স্ট্রিম প্রতিবেদক

ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আসন্ন আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ উপলক্ষে ঢাকায় অনুশীলন করার জন্য ২৮ সদস্যের প্রাথমিক ট্রেনিং স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে এই স্কোয়াডে সবচেয়ে বড় চমক অভিজ্ঞ গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো এবং নির্ভরযোগ্য ফরোয়ার্ড রাকিব হোসেন ও কিউবার অনুপস্থিতি। এই দুই তারকা ও তরুণ ফুটবলার কিউবাকে ছাড়াই আসন্ন মিশনের পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা।
রক্ষণে বিশ্বনাথ-তারিকদের ওপরই ভরসা
ঘোষিত ২৮ সদস্যের এই দলে রক্ষণভাগকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষ, তারিক কাজী এবং সাদ উদ্দিনের সঙ্গে ডাক পেয়েছেন তরুণ জায়ান আহমেদ ও শাকিল হোসেন। বিশেষ করে রক্ষণের দুই প্রান্তে ঈসা ফয়সাল ও রহমত মিয়ার উপস্থিতি কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরাকে স্বস্তি দেবে। গোলপোস্টের নিচে মিতুল মারমা ও সুজন হোসেনদের মধ্যে মূল একাদশে জায়গা পাওয়ার লড়াইটি হবে জমজমাট।
মাঝমাঠে জামাল-শমিত ম্যাজিক
বাংলাদেশ দলের মাঝমাঠের প্রাণভোমরা হিসেবে থাকছেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। তাঁর সঙ্গী হিসেবে মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ করবেন দুই সোহেল রানা ও প্রতিভাবান শেখ মোরসালিন। এ ছাড়া শমিত সোম ও শাহ কাজেম কিরমানির অন্তর্ভুক্তি মাঝমাঠের সৃজনশীলতা আরও বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গোলখরা কাটাতে ভরসা মিরাজুল-ফাহমিদুল
আক্রমণভাগে গোলখরা কাটাতে দেখা যাবে প্রতিভাবান মিরাজুল ইসলাম ও ফাহমিদুল ইসলামকে। বিশেষ করে উইংয়ে রাকিব হোসেনের অনুপস্থিতিতে রফিকুল ইসলাম ও ইমন শাহরিয়ারদের গতি প্রতিপক্ষের রক্ষণে ভীতি ছড়াতে সক্ষম হবে।
একনজরে বাংলাদেশের ২৮ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড:
মিতুল মারমা, মো. সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ, ইসহাক আকন্দ, তারিক কাজী, রহমত মিয়া, শাকিল আহাদ তপু, মো. আবদুল্লাহ ওমর, শাকিল হোসেন, জায়ান আহমেদ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন, মনজুরুর রহমান ও ঈসা ফয়সাল, শাহ কাজেম কিরমানি, শেখ মোরসালিন, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মো. সোহেল রানা, মো. হৃদয় ও শমিত সোম, আরমান ফয়সাল আকাশ, ইমন শাহরিয়ার, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, ফাহমিদুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম ও সুমন রেজা।

ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আসন্ন আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ উপলক্ষে ঢাকায় অনুশীলন করার জন্য ২৮ সদস্যের প্রাথমিক ট্রেনিং স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে এই স্কোয়াডে সবচেয়ে বড় চমক অভিজ্ঞ গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো এবং নির্ভরযোগ্য ফরোয়ার্ড রাকিব হোসেন ও কিউবার অনুপস্থিতি। এই দুই তারকা ও তরুণ ফুটবলার কিউবাকে ছাড়াই আসন্ন মিশনের পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা।
রক্ষণে বিশ্বনাথ-তারিকদের ওপরই ভরসা
ঘোষিত ২৮ সদস্যের এই দলে রক্ষণভাগকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষ, তারিক কাজী এবং সাদ উদ্দিনের সঙ্গে ডাক পেয়েছেন তরুণ জায়ান আহমেদ ও শাকিল হোসেন। বিশেষ করে রক্ষণের দুই প্রান্তে ঈসা ফয়সাল ও রহমত মিয়ার উপস্থিতি কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরাকে স্বস্তি দেবে। গোলপোস্টের নিচে মিতুল মারমা ও সুজন হোসেনদের মধ্যে মূল একাদশে জায়গা পাওয়ার লড়াইটি হবে জমজমাট।
মাঝমাঠে জামাল-শমিত ম্যাজিক
বাংলাদেশ দলের মাঝমাঠের প্রাণভোমরা হিসেবে থাকছেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। তাঁর সঙ্গী হিসেবে মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ করবেন দুই সোহেল রানা ও প্রতিভাবান শেখ মোরসালিন। এ ছাড়া শমিত সোম ও শাহ কাজেম কিরমানির অন্তর্ভুক্তি মাঝমাঠের সৃজনশীলতা আরও বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গোলখরা কাটাতে ভরসা মিরাজুল-ফাহমিদুল
আক্রমণভাগে গোলখরা কাটাতে দেখা যাবে প্রতিভাবান মিরাজুল ইসলাম ও ফাহমিদুল ইসলামকে। বিশেষ করে উইংয়ে রাকিব হোসেনের অনুপস্থিতিতে রফিকুল ইসলাম ও ইমন শাহরিয়ারদের গতি প্রতিপক্ষের রক্ষণে ভীতি ছড়াতে সক্ষম হবে।
একনজরে বাংলাদেশের ২৮ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড:
মিতুল মারমা, মো. সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ, ইসহাক আকন্দ, তারিক কাজী, রহমত মিয়া, শাকিল আহাদ তপু, মো. আবদুল্লাহ ওমর, শাকিল হোসেন, জায়ান আহমেদ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন, মনজুরুর রহমান ও ঈসা ফয়সাল, শাহ কাজেম কিরমানি, শেখ মোরসালিন, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মো. সোহেল রানা, মো. হৃদয় ও শমিত সোম, আরমান ফয়সাল আকাশ, ইমন শাহরিয়ার, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, ফাহমিদুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম ও সুমন রেজা।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে ওয়ানডেতে দ্বিতীয়বার পাকিস্তানকে ওয়ানডে সিরিজে হারাল বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে র্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বরে উঠল মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
১৭ ঘণ্টা আগে
যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাবেক ক্রিকেটার ও জাতীয় নারী দলের সাবেক নির্বাচক মঞ্জুরুল ইসলামকে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিসিবির ভার্চুয়াল বোর্ড সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২২ দিন আগে
হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন, শেষ মুহূর্তে জায়গা করে নেওয়া স্কটল্যান্ড। কেননা গত মাসেই টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশকে বিদায় করেছে আইসিসি। ওই সময় গুঞ্জন ছিল পাকিস্তানকেও হয়তো সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের সঙ্গে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পাকিস্তান খেলবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। সোমবার রাত ১২টা ৬ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬