স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বেতারে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সরকার গঠন হলে কী করা হবে, তার পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচিত হলে সরকার গঠনের প্রথম দিনেই এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করবেন। ভাষণে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এবং ১১ দলের প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় জামায়াত আমিরের বসুন্ধরা কার্যালয়ে ভাষণটি ধারণ করা হয়। সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে ভাষটি বিটিভিতে সম্প্রপ্রচার করা হয়।
ভাষণে জামায়াত আমির বলেন, ‘সুযোগ পেলে, মহান আল্লাহর ইচ্ছায় জনগণের ভালোবাসায় আমরা সরকার গঠন করলে প্রথম দিন ফজরের নামাজ পড়েই আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন শুরু করব ইনশাআল্লাহ।’
তিনি বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার আলোকে আমাদের পরিকল্পনা, কর্মসূচি ও অঙ্গীকার আপনাদের নিকট স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছি। বাংলাদেশে আমরাই প্রথম পলিসি সামিটের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি ও কৌশল জনগণের সামনে তুলে ধরেছি। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এর প্রতিফলন রয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় দেশি ও প্রবাসী বিশেষজ্ঞরা অবদান রেখেছেন। এ ছাড়া আমরা সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষের সঙ্গে বসেছি এবং তাদের মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ নিয়েছি।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের শাসকশ্রেণি সরকারি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজেদের দেশের মালিক গণ্য করেছে। উন্নয়ন প্রকল্প ব্যক্তিগত ও দলীয় লুন্ঠনের সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই ব্যবস্থার অবসান ঘটানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছি যে স্বপ্নের বাংলাদেশ তৈরির জন্য ৫টি বিষয়ে হ্যাঁ এবং ৫টি বিষয়ে না বলতে হবে। সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানকে আমরা হ্যাঁ বলতে বলেছি। কারণ, এসব মৌলিক শর্ত ছাড়া বৈষম্যহীন, উন্নত, নৈতিক মানসম্পন্ন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। পাশাপাশি দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব ও চাঁদাবাজিকে স্পষ্ট করে না বলতে হবে।’
নারীর প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, ‘যে সমাজ নারীর মর্যাদা রক্ষা করতে পারে না, সেই সমাজ কখনো সমৃদ্ধ হতে পারে না। আমরা ক্ষমতায় এলে নারীরা কেবল ঘরের ভেতরে নয়, সমাজের মূলধারার নেতৃত্বে থাকবেন সগৌরবে। করপোরেট জগৎ থেকে রাজনীতি—সবখানে তাঁদের মেধার মূল্যায়ন হবে কোনো বৈষম্য ছাড়াই। আমরা এমন এক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যেখানে কোনো মা বা বোনকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হবে না। আপনাদের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গী হোন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই বাংলাদেশ—মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবার। কেউ ভয়ের সংস্কৃতির মধ্যে বাস করবে না। যদি কেউ ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আঘাত করার চেষ্টা করে, আমরা অতীতের মতো ভবিষ্যতেও তা প্রতিরোধ করব।’
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ে সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক তৈরি করবে। অন্যের ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করবে এবং সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেবে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ প্রত্যাবর্তনে সব ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হবে।
ভাষণে জামায়াত আমির প্রবাসীদের বিশেষভাবে উল্লেখ করে বলেন, তাঁদের অধিকার ও মর্যাদা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করতে ভলান্টিয়ার প্রতিনিধি নির্বাচন করা হবে। এই প্রতিনিধিরা প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সেবা ও সমস্যার বিষয়ে দূতাবাস বা হাইকমিশনের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করে উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন। এ ছাড়া আনুপাতিক হারে সংসদে প্রবাসী প্রতিনিধি নির্বাচন বা মনোনয়নের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
ভাষণে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা ও ১১ দলীয় প্রতীকে ভোটের আবেদন জানান।

বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বেতারে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সরকার গঠন হলে কী করা হবে, তার পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচিত হলে সরকার গঠনের প্রথম দিনেই এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করবেন। ভাষণে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এবং ১১ দলের প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় জামায়াত আমিরের বসুন্ধরা কার্যালয়ে ভাষণটি ধারণ করা হয়। সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে ভাষটি বিটিভিতে সম্প্রপ্রচার করা হয়।
ভাষণে জামায়াত আমির বলেন, ‘সুযোগ পেলে, মহান আল্লাহর ইচ্ছায় জনগণের ভালোবাসায় আমরা সরকার গঠন করলে প্রথম দিন ফজরের নামাজ পড়েই আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন শুরু করব ইনশাআল্লাহ।’
তিনি বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার আলোকে আমাদের পরিকল্পনা, কর্মসূচি ও অঙ্গীকার আপনাদের নিকট স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছি। বাংলাদেশে আমরাই প্রথম পলিসি সামিটের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি ও কৌশল জনগণের সামনে তুলে ধরেছি। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এর প্রতিফলন রয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় দেশি ও প্রবাসী বিশেষজ্ঞরা অবদান রেখেছেন। এ ছাড়া আমরা সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষের সঙ্গে বসেছি এবং তাদের মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ নিয়েছি।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের শাসকশ্রেণি সরকারি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজেদের দেশের মালিক গণ্য করেছে। উন্নয়ন প্রকল্প ব্যক্তিগত ও দলীয় লুন্ঠনের সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই ব্যবস্থার অবসান ঘটানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছি যে স্বপ্নের বাংলাদেশ তৈরির জন্য ৫টি বিষয়ে হ্যাঁ এবং ৫টি বিষয়ে না বলতে হবে। সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানকে আমরা হ্যাঁ বলতে বলেছি। কারণ, এসব মৌলিক শর্ত ছাড়া বৈষম্যহীন, উন্নত, নৈতিক মানসম্পন্ন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। পাশাপাশি দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব ও চাঁদাবাজিকে স্পষ্ট করে না বলতে হবে।’
নারীর প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, ‘যে সমাজ নারীর মর্যাদা রক্ষা করতে পারে না, সেই সমাজ কখনো সমৃদ্ধ হতে পারে না। আমরা ক্ষমতায় এলে নারীরা কেবল ঘরের ভেতরে নয়, সমাজের মূলধারার নেতৃত্বে থাকবেন সগৌরবে। করপোরেট জগৎ থেকে রাজনীতি—সবখানে তাঁদের মেধার মূল্যায়ন হবে কোনো বৈষম্য ছাড়াই। আমরা এমন এক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যেখানে কোনো মা বা বোনকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হবে না। আপনাদের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গী হোন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই বাংলাদেশ—মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবার। কেউ ভয়ের সংস্কৃতির মধ্যে বাস করবে না। যদি কেউ ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আঘাত করার চেষ্টা করে, আমরা অতীতের মতো ভবিষ্যতেও তা প্রতিরোধ করব।’
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ে সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক তৈরি করবে। অন্যের ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করবে এবং সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেবে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ প্রত্যাবর্তনে সব ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হবে।
ভাষণে জামায়াত আমির প্রবাসীদের বিশেষভাবে উল্লেখ করে বলেন, তাঁদের অধিকার ও মর্যাদা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করতে ভলান্টিয়ার প্রতিনিধি নির্বাচন করা হবে। এই প্রতিনিধিরা প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সেবা ও সমস্যার বিষয়ে দূতাবাস বা হাইকমিশনের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করে উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন। এ ছাড়া আনুপাতিক হারে সংসদে প্রবাসী প্রতিনিধি নির্বাচন বা মনোনয়নের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
ভাষণে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা ও ১১ দলীয় প্রতীকে ভোটের আবেদন জানান।

পাহাড় থেকে সমতলে বসবাসকারী এবং ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
৪৪ মিনিট আগে
প্রশাসনিক রদবদল, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কিছু সিদ্ধান্ত একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দাবিতে প্রভাবিত বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসন থেকে পঞ্চমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন আজিজার রহমান। আগের কোনোবার নির্বাচিত না হলেও এবার আশাবাদী তিনি। ভোটে নির্বাচিত হলে একটি টাকাও দুর্নীতি করবেন না বলছেন। তাঁর কাছে জেলে-কুলি, দিনমজুর, মাস্টার, জর্জ, ব্যারিস্টার সবাই সমান।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-৮ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি।
২ ঘণ্টা আগে