স্ট্রিম সংবাদদাতা

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ভুট্টাখেত থেকে আতিকা (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন যুবকের বাবা ও চাচা স্থানীয়দের পিটুনিতে প্রাণ হারিয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছে তাঁর ভাই।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালের দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে সদর থানা পুলিশ।
আতিকা উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বনপারিল গ্রামের দুদুল মিয়ার মেয়ে। আর পিটুনিতে নিহত অটোরিকশাচালক পান্নু মিয়া (৪৫) ও তাঁর ভাই ফজলু (২৮) একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিবেশীর বাড়িতে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যায় আতিকা। সেখানে খেলাধুলার একপর্যায়ে সে নিখোঁজ হয়। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আতিকার চাচাতো ভাই আলী (৬) জানায় প্রতিবেশী নাঈমের (২৬) সঙ্গে দেখতে পেয়েছে। পরে নাঈমের তথ্যে পাশের ভুট্টাখেত থেকে সন্ধ্যায় আতিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এই সময় নাঈম কৌশলে পালিয়ে যান।
তারা আরও জানান, এ ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা নাঈমের বাড়িতে হামলা করে। পরে নাঈমের বাবা অটোরিকশাচালক পান্নু মিয়া, চাচা মো. ফজলু ও ভাই নাজমুলকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে পান্নু মিয়া ও ফজলু নিহত হন। আর গুরুতর অবস্থায় নাজমুল এখন মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ জানিয়েছে, তিন মৃত্যুর পর ওই এলাকা এখন থমথমে। মরদেহগুলো উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা চলছে। দুই ঘটনায় পৃথক মামলার প্রস্তুতিও চলছে।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম হোসেন বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গণধোলাইয়ের ঘটনায়ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ভুট্টাখেত থেকে আতিকা (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন যুবকের বাবা ও চাচা স্থানীয়দের পিটুনিতে প্রাণ হারিয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছে তাঁর ভাই।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালের দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে সদর থানা পুলিশ।
আতিকা উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বনপারিল গ্রামের দুদুল মিয়ার মেয়ে। আর পিটুনিতে নিহত অটোরিকশাচালক পান্নু মিয়া (৪৫) ও তাঁর ভাই ফজলু (২৮) একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিবেশীর বাড়িতে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যায় আতিকা। সেখানে খেলাধুলার একপর্যায়ে সে নিখোঁজ হয়। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আতিকার চাচাতো ভাই আলী (৬) জানায় প্রতিবেশী নাঈমের (২৬) সঙ্গে দেখতে পেয়েছে। পরে নাঈমের তথ্যে পাশের ভুট্টাখেত থেকে সন্ধ্যায় আতিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এই সময় নাঈম কৌশলে পালিয়ে যান।
তারা আরও জানান, এ ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা নাঈমের বাড়িতে হামলা করে। পরে নাঈমের বাবা অটোরিকশাচালক পান্নু মিয়া, চাচা মো. ফজলু ও ভাই নাজমুলকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে পান্নু মিয়া ও ফজলু নিহত হন। আর গুরুতর অবস্থায় নাজমুল এখন মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ জানিয়েছে, তিন মৃত্যুর পর ওই এলাকা এখন থমথমে। মরদেহগুলো উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা চলছে। দুই ঘটনায় পৃথক মামলার প্রস্তুতিও চলছে।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম হোসেন বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গণধোলাইয়ের ঘটনায়ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
.png)
পদত্যাগের দুই দিন পর রাষ্ট্রীয় বাসভবন ছেড়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি বঙ্গভবন থেকে রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসার উদ্দেশে রওনা দেন।
৫ মিনিট আগে
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। রোববার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে একাত্তরের বীর সেনানিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।
৩২ মিনিট আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে চারজন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে। তবে বিষয়টি টের পেয়ে তাদের প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (৬০ বিজিবি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যাটালিয়ন। তাদের মধ্যে এক নারী ও তিন শিশু রয়েছেন। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো কর্মকর্তার রাজনৈতিক পরিচয় বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ যেন মূল্যায়নে প্রভাব না ফেলে। পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা, সততা, বিশ্বস্ততা, শৃঙ্খলা, আনুগত্য এবং দায়িত্ব পালনের যোগ্যতাকেই পদোন্নতির প্রধান মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।’
২ ঘণ্টা আগে