স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেতে চলেছে বিএনপি। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৫টা পর্যন্ত ২৯১টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে সবগুলোর ফল এসেছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১৩টি আসনে বিএনপি ও ৭টি আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। আর একটি আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
ঢাকার কোন আসনে কে বিজয়ী
ঢাকা-১ আসনে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট। তাদের মধ্যে ব্যবধান ৬১ হাজার ১৫৯ ভোট।
ঢাকা-২ আসনে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট পেয়ে জিতেছেন বিএনপির আমানউল্লাহ আমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কর্নেল (অব.) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫। দুজনের ভোটের ব্যবধান ৮৪ হাজার ৩৬৪।
ঢাকা-৩ আসনের ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহীনুল ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট। ব্যবধান ১৬ হাজার ৫৫৩ ভোট।
ঢাকা-৪ আসনে বেসরকারিভাবে ২ হাজার ৯২০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট। তাঁর নিকটতম বিএনপির তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।
ঢাকা-৫ আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি ৯ হাজার ১৫০ ভোটের ব্যবধানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নবী উল্লাহকে হারিয়েছেন। কামাল হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট। নবী উল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট।
ঢাকা-৬ আসনের বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ইশরাক হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট। ব্যবধান ২৩ হাজার ১৫৩ ভোট।
ঢাকা-৭ আসনে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির হামিদুর রহমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিকর এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পেয়েছেন ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট। দুজনের ভোটের ব্যবধান ৫ হাজার ২৩৯।
ঢাকা-৯ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন। হাবিবুর রশিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। ব্যবধান ৫৭ হাজার ৭৫২ ভোট। আর এই আসনে সাবেক এনসিপি নেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।
ঢাকা-১০ আসনের ভোটে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির শেখ রবিউল আলম। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জসীম উদ্দীন সরকারের চেয়ে ৩ হাজার ৩০০ ভোট বেশি পেয়েছেন। শেখ রবিউল আলম ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়েছেন। আর জসীম উদ্দীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট।
ঢাকা-১১ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন। নাহিদ ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। অর্থাৎ তাদের ভোটের ব্যবধান ২ হাজার ৩৯।
বিএনপির জোট ছাড়াও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হারিয়ে ঢাকা-১২ আসনে জিতেছেন জামায়াতের সাইফুল আলম খান মিলন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট। মিলনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কোদাল প্রতীকে সাইফুল হক পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট। অন্যদিকে, ফুটবল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক অহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৬৯ ভোট।
ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপির ববি হাজ্জাজ বিজয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি। ববি হাজ্জাজের ৮৮ হাজার ৩৮৭ ও মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭ ভোট।
ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াতের প্রয়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম তুলি পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।
ঢাকা-১৫ আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ভোট পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে জামায়াতের আমির ২১ হাজার ৬১৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
ঢাকা-১৬ আসনে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের আব্দুল বাতেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হকের চেয়ে ৩ হাজার ৩৬১ ভোট বেশি হয়েছেন। আব্দুল বাতেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছেন। আর আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
ঢাকা-১৭ আসনের বেসরকারি ফলাফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান।
ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপির প্রার্থীকে ৩৩ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন বিএনপির এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ ভোট পেয়েছেন। আর এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট।
ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট। দুজনের ব্যবধান ৬৫ হাজার ৬৯৩ ভোট।
ঢাকা-২০ আসনে বেসরকারিভাবে বিএনপির তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৪ হাজার ৮৫।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেতে চলেছে বিএনপি। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৫টা পর্যন্ত ২৯১টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে সবগুলোর ফল এসেছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১৩টি আসনে বিএনপি ও ৭টি আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। আর একটি আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
ঢাকার কোন আসনে কে বিজয়ী
ঢাকা-১ আসনে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট। তাদের মধ্যে ব্যবধান ৬১ হাজার ১৫৯ ভোট।
ঢাকা-২ আসনে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট পেয়ে জিতেছেন বিএনপির আমানউল্লাহ আমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কর্নেল (অব.) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫। দুজনের ভোটের ব্যবধান ৮৪ হাজার ৩৬৪।
ঢাকা-৩ আসনের ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহীনুল ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট। ব্যবধান ১৬ হাজার ৫৫৩ ভোট।
ঢাকা-৪ আসনে বেসরকারিভাবে ২ হাজার ৯২০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট। তাঁর নিকটতম বিএনপির তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।
ঢাকা-৫ আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি ৯ হাজার ১৫০ ভোটের ব্যবধানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নবী উল্লাহকে হারিয়েছেন। কামাল হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট। নবী উল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট।
ঢাকা-৬ আসনের বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ইশরাক হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট। ব্যবধান ২৩ হাজার ১৫৩ ভোট।
ঢাকা-৭ আসনে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির হামিদুর রহমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিকর এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পেয়েছেন ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট। দুজনের ভোটের ব্যবধান ৫ হাজার ২৩৯।
ঢাকা-৯ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন। হাবিবুর রশিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। ব্যবধান ৫৭ হাজার ৭৫২ ভোট। আর এই আসনে সাবেক এনসিপি নেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।
ঢাকা-১০ আসনের ভোটে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির শেখ রবিউল আলম। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জসীম উদ্দীন সরকারের চেয়ে ৩ হাজার ৩০০ ভোট বেশি পেয়েছেন। শেখ রবিউল আলম ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়েছেন। আর জসীম উদ্দীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট।
ঢাকা-১১ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন। নাহিদ ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। অর্থাৎ তাদের ভোটের ব্যবধান ২ হাজার ৩৯।
বিএনপির জোট ছাড়াও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হারিয়ে ঢাকা-১২ আসনে জিতেছেন জামায়াতের সাইফুল আলম খান মিলন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট। মিলনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কোদাল প্রতীকে সাইফুল হক পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট। অন্যদিকে, ফুটবল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক অহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৬৯ ভোট।
ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপির ববি হাজ্জাজ বিজয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি। ববি হাজ্জাজের ৮৮ হাজার ৩৮৭ ও মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭ ভোট।
ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াতের প্রয়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম তুলি পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।
ঢাকা-১৫ আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ভোট পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে জামায়াতের আমির ২১ হাজার ৬১৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
ঢাকা-১৬ আসনে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের আব্দুল বাতেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হকের চেয়ে ৩ হাজার ৩৬১ ভোট বেশি হয়েছেন। আব্দুল বাতেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছেন। আর আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
ঢাকা-১৭ আসনের বেসরকারি ফলাফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান।
ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপির প্রার্থীকে ৩৩ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন বিএনপির এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ ভোট পেয়েছেন। আর এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট।
ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট। দুজনের ব্যবধান ৬৫ হাজার ৬৯৩ ভোট।
ঢাকা-২০ আসনে বেসরকারিভাবে বিএনপির তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৪ হাজার ৮৫।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে লড়ছেন ২৭৩ স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাদের মধ্যে বিএনপি থেকে বিদ্রোহী হয়েছিলেন ৭৯ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয় পেয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন ধানের শীষ এবং একজন শাপলা কলি ও আরেকজন বিএনপির জোটের শরিক খেজুর গাছ প্রতীকের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছেন।
৫ মিনিট আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে একসময় ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবারের নির্বাচনে রংপুর-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
২১ মিনিট আগে
রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ তুলে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা। একই সঙ্গে তার সমর্থকদের বিক্ষোভ চলাকালে এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন বিজয়ী প্রার্থী আখতার হোসেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে
২৬ মিনিট আগে
নির্বাচনের পর ১১-দলীয় জোটের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলাকে ‘ফ্যাসিবাদী তৎপরতা’ আখ্যা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হামলা বন্ধ না হলে আমরা রাজপথে নামব।
৪০ মিনিট আগে