স্ট্রিম প্রতিবেদক

মোহাম্মদপুর অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত জানিয়েঢাকা-১৩ আসনের মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, এখানে একটি দল এমন একজনকে প্রার্থী করেছে, যাঁর বাবা ছিলেন আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসায়ী। অস্ত্র ব্যবসায়ীর ছেলেকে প্রার্থী করে মোহাম্মদপুরকে মাস্তানির আখড়ায় পরিণত করতে দেওয়া হবে না।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ঢাকা–১৩ (মোহাম্মদপুর, আদাবর ও আগারগাঁওয়ের একাংশ) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক তাঁর নির্বাচনী সমাবেশে এই কথা বলেছেন।
মামুনুল হক তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজমুক্ত এক মোহাম্মদপুর ইনশা আল্লাহ আমি আপনাদের উপহার দেব। মোহাম্মদপুর মানুষের কাছে ক্রাইম জোন হিসেবে, কিশোর গ্যাং, মাদকের সাম্রাজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। একটি দল সেখানে এমন একটি লোককে প্রার্থী দিয়েছে পারিবারিকভাবে যার বাবা ছিল আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অস্ত্র ব্যবসায়ী। আমি জানি না, এই মোহাম্মদপুরে কেন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে পাঠানো হলো। আমাদের মোহাম্মদপুরকে আবার তোমরা মাস্তানি এবং গুণ্ডামির আখড়ায় যদি পরিবর্তন করতে চাও, আমরা যে কোনো মূল্যে তোমাদের সেই ষড়যন্ত্র আমরা রুখে দেবো ইনশা আল্লাহ।’
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘গুলশান থেকে মোহাম্মদপুরে এসে একজন অতিথি হুমকি দেন, তাঁর নেতাকর্মীরা পেশাব করে দিয়ে আমাদের দাঁড়িপাল্লা-রিকশা সব ইসলামপন্থীদেরকে নাকি তারা ভাসিয়ে দেবেন। আমি মোহাম্মদপুরের মানুষের কাছে এর বিচার চাই, আপনারা এর বিচার করবেন।’
মামুনুল হক আরও বলেন, ‘রিকশা হলো শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের প্রতীক, যাকে দেখলে বেগম খালেদা জিয়া কোনোদিন তার আসনে বসে থাকতেন না। শ্রদ্ধা করে দাঁড়িয়ে যেতেন। আজ সেই অস্ত্র ব্যবসায়ীর ছেলে মোহাম্মদপুরে এসে হুমকি দেয় পেশাব করে তারা শায়খুল হাদিসের রিকশাসহ সব ভাসিয়ে দেবেন। আমি জানতে চাই, এই স্পর্ধা সে কোথায় পেল।’
এসময় মামুনুল হক তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী ববি হাজ্জাজকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘তাঁর নির্বাচনী প্রচারণার কোথাও সে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নামটি পর্যন্ত রাখে নাই। এনডিএমের অস্ত্র ব্যবসায়ীর সন্তান মোহাম্মদপুরে এসে পেশাব করে যদি অপবিত্র করতে চাও, মোহাম্মদপুরের মানুষ নিজেদের এলাকার পবিত্রতা রক্ষা করার জন্য নিজেরাই উদ্যোগ নেবে ইনশা আল্লাহ।’
১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

মোহাম্মদপুর অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত জানিয়েঢাকা-১৩ আসনের মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, এখানে একটি দল এমন একজনকে প্রার্থী করেছে, যাঁর বাবা ছিলেন আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসায়ী। অস্ত্র ব্যবসায়ীর ছেলেকে প্রার্থী করে মোহাম্মদপুরকে মাস্তানির আখড়ায় পরিণত করতে দেওয়া হবে না।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ঢাকা–১৩ (মোহাম্মদপুর, আদাবর ও আগারগাঁওয়ের একাংশ) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক তাঁর নির্বাচনী সমাবেশে এই কথা বলেছেন।
মামুনুল হক তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজমুক্ত এক মোহাম্মদপুর ইনশা আল্লাহ আমি আপনাদের উপহার দেব। মোহাম্মদপুর মানুষের কাছে ক্রাইম জোন হিসেবে, কিশোর গ্যাং, মাদকের সাম্রাজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। একটি দল সেখানে এমন একটি লোককে প্রার্থী দিয়েছে পারিবারিকভাবে যার বাবা ছিল আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অস্ত্র ব্যবসায়ী। আমি জানি না, এই মোহাম্মদপুরে কেন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে পাঠানো হলো। আমাদের মোহাম্মদপুরকে আবার তোমরা মাস্তানি এবং গুণ্ডামির আখড়ায় যদি পরিবর্তন করতে চাও, আমরা যে কোনো মূল্যে তোমাদের সেই ষড়যন্ত্র আমরা রুখে দেবো ইনশা আল্লাহ।’
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘গুলশান থেকে মোহাম্মদপুরে এসে একজন অতিথি হুমকি দেন, তাঁর নেতাকর্মীরা পেশাব করে দিয়ে আমাদের দাঁড়িপাল্লা-রিকশা সব ইসলামপন্থীদেরকে নাকি তারা ভাসিয়ে দেবেন। আমি মোহাম্মদপুরের মানুষের কাছে এর বিচার চাই, আপনারা এর বিচার করবেন।’
মামুনুল হক আরও বলেন, ‘রিকশা হলো শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের প্রতীক, যাকে দেখলে বেগম খালেদা জিয়া কোনোদিন তার আসনে বসে থাকতেন না। শ্রদ্ধা করে দাঁড়িয়ে যেতেন। আজ সেই অস্ত্র ব্যবসায়ীর ছেলে মোহাম্মদপুরে এসে হুমকি দেয় পেশাব করে তারা শায়খুল হাদিসের রিকশাসহ সব ভাসিয়ে দেবেন। আমি জানতে চাই, এই স্পর্ধা সে কোথায় পেল।’
এসময় মামুনুল হক তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী ববি হাজ্জাজকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘তাঁর নির্বাচনী প্রচারণার কোথাও সে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নামটি পর্যন্ত রাখে নাই। এনডিএমের অস্ত্র ব্যবসায়ীর সন্তান মোহাম্মদপুরে এসে পেশাব করে যদি অপবিত্র করতে চাও, মোহাম্মদপুরের মানুষ নিজেদের এলাকার পবিত্রতা রক্ষা করার জন্য নিজেরাই উদ্যোগ নেবে ইনশা আল্লাহ।’
১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে