স্ট্রিম সংবাদদাতা

একসময়ের ‘লাঙ্গলের দুর্গ’ রংপুরে একচ্ছত্র জয় লাভ করেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। রংপুরের সব কটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের বিপুল ব্যবধানে পরাজিত করে জয়ী হয়েছেন জামায়াত জোটের প্রার্থীরা।
রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) আসনে মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. রায়হান সিরাজী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোকাররম হোসেন সুজন পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৪০৭ ভোট।
রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৮৬২ ভোট। এ আসনে জাপার প্রার্থী আনিছুল ইসলাম মণ্ডল ৩৩ হাজার ৬৮১ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন।
সবচেয়ে আলোচিত রংপুর-৩ (সদর) আসনে জামায়াতের মো. মাহবুবুর রহমান বেলাল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৭৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সামসুজ্জামান সাম পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট। এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন।
রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষের প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসাকে ৮ হাজার ৩৩১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে জামায়াতের অধ্যাপক গোলাম রব্বানী ১ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী গোলাম রব্বানী পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ২১৪ ভোট।
রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের অধ্যাপক নুরুল আমিন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিএনপির সাইফুল ইসলামকে ১ হাজার ৯৭১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। নুরুল আমিন পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯০ ভোট এবং সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৯১৯ ভোট।
জেলায় মোট ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ২০২ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ফল ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বিজয় মিছিল দেখা গেছে।

একসময়ের ‘লাঙ্গলের দুর্গ’ রংপুরে একচ্ছত্র জয় লাভ করেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। রংপুরের সব কটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের বিপুল ব্যবধানে পরাজিত করে জয়ী হয়েছেন জামায়াত জোটের প্রার্থীরা।
রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) আসনে মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. রায়হান সিরাজী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোকাররম হোসেন সুজন পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৪০৭ ভোট।
রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৮৬২ ভোট। এ আসনে জাপার প্রার্থী আনিছুল ইসলাম মণ্ডল ৩৩ হাজার ৬৮১ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন।
সবচেয়ে আলোচিত রংপুর-৩ (সদর) আসনে জামায়াতের মো. মাহবুবুর রহমান বেলাল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৭৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সামসুজ্জামান সাম পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট। এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন।
রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষের প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসাকে ৮ হাজার ৩৩১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে জামায়াতের অধ্যাপক গোলাম রব্বানী ১ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী গোলাম রব্বানী পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ২১৪ ভোট।
রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের অধ্যাপক নুরুল আমিন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিএনপির সাইফুল ইসলামকে ১ হাজার ৯৭১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। নুরুল আমিন পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯০ ভোট এবং সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৯১৯ ভোট।
জেলায় মোট ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ২০২ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ফল ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বিজয় মিছিল দেখা গেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর জেলার পাঁচটি আসনে বেসরকারি ফলে ১, ২, ৩ ও ৫ আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। শুধু গাজীপুর-৪ আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী।
১ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয় পেতে চলেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৪টা পর্যন্ত ১৫২ আসনের বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে। এতে বিএনপি এককভাবে ১০০ আসনে জয় পেয়েছে। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী এককভাবে এ পর্যন্ত ৪২টি আসনে বিজয়ী হয়েছে।
২৮ মিনিট আগে
কুষ্টিয়ার ৪টি সংসদীয় আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের বেসরকারি ফলাফলে ৩টিতে জামায়াতে ইসলামী এবং ১টিতে বিএনপি জয়ী হয়েছে।
৪৪ মিনিট আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে বেসরকারি হিসাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেত্রী স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। ‘হাঁস’ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি মাওলা
১ ঘণ্টা আগে