স্ট্রিম সংবাদদাতা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, নির্বাচনে জনগণ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে রায় দিয়েছেন। বিএনপি ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে দলের জনপ্রিয়তাও প্রতিষ্ঠা করেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভোলার লালমোহন উপজেলায় নিজ বাসভবনে নির্বাচন-পরবর্তী দলীয় পরিকল্পনা ও করণীয় বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
হাফিজ আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে চমৎকার ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। গতকালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ প্রমাণ করেছে তারা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার পেছনে একটি বড় কারণ হলো, অতীতে যারা নির্বাচনকে ঘিরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করত, তারা এখন দেশে নেই।
রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে হাফিজ আহমেদ বলেন, দেশের রাজনীতিতে দুটি প্রধান শক্তি রয়েছে—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় তাদের ভোটারদের একটি বড় অংশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ভোট দিয়েছে।
আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করছে বিএনপির কর্মকাণ্ডের ওপর। আমরা যদি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারি, দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে পারি, তাহলে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে আরও দুর্বল হবে। কিন্তু আমরা যদি একই ভুল করি, জনগণের আস্থা হারাই, তাহলে আমাদের জন্যও খারাপ সময় অপেক্ষা করবে।’
ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অনেকটাই বিএনপির দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর নির্ভর করছে। বিএনপি একটি কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগোতে চায়।
বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে হাফিজ আহমেদ বলেন, ‘বিরোধী দলকে আমরা শত্রু নয়, বরং সহযোগী হিসেবেই দেখতে চাই। তারা গঠনমূলক সমালোচনা করবে, ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেবে—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।’
হাফিজ আহমেদ আরও বলেন, আগামী দিনে বিএনপি দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, নির্বাচনে জনগণ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে রায় দিয়েছেন। বিএনপি ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে দলের জনপ্রিয়তাও প্রতিষ্ঠা করেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভোলার লালমোহন উপজেলায় নিজ বাসভবনে নির্বাচন-পরবর্তী দলীয় পরিকল্পনা ও করণীয় বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
হাফিজ আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে চমৎকার ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। গতকালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ প্রমাণ করেছে তারা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার পেছনে একটি বড় কারণ হলো, অতীতে যারা নির্বাচনকে ঘিরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করত, তারা এখন দেশে নেই।
রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে হাফিজ আহমেদ বলেন, দেশের রাজনীতিতে দুটি প্রধান শক্তি রয়েছে—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় তাদের ভোটারদের একটি বড় অংশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ভোট দিয়েছে।
আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করছে বিএনপির কর্মকাণ্ডের ওপর। আমরা যদি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারি, দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে পারি, তাহলে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে আরও দুর্বল হবে। কিন্তু আমরা যদি একই ভুল করি, জনগণের আস্থা হারাই, তাহলে আমাদের জন্যও খারাপ সময় অপেক্ষা করবে।’
ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অনেকটাই বিএনপির দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর নির্ভর করছে। বিএনপি একটি কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগোতে চায়।
বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে হাফিজ আহমেদ বলেন, ‘বিরোধী দলকে আমরা শত্রু নয়, বরং সহযোগী হিসেবেই দেখতে চাই। তারা গঠনমূলক সমালোচনা করবে, ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেবে—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।’
হাফিজ আহমেদ আরও বলেন, আগামী দিনে বিএনপি দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

বিগত ১৫ বছর বিরোধী দলের ওপর আওয়ামী লীগের তীব্র দমন-পীড়নের কারণেই দেশে জামায়াতে ইসলামীর উত্থান ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
৬ মিনিট আগে
সাংগঠনিক শক্তি, ভোটারদের মনোভাব এবং প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা সিলেটে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের নেপথ্যে তিন ফ্যাক্টর বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
২৪ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে শুক্রবার জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার বলেছেন, খুলনা-৫ আসনের প্রায় ১৫০টি কেন্দ্রের ক্ষেত্রে তাদের কাছে থাকা শিটের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ফলাফলে কিছু অসংগতি লক্ষ্য করেছেন নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্তরা
২৯ মিনিট আগে
ঢাকায় ১৩টি আসনে বিএনপি ও ৭টি আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। আর একটি আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
৪৩ মিনিট আগে