স্ট্রিম প্রতিবেদক

চলতি ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের জন্য ব্যক্তি শ্রেণির আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একইসঙ্গে, বিশেষ প্রয়োজনে রিটার্ন দাখিলের অতিরিক্ত সময় চেয়ে এখন থেকে অনলাইনেই আবেদন করতে পারবেন করদাতারা। এই লক্ষ্যে একটি নতুন অনলাইন সিস্টেম চালু করেছে সংস্থাটি।
আজ সোমবার (১৬ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের জন্য কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে এনবিআর। ইতোমধ্যে ই-রিটার্ন সিস্টেমে প্রায় ৫০ লাখ ব্যক্তি শ্রেণির করদাতা নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৪১ লাখ করদাতা তাঁদের রিটার্ন দাখিল করেছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কোনো করদাতা চাইলে ৩১ মার্চের আগে লিখিত আবেদন করে সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারের কাছ থেকে রিটার্ন দাখিলের জন্য অতিরিক্ত ৯০ দিন পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
সময় বাড়ানোর আবেদন ও অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়াটি সহজ, দ্রুত, স্বচ্ছ এবং স্বস্তিদায়ক করতে এনবিআর এই নতুন অনলাইন সিস্টেম চালু করেছে। এখন থেকে করদাতারা ই-রিটার্ন সিস্টেমে লগইন করে ‘টাইম এক্সটেনশন’ মেন্যু ব্যবহারের মাধ্যমে সহজেই অনলাইনে সময় বাড়ানোর আবেদন করতে পারবেন।
অনলাইনে দাখিল করা এই আবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের কর কমিশনার অনলাইনেই তা অনুমোদন অথবা নামঞ্জুর করবেন। করদাতার আবেদন মঞ্জুর হলে, বর্ধিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে তাঁকে কোনো জরিমানা বা অতিরিক্ত কর প্রদান করতে হবে না।
এনবিআর জানিয়েছে, অনলাইনে সময় বৃদ্ধির আবেদনের ক্ষেত্রে করদাতার ই-রিটার্ন সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন থাকা এবং ৩১ মার্চের আগে আবেদন করা বাধ্যতামূলক। তবে যেসব করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক নয়, তাঁরা চাইলে অনলাইনে অথবা সরাসরি সংশ্লিষ্ট সার্কেলে লিখিতভাবে—উভয় পদ্ধতিতেই সময় বৃদ্ধির আবেদন করতে পারবেন।
সবশেষে, আগামী ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে অথবা কর কমিশনার কর্তৃক অনুমোদিত অতিরিক্ত সময়সীমার মধ্যে ই-রিটার্ন সিস্টেম ব্যবহার করে ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য সকল করদাতাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
প্রসঙ্গত, চলতি করবর্ষে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে চার দফায় এক মাস এক মাস করে রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়িয়েছে কর আদায়ের এ সংস্থা।
আয়কর আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের সময় ৩০ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। পরে তা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়; এরপর সময় বাড়িয়ে ৩১ জানুয়ারি করা হয়েছিল। তৃতীয় দফায় এ সময় বাড়িয়ে করা হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি। পরে এটি আরেক দফায় বাড়িয়ে ৩১ মার্চ করা হয়।
এনবিআর জানিয়েছে, ইতোমধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য ই-রিটার্ন সিস্টেমে প্রায় ৫০ লাখ ব্যক্তি শ্রেণির করদাতা নিবন্ধন করেছেন এবং প্রায় ৪১ লাখ করদাতা ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল করেছেন।

চলতি ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের জন্য ব্যক্তি শ্রেণির আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একইসঙ্গে, বিশেষ প্রয়োজনে রিটার্ন দাখিলের অতিরিক্ত সময় চেয়ে এখন থেকে অনলাইনেই আবেদন করতে পারবেন করদাতারা। এই লক্ষ্যে একটি নতুন অনলাইন সিস্টেম চালু করেছে সংস্থাটি।
আজ সোমবার (১৬ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের জন্য কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে এনবিআর। ইতোমধ্যে ই-রিটার্ন সিস্টেমে প্রায় ৫০ লাখ ব্যক্তি শ্রেণির করদাতা নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৪১ লাখ করদাতা তাঁদের রিটার্ন দাখিল করেছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কোনো করদাতা চাইলে ৩১ মার্চের আগে লিখিত আবেদন করে সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারের কাছ থেকে রিটার্ন দাখিলের জন্য অতিরিক্ত ৯০ দিন পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
সময় বাড়ানোর আবেদন ও অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়াটি সহজ, দ্রুত, স্বচ্ছ এবং স্বস্তিদায়ক করতে এনবিআর এই নতুন অনলাইন সিস্টেম চালু করেছে। এখন থেকে করদাতারা ই-রিটার্ন সিস্টেমে লগইন করে ‘টাইম এক্সটেনশন’ মেন্যু ব্যবহারের মাধ্যমে সহজেই অনলাইনে সময় বাড়ানোর আবেদন করতে পারবেন।
অনলাইনে দাখিল করা এই আবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের কর কমিশনার অনলাইনেই তা অনুমোদন অথবা নামঞ্জুর করবেন। করদাতার আবেদন মঞ্জুর হলে, বর্ধিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে তাঁকে কোনো জরিমানা বা অতিরিক্ত কর প্রদান করতে হবে না।
এনবিআর জানিয়েছে, অনলাইনে সময় বৃদ্ধির আবেদনের ক্ষেত্রে করদাতার ই-রিটার্ন সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন থাকা এবং ৩১ মার্চের আগে আবেদন করা বাধ্যতামূলক। তবে যেসব করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক নয়, তাঁরা চাইলে অনলাইনে অথবা সরাসরি সংশ্লিষ্ট সার্কেলে লিখিতভাবে—উভয় পদ্ধতিতেই সময় বৃদ্ধির আবেদন করতে পারবেন।
সবশেষে, আগামী ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে অথবা কর কমিশনার কর্তৃক অনুমোদিত অতিরিক্ত সময়সীমার মধ্যে ই-রিটার্ন সিস্টেম ব্যবহার করে ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য সকল করদাতাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
প্রসঙ্গত, চলতি করবর্ষে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে চার দফায় এক মাস এক মাস করে রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়িয়েছে কর আদায়ের এ সংস্থা।
আয়কর আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের সময় ৩০ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। পরে তা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়; এরপর সময় বাড়িয়ে ৩১ জানুয়ারি করা হয়েছিল। তৃতীয় দফায় এ সময় বাড়িয়ে করা হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি। পরে এটি আরেক দফায় বাড়িয়ে ৩১ মার্চ করা হয়।
এনবিআর জানিয়েছে, ইতোমধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য ই-রিটার্ন সিস্টেমে প্রায় ৫০ লাখ ব্যক্তি শ্রেণির করদাতা নিবন্ধন করেছেন এবং প্রায় ৪১ লাখ করদাতা ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল করেছেন।

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের খরা কাটতে শুরু করেছে। ২০২৫ সালে ফরেইন ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই) বা সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ ৩৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়েছে।
২৫ মিনিট আগে
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর্থিক খাতসহ সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না। সরকারের কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ বা প্রভাব এখানে কাজ করবে না এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে শতভাগ পেশাদার কাঠামোর আওতায় পরিচালিত করা হবে।
২ দিন আগে
দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের বর্তমান সংকট মোকাবিলা, বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু এবং রপ্তানি খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
২ দিন আগে
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ঋণচুক্তির আওতায় যেসব শর্ত দিচ্ছে, তা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য যথোপযুক্ত (সুইটেবল) নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সরকার আইএমএফের সব কথা মানতে পারবে না।
৩ দিন আগে