মিরহাজুল শিবলী

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের নিয়ে ‘জাতীয় সরকার’ গঠন করছে বিএনপি। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠক করেছেন চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে মন্ত্রিসভায় কারা থাকবেন, তা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভা খুব বড় হচ্ছে না। দল থেকে আগে যারা মন্ত্রণালয় সামলেছেন, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। এর সঙ্গে নবীনদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচনে অংশ নেননি– এমন সিনিয়র নেতারা টেকনোক্র্যাট কোটায় জায়গা পাচ্ছেন। আবার যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের থেকেও মন্ত্রি করা হবে। তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় ৩০ জনের নাম বেশ আলোচিত।
শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে। সংবিধান অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের মাধ্যমে সরকার গঠনের কার্যক্রম শুরু হবে। সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী শপথ নেওয়ার পর শুরু হবে মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া।
সূত্র জানায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সরকারি পরিবহন পুল মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর জন্য অর্ধশত গাড়ি প্রস্তুত করছে। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের অংশ হিসেবে তারা এটি করছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, আগামী সোম অথবা মঙ্গলবারের মধ্যে সংসদ সদস্যদের শপথ হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তাদের সঙ্গে যারা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলনে ছিল, তাদের নিয়েই বিএনপি জাতীয় সরকার গঠন হবে। মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন, তা বলতে চাননি তিনি।
শুক্রবার স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদও কিছু খোলাসা করেননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, কেমন মন্ত্রিসভা হবে, তা জানতে একটু অপেক্ষা করতে হবে।
আলোচনায় ৩০ নাম
প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে জায়গা পাচ্ছেন ২০০১-২০০৬ মেয়াদে মন্ত্রি থাকা কয়েক নেতা। পূর্ণ মন্ত্রীর এই তালিকায় এগিয়ে অঅছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিনও পূর্ণ মন্ত্রিত্ব পেতে পারেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় পুরো সময়ে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তার দায়িত্ব সামলানো ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে বিজয়ী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, প্রয়াত খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং বিএনপিতে যোগ দিয়ে এমপি হওয়া রেজা কিবরিয়াও আছেন আলোচনায়। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের প্রয়াত মন্ত্রী শাহ এমএস কিবরিয়ার ছেলে।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, রকিবুল ইসলাম বকুল, আজিজুল বারী হেলাল, ফারজানা শারমিন পুতুল, শামা ওবায়েদ রয়েছেন তারেক রহমানের ‘গুড বুকে’। যুগপৎ আন্দোলনের শরিক হিসেবে প্রতিমন্ত্রী পেতে ধানের শীষ নিয়ে ঢাকা-১৩ আসনে বিজয়ী ববি হাজ্জাজ, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ ও গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হতে পারেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, চেয়ারম্যানের ফরেন অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য হুমায়ূন কবির ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহদি আমিন।
এর বাইরে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, স্পিকার পদে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিনের নাম আলোচনায় রয়েছে।

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের নিয়ে ‘জাতীয় সরকার’ গঠন করছে বিএনপি। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠক করেছেন চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে মন্ত্রিসভায় কারা থাকবেন, তা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভা খুব বড় হচ্ছে না। দল থেকে আগে যারা মন্ত্রণালয় সামলেছেন, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। এর সঙ্গে নবীনদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচনে অংশ নেননি– এমন সিনিয়র নেতারা টেকনোক্র্যাট কোটায় জায়গা পাচ্ছেন। আবার যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের থেকেও মন্ত্রি করা হবে। তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় ৩০ জনের নাম বেশ আলোচিত।
শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে। সংবিধান অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের মাধ্যমে সরকার গঠনের কার্যক্রম শুরু হবে। সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী শপথ নেওয়ার পর শুরু হবে মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া।
সূত্র জানায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সরকারি পরিবহন পুল মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর জন্য অর্ধশত গাড়ি প্রস্তুত করছে। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের অংশ হিসেবে তারা এটি করছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, আগামী সোম অথবা মঙ্গলবারের মধ্যে সংসদ সদস্যদের শপথ হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তাদের সঙ্গে যারা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলনে ছিল, তাদের নিয়েই বিএনপি জাতীয় সরকার গঠন হবে। মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন, তা বলতে চাননি তিনি।
শুক্রবার স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদও কিছু খোলাসা করেননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, কেমন মন্ত্রিসভা হবে, তা জানতে একটু অপেক্ষা করতে হবে।
আলোচনায় ৩০ নাম
প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে জায়গা পাচ্ছেন ২০০১-২০০৬ মেয়াদে মন্ত্রি থাকা কয়েক নেতা। পূর্ণ মন্ত্রীর এই তালিকায় এগিয়ে অঅছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিনও পূর্ণ মন্ত্রিত্ব পেতে পারেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় পুরো সময়ে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তার দায়িত্ব সামলানো ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে বিজয়ী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, প্রয়াত খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং বিএনপিতে যোগ দিয়ে এমপি হওয়া রেজা কিবরিয়াও আছেন আলোচনায়। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের প্রয়াত মন্ত্রী শাহ এমএস কিবরিয়ার ছেলে।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, রকিবুল ইসলাম বকুল, আজিজুল বারী হেলাল, ফারজানা শারমিন পুতুল, শামা ওবায়েদ রয়েছেন তারেক রহমানের ‘গুড বুকে’। যুগপৎ আন্দোলনের শরিক হিসেবে প্রতিমন্ত্রী পেতে ধানের শীষ নিয়ে ঢাকা-১৩ আসনে বিজয়ী ববি হাজ্জাজ, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ ও গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হতে পারেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, চেয়ারম্যানের ফরেন অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য হুমায়ূন কবির ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহদি আমিন।
এর বাইরে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, স্পিকার পদে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিনের নাম আলোচনায় রয়েছে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হওয়ায় প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষে ১০০ আসন নির্ধারিত হবে এবং এ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।
৪ মিনিট আগে
রংপুর থেকে মিরপুর। দূরত্ব ৩০০ কিলোমিটার হলেও ঘুচে গেছে বিজয়ে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে রংপুর-১ আসনে জয় পেয়েছেন অধ্যাপক রায়হান সিরাজী। ৮০ হাজারের বেশি ভোটে বিজয়ী রায়হান জামায়াতে ইসলামীর রংপুর মহানগরের সহকারী সেক্রেটারি। অন্যদিকে তাঁর দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান জিতেছেন মিরপুর এলাকার ঢাকা-১৫ আসনে জিতেছেন
১১ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনে বিজয়ী ২৯৬ প্রার্থীর মধ্যে ২১৮ জনই পেশায় ব্যবসায়ী; শতাংশের হিসাবে যা ৭৩ দশমিক ৬৫। আর পেশায় রাজনীতিবিদ মাত্র ১১ জন (৩ দশমিক ৭১ শতাংশ)। নির্বাচিতদের মধ্যে ব্যবসায়ী ২১৮, আইনজীবী ৩৯, শিক্ষকতা পেশার ২৫ ও চিকিৎসক ১৩ জন।
১৪ মিনিট আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. মাহফুজুর রহমান এক ফেসবুক পোস্টে জাতীয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অভিযোগ এনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
৩২ মিনিট আগে