স্ট্রিম প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘নারীর ইজ্জতের বিনিময়ে কখনোই ফ্যামিলি কার্ড হতে পারে না। আমরা নারীদের হাতে ভিক্ষার ঝুলি নয়, বরং তাঁদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করতে চাই।’
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকা-১৪ (মিরপুর) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মীর আহমদ বিন কাসেম আরমানের সমর্থনে অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বরের ওয়াক-আপ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এই সভায় জামায়াত আমির তাঁর দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য দেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যাঁরা দেশকে বিভক্ত করতে চায়, তাঁরা জাতির বন্ধু হতে পারে না। আমরা ধর্ম-বর্ণ বা লিঙ্গের ভিত্তিতে নয়, বরং যোগ্যতার ভিত্তিতে একটি মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে চাই। সেখানে রিকশাচালকের সন্তানও মেধা থাকলে দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে।’
নারীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বলা হয় আমরা ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘর থেকে বের হতে দেব না। অথচ আজ সমাবেশে মা-বোনেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন। মায়েরা সন্তান কোলে নিয়ে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছেন শুধু একটি নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য। একজন আধুনিক পোশাক পরিহিত বোনও জামায়াতকে চান—কারণ তিনি জানেন, জামায়াতের কাছেই নারী জাতি সবচেয়ে বেশি নিরাপদ ও সম্মানিত থাকবে।’
বেকারত্ব দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা যুবকদের হাতে বেকার ভাতা বা ভিক্ষার ঝুলি তুলে দিতে চাই না। আমরা তাঁদের হাতে কাজ তুলে দিতে চাই, যেন তাঁরা গর্ব করে বলতে পারেন—“আমিই বাংলাদেশ”। আমাদের দলের কেউ চাঁদাবাজি করে না। আগামীর বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজের অস্তিত্ব থাকবে না। এমনকি যাঁরা বিপথগামী, তাঁদেরও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ কাজের ব্যবস্থা করা হবে।’
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রের কোনো প্রাণীও যদি না খেয়ে মারা যায়, তবে শাসককে জবাবদিহি করতে হবে। আমরা সেই দায়বদ্ধতার রাজনীতি করতে চাই। আগামী ১২ তারিখ ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে আপনারা দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার পথে এগিয়ে আসুন।’ সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের অন্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘নারীর ইজ্জতের বিনিময়ে কখনোই ফ্যামিলি কার্ড হতে পারে না। আমরা নারীদের হাতে ভিক্ষার ঝুলি নয়, বরং তাঁদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করতে চাই।’
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকা-১৪ (মিরপুর) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মীর আহমদ বিন কাসেম আরমানের সমর্থনে অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বরের ওয়াক-আপ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এই সভায় জামায়াত আমির তাঁর দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য দেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যাঁরা দেশকে বিভক্ত করতে চায়, তাঁরা জাতির বন্ধু হতে পারে না। আমরা ধর্ম-বর্ণ বা লিঙ্গের ভিত্তিতে নয়, বরং যোগ্যতার ভিত্তিতে একটি মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে চাই। সেখানে রিকশাচালকের সন্তানও মেধা থাকলে দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে।’
নারীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বলা হয় আমরা ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘর থেকে বের হতে দেব না। অথচ আজ সমাবেশে মা-বোনেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন। মায়েরা সন্তান কোলে নিয়ে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছেন শুধু একটি নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য। একজন আধুনিক পোশাক পরিহিত বোনও জামায়াতকে চান—কারণ তিনি জানেন, জামায়াতের কাছেই নারী জাতি সবচেয়ে বেশি নিরাপদ ও সম্মানিত থাকবে।’
বেকারত্ব দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা যুবকদের হাতে বেকার ভাতা বা ভিক্ষার ঝুলি তুলে দিতে চাই না। আমরা তাঁদের হাতে কাজ তুলে দিতে চাই, যেন তাঁরা গর্ব করে বলতে পারেন—“আমিই বাংলাদেশ”। আমাদের দলের কেউ চাঁদাবাজি করে না। আগামীর বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজের অস্তিত্ব থাকবে না। এমনকি যাঁরা বিপথগামী, তাঁদেরও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ কাজের ব্যবস্থা করা হবে।’
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রের কোনো প্রাণীও যদি না খেয়ে মারা যায়, তবে শাসককে জবাবদিহি করতে হবে। আমরা সেই দায়বদ্ধতার রাজনীতি করতে চাই। আগামী ১২ তারিখ ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে আপনারা দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার পথে এগিয়ে আসুন।’ সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের অন্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলাকে বাধ্যতামূলক করার সরকারি উদ্যোগের প্রতিবাদে দুই দিনব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। দলের আমির মাওলানা মামুনুল হক জানিয়েছেন, আগামী ১৮ জুন ঢাকায় এবং ১৯ জুন সারা দেশে একযোগে এ কর্মসূচি পালিত হবে।
১ দিন আগে
ক্ষমতার পালাবদলের পর বিএনপি সরকার এখন আর সংস্কার শব্দটি উচ্চারণই করে না বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি বলেন, সংস্কারের নাম শুনলেই সরকার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং ভয়ে ফুলেফেঁপে ওঠে।
২ দিন আগে
সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বাংলাদেশের সক্রিয় সব রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এনসিপির সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে তাঁদের। কি আলোচনা হলো? তুরস্কের সঙ্গে এনসিপির কেমন সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে? সঙ্গে তুরস্কের
২ দিন আগে
মদ-জুয়া নিষিদ্ধ এবং মাদকের আখড়া উৎপাটন করলে বিরোধীদল সরকারকে সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে ১১-দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
২ দিন আগে