leadT1ad

বাংলাদেশকে বন্ধু বলতে পেরে যুক্তরাষ্ট্র গর্বিত: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশকে বন্ধু বলতে পেরে যুক্তরাষ্ট্র গর্বিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দুই দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান ও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করেছি।’

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আজ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পরিচয়পত্র পেশ করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। বাংলাদেশকে বন্ধু বলতে পেরে যুক্তরাষ্ট্র গর্বিত। ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের অংশীদারত্বে আমরা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বাড়াতে, দুই দেশের মানুষের উপকার হয়—এমন অর্থনৈতিক উন্নয়ন এগিয়ে নিতে এবং আমাদের দুই দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান ও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করেছি। এই কাজ চালিয়ে যেতে এবং যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে আমি আগ্রহী।’

এর আগে গেল ৯ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে শপথ নিয়েছেন তিনি। তখন এই মার্কিন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক বলেন, ‘যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি উচ্ছ্বসিত।’

বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত পদে পিটার হাসের উত্তরসূরি হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে গত ২ সেপ্টেম্বর মনোনীত করেছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির নিয়ম অনুযায়ী, এই মনোনয়ন অনুমোদনের জন্য সিনেটে পাঠানো হয়। শুনানি শেষে সিনেট অনুমোদন দিলে নতুন রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ চূড়ান্ত হয়। গেল ২৩ অক্টোবর তাঁর শুনানি হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ সিনেট বাংলাদেশে ১৮তম মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের মনোনয়ন চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

পিটার হাস বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে ২০২৪ সালের এপ্রিলে তাঁর দায়িত্বের মেয়াদ শেষ করে ফিরে যান। এরপর আর কাউকে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রদূত পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এর মধ্যে গত বছরের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত