leadT1ad

আগামীতে ডিজিটাল অ্যাপের মাধ্যমে চাঁদাবাজ নির্মূল করা হবে: জামায়াত আমির

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২০: ০৬
ঢাকা-১৭ আসনে নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা করছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। স্ট্রিম ছবি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গত ১৭ মাসে জামায়াত কোনো চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব বা মামলা বাণিজ্য করেনি। আগামীতে ডিজিটাল অ্যাপের মাধ্যমে চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের নির্মূল করা হবে।’

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকা-১৭ আসনে (গুলশান, বনানী, নিকেতন, মহাখালী, বারিধারা, শাহজাদপুর) জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. এস এম খালেদুজ্জামানের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই আসনে ১১ দলীয় জোট তাঁকে সমর্থন দিয়েছে।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিগত সরকার দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও শেয়ারবাজার লুট করে দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। আল্লাহ যদি আমাদের দেশসেবার দায়িত্ব দেন, তবে লুটেরাদের পেটের ভেতর হাত ঢুকিয়ে জনগণের পাচার করা অর্থ উদ্ধার করে আনব। সেই অর্থ কোনো গোষ্ঠী বা পরিবারের জন্য নয়, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করে যুবকদের কর্মসংস্থান ও দেশের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিগত ৫৪ বছরে আমরা অনেক শাসন দেখেছি, কিন্তু কেউ কেউ জনগণকে ভুলে নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নে ব্যস্ত ছিলেন। শেখ হাসিনার শাসনামলে ব্যাংকিং ব্যবস্থা ধ্বংস এবং শেয়ারবাজার দুইবার লুট হয়েছে। সব হারিয়ে ১৩৪ জন মানুষ আত্মহত্যা করেছেন এবং লাখ লাখ তরুণ নিঃস্ব হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর ওপর শতাব্দীর সবচেয়ে বড় জুলুম করা হয়েছে। দলের ১১ জন শীর্ষ নেতাকে হত্যা, ১ হাজার কর্মীকে খুন, ৫ হাজার কর্মীকে পঙ্গু এবং অসংখ্য নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘২৪-এর ৫ আগস্টের পরিবর্তনের মূল কারিগর ছিল এ দেশের যুবসমাজ। আবু সাঈদ বুক পেতে দিয়ে বলেছিল, "হয় অধিকার দে, না হয় গুলি দে"। তাঁর এই আত্মত্যাগ ও মায়েদের রাজপথে নেমে আসা স্বৈরাচার পতনে ভূমিকা রেখেছে। আবু সাঈদের মৃত্যু নিয়ে তৎকালীন সরকার জঘন্য মিথ্যাচার ও জালিয়াতি করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াত পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। রাজার ছেলে রাজা হবে—এমন রাজনীতির পরিবর্তন ঘটিয়ে শ্রমিকের সন্তানও যাতে যোগ্যতা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হতে পারে, সেই মেধাতান্ত্রিক সমাজ গড়া হবে।’

সমাবেশে শফিকুর রহমান ঢাকা-১৭ আসনে ডা. এস এম খালেদুজ্জামানের হাতে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক তুলে দেন এবং তাঁকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। এ ছাড়া ঢাকা-১৮ আসনের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদীবের ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের পক্ষেও ভোট প্রার্থনা করেন তিনি।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত