারে হিজাজি রন্ধনশৈলীতে তৈরি খাবারের প্রচলন আছে। রমজান মাসের সুস্বাদু খাবারের জন্য এই অঞ্চলটি খুবই পরিচিত। মূলত শাবানের শেষ সপ্তাহ থেকেই খাবার তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়।
হিজাজ অঞ্চলে ইফতারের প্লেটে পাওয়া যাবে এমন খাবারের মধ্যে একটি হলো বার্লি স্যুপ। আরেকটি খাবার হলো সামবোসা। এই খাবারটি মূলত ত্রিভুজ আকারের ভাজা একধরনের পেস্ট্রি। এর ভেতরের অংশ গ্রাউন্ড বিফ বা চিকেন দিয়ে ভরা থাকে। এ ছাড়া বাদাম, ক্রিম কুনাফা ও জুবনিয়া সৌদি আরবে বেশ জনপ্রিয়।
তৃষ্ণা মেটাতে এই অঞ্চলে পান করা হয় ‘সোবিয়া’ শরবত। কয়েকশ বছর আগে মিসরীয় হাজিদের মাধ্যমে এই বিশেষ শরবতটি আরবের হিজাজ অঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে উঠে। বার্লি, ময়দা, শুকনো রুটি ও চিনি দিয়ে তৈরি করা হয় এই বিশেষ পানীয়টি।
মদিনার আল-খোসা, মক্কার আল-খোদারি ও আল-হুসাইনি এবং জেদ্দায় হানবাজাজা পরিবারসহ হিজাজের বিখ্যাত পরিবারগুলো সবচেয়ে সেরা সোবিয়া পরিবেশন করে।
আরবদের আরেকটি জনপ্রিয় পানীয় হলো কামর আল-দিন। খুবই ঘন ও মিষ্টি এই শরবত এপ্রিকট ফল থেকে বানানো হয়।
অন্যদিকে, সৌদি আরবের মধ্যাঞ্চলের অধিবাসীদের মধ্যে নজদিরাই সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি। তাঁদের নিজস্ব খাবার হিসেবে ইফতারের প্লেটে যুক্ত হয় হানিনি। এই খাবারটি হলো খেজুর, আটা, ঘি আর চিনি দিয়ে তৈরি এক প্রকার জাউ। দুম্বার গোশতের সঙ্গে আটা এবং সবজি মিশিয়ে রান্না করা জারিশ নামের খাবারতিও আরবদের দারুণ প্রিয়।
পূর্ব সৌদি আরবে ইফতারি মেনুতে থাকে গোশত ও সবজি দিয়ে বানানো সালুনা, বালাতিত নামে এক প্রকার নুডলস আর সাগু নামের মিষ্টান্ন। পশ্চিম সৌদি আরবের ঐতিহ্যবাহী ইফতারের মধ্যে রয়েছে তামিজ রুটির সঙ্গে শিমের বিচি দিয়ে তৈরি ‘ফাবা’ নামের এক প্রকার তরকারি।

আরবদের ইফতারের প্লেটে কোনো না কোনো ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন বা হালুয়া থাকবেই। কোনাফা, ত্রোম্বা ও বাছবুন্দার মতো নানা স্বাদের মিষ্টি খাবার ইফতারের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া সারাদিনের ক্লান্তি জুড়াতে রমজান মাসে তারা ‘ভিমতো’ নামক এক প্রকার বিশেষ বেভারেজ বা পানীয় বেশ তৃপ্তির সঙ্গে পান করে থাকেন।
তবে যে শুধু আনুষ্ঠানিকতা, মেহমানদারি কিংবা নানা পদের খাবারের মধ্যেই ডুবে থাকেন আরবেরা, তা কিন্তু নয়। পবিত্র রমজান মাসে সৌদি আরবের মানুষের দানশীলতা এক অনন্য রূপ ধারণ করে। প্রতিবেশীদের ঘরে ঘরে ইফতারি পাঠানোর পাশাপাশি সে দেশে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের মাঝেও তারা প্রচুর খাবার বিতরণ করেন। তবে ইফতারের সবচেয়ে বড় ও আবেগঘন আয়োজনটি হয় পবিত্র মাসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে।
প্রতিদিন লাখ লাখ রোজাদার পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে এসে এই দুই মসজিদে একত্রে বসে ইফতার করেন, যা বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের এক অপূর্ব নিদর্শন।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবে সৌদি আরবের এই ইফতার সংস্কৃতিতে প্রতিনিয়ত নানা আধুনিক পরিবর্তন আসছে। তবে যেকোনো নতুনত্বই সেখানে হাজির হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী আরবীয় মোড়ক ধারণ করে। নিজেদের মৌলিক সংস্কৃতি ও শেকড়কে আঁকড়ে ধরেই তারা রমজানের এই আনন্দ উদযাপন করে চলেছেন।

ভোরের নরম আলোয় রমনার বটমূল যখন এসরাজের সুরে জেগে ওঠার সঙ্গেই জেগে ওঠে বাংলাদেশ। বৈশাখ মানেই কি কেবল রমনার বটমূল, পান্তা-ইলিশ আর লাল-পেড়ে শাড়ি? নাকি এর গভীরে প্রোথিত আছে কর আদায়ের ইতিহাস, রাজকীয় ফরমান আর প্রতিরোধের এক জীবন্ত আখ্যান?
৩ ঘণ্টা আগে
পয়লা বৈশাখ বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম ধুমধাম করে পালন করা উৎসব। এটি শুধু একটি দিন নয়, একটি সমষ্টিগত আচার। শহর আর গ্রামে এই দিনটিতে মানুষ নিজেরাই বিভিন্ন উপায়ে উদযাপন করত। দোকানের হালখাতা, পাড়ার মাঠে মেলা, নাগরদোলা, গ্রামীণ খেলাধুলা—সব মিলিয়ে বৈশাখ উদযাপন আড়ম্ববরপূর্ণ হলেও এর চেহারা ছিল বেশ সাদামাটা।
৭ ঘণ্টা আগে
সব বিতর্ককে ছাপিয়ে ইলিশ এখন পুরোপুরি বাণিজ্যিকীকরণের পথে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে অধ্যাপক নাসের বলছেন, সবাই ইলিশ রক্ষা করতে চায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কতটা রক্ষা করা যাচ্ছে?
৭ ঘণ্টা আগে
বছর ঘুরে আবারও ফিরে এলো বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। আর এই উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ‘শোভাযাত্রা’। রঙিন মুখোশ, বিশালাকৃতির প্রতীকী ভাস্কর্য, ঢাকের তালে তালে মানুষের উচ্ছ্বাস—সব মিলিয়ে এটি যেন এক বর্ণিল সাংস্কৃতিক আয়োজন।
৮ ঘণ্টা আগে