leadT1ad

স্ত্রী-কন্যাসহ সাবেক মেয়র আতিকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭: ৪৩
সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

কারাগারে থাকা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিনসিসি) সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধান চালু থাকা অবস্থায় তাঁর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তার স্ত্রী শায়লা সাগুফতা ইসলাম ও কন্যা বুশরা আফরীনের বিদেশযাত্রায়ও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. তানজীর আহমেদ আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদকের উপ-পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান আদালতে এই নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম ও অন্যদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং টেন্ডারে অনিয়মের মাধ্যমে মশার লার্ভা নিধনের ওষুধ ছিটানোর যন্ত্র কিনে সরকারি অর্থ অপচয় ও আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

দুদক আদালতকে জানায়, অনুসন্ধানকালে আতিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং বিদেশে বিশেষ করে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। আতিকুল ইসলাম বর্তমানে কারাগারে থাকলেও তার স্ত্রী ও কন্যা বিদেশে পালিয়ে গিয়ে এসব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর বা পাচারের চেষ্টা করছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে মামলার সুষ্ঠু অনুসন্ধান ও সম্পদ পুনরুদ্ধারের কাজ ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। আদালত এই যুক্তি আমলে নিয়ে তিনজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন।

২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএস এলাকা থেকে সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট একাধিক হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আদালত ও থানা সূত্রে জানা যায়, উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় এবং উত্তরা পূর্ব থানার মো. ফজলুল করিম হত্যা মামলায় তাঁকে আদালতের নির্দেশে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এসব মামলায় তাঁকে দফায় দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। সর্বশেষ গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি ফজলুল করিম হত্যা মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। পুলিশি তদন্তে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত