স্ট্রিম প্রতিবেদক

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হওয়ায় প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষে ১০০ আসন নির্ধারিত হবে এবং এ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।
১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোট হয়েছে। হ্যাঁ ভোট বিজয়ী হওয়ায় সংসদের উচ্চকক্ষে ১০০ আসনে রাজনৈতিক দলগুলো প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে আসন পাবে। এক্ষেত্রে কোনো দলের নোট অব ডিসেন্টের সুযোগ নেই। জনগণ হ্যাঁ-কে জয়জুক্ত করায় নোট অব ডিসেন্টকে প্রত্যাখান করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলের বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, হ্যাঁ ভোটের জয় হওয়ায় প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে আনুপাতিক হারে উচ্চ কক্ষে ১০০ আসন নির্ধারিত হবে—এটাই এখন ভ্যালিড।
উচ্চকক্ষের বিষয়টি নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি করার সুযোগ নাই মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নাই। অবশ্যই এ ব্যাপারে যেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কঠোর পদক্ষেপ নেয়। যে জনগণকে সামনে রেখে রাজনীতি, যে জনগণের ভোটে রেফারেন্ডাম অনুমোদন পাস, যে জনগণের ভোটে পার্লামেন্ট গঠিত, সেই পার্লামেন্ট জনমতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে না। এটা যদি হয় তাহলে সংস্কার রিফিউজ করা হয়ে যায়। সেটা যেন কোনোভাবে না ঘটে আমরা সুস্পষ্টভাবে দাবি জানাচ্ছি।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোট হয়েছে। যে চারটি প্রশ্নের ওপর গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হয়েছে, সেখানে দ্বিতীয় প্রশ্নে বলা হয়েছে— প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষে প্রত্যেক দল আনুপাতিক হারে আসন পাবে। এখানে কোন দলের নোট অব ডিসেন্ট থাকলেও আসনের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ করার সুযোগ নাই। গণভোটে ‘না’ জয়যুক্ত হলে এটি করার সুযোগ ছিল।
আযাদ জানান, বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল জালিয়াতি, ভোটকেন্দ্র দখলসহ নানা অনিয়মের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য আগামীতে সংসদে ও সংসদের বাইরে ভূমিকা রাখবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। দেশ, জাতি ও জনগণের স্বার্থে যখন যে ভূমিকা রাখা প্রয়োজন হবে একসঙ্গে ১১ দল তা রাখবে।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর ১৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করায় যেসব আসনে কারচুপি হয়েছে সেসব আসন চিহ্নিত করে আরপিও অনুযায়ী পুনঃগণনার সুযোগ না থাকায় প্রার্থীরা অধিকার বঞ্চিত হয়েছেন। ফলে এসব বিষয় নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে রিট করার সিদ্ধান্ত হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে-পরে অনেক জায়গায় সহিংসতা হয়েছে, ১১ দলের পক্ষে কাজ করা নারীদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। উত্থাপিত অভিযোগ নিয়ে আগামীকাল রোববার নির্বাচন কমিশনে যাবেন বলেও জানান জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হওয়ায় প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষে ১০০ আসন নির্ধারিত হবে এবং এ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।
১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোট হয়েছে। হ্যাঁ ভোট বিজয়ী হওয়ায় সংসদের উচ্চকক্ষে ১০০ আসনে রাজনৈতিক দলগুলো প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে আসন পাবে। এক্ষেত্রে কোনো দলের নোট অব ডিসেন্টের সুযোগ নেই। জনগণ হ্যাঁ-কে জয়জুক্ত করায় নোট অব ডিসেন্টকে প্রত্যাখান করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলের বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, হ্যাঁ ভোটের জয় হওয়ায় প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে আনুপাতিক হারে উচ্চ কক্ষে ১০০ আসন নির্ধারিত হবে—এটাই এখন ভ্যালিড।
উচ্চকক্ষের বিষয়টি নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি করার সুযোগ নাই মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নাই। অবশ্যই এ ব্যাপারে যেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কঠোর পদক্ষেপ নেয়। যে জনগণকে সামনে রেখে রাজনীতি, যে জনগণের ভোটে রেফারেন্ডাম অনুমোদন পাস, যে জনগণের ভোটে পার্লামেন্ট গঠিত, সেই পার্লামেন্ট জনমতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে না। এটা যদি হয় তাহলে সংস্কার রিফিউজ করা হয়ে যায়। সেটা যেন কোনোভাবে না ঘটে আমরা সুস্পষ্টভাবে দাবি জানাচ্ছি।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোট হয়েছে। যে চারটি প্রশ্নের ওপর গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হয়েছে, সেখানে দ্বিতীয় প্রশ্নে বলা হয়েছে— প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষে প্রত্যেক দল আনুপাতিক হারে আসন পাবে। এখানে কোন দলের নোট অব ডিসেন্ট থাকলেও আসনের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ করার সুযোগ নাই। গণভোটে ‘না’ জয়যুক্ত হলে এটি করার সুযোগ ছিল।
আযাদ জানান, বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল জালিয়াতি, ভোটকেন্দ্র দখলসহ নানা অনিয়মের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য আগামীতে সংসদে ও সংসদের বাইরে ভূমিকা রাখবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। দেশ, জাতি ও জনগণের স্বার্থে যখন যে ভূমিকা রাখা প্রয়োজন হবে একসঙ্গে ১১ দল তা রাখবে।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর ১৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করায় যেসব আসনে কারচুপি হয়েছে সেসব আসন চিহ্নিত করে আরপিও অনুযায়ী পুনঃগণনার সুযোগ না থাকায় প্রার্থীরা অধিকার বঞ্চিত হয়েছেন। ফলে এসব বিষয় নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে রিট করার সিদ্ধান্ত হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে-পরে অনেক জায়গায় সহিংসতা হয়েছে, ১১ দলের পক্ষে কাজ করা নারীদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। উত্থাপিত অভিযোগ নিয়ে আগামীকাল রোববার নির্বাচন কমিশনে যাবেন বলেও জানান জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে