স্ট্রিম সংবাদদাতা

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি নিজের ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদনও করেছেন। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার স্থায়ী ভোটার হতে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব বরাবর আবেদন করেন তিনি।
রাশেদ খান ঝিনাইদহ পৌরসভার মুরারিদহ গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি ভোটারও ঝিনাইদহ পৌরসভার। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সমঝোতার ভিত্তিতে তাঁর জন্য ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ-সদর আংশিক) আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। এই আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে রাশেদ আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগও দিয়েছেন। এরমধ্যে মনোনয়নপত্রও সংগ্রহ করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় রাশেদ খান কালীগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হওয়ার আবেদন করেছেন। কালীগঞ্জ পৌরসভা থেকে এ সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্রও নিয়েছেন তিনি।
বিষয়টি নিয়ে শনিবার দুপুরে রাশেদ খান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে ভোটার স্থানান্তরের আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। কালীগঞ্জে যেহেতু নির্বাচন করবো, আমি সেই এলাকারই ভোটার হবো। আমি কালীগঞ্জবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নতুন করে উন্নত কালীগঞ্জ গড়ে তুলতে চাই।’
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে আসন সমঝোতায় সম্প্রতি গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে পটুয়াখালী-৩ এবং সাধারণ সম্পাদক রাশেদকে ঝিনাইদহ-৪ আসন ছেড়ে দেয় বিএনপি।
নির্বাচন কমিশনের নতুন নিয়ম অনুসারে, জোট গঠন করলেও নিজ দলের প্রতীকেই প্রার্থীদের নির্বাচন করতে হবে। সেই হিসেবে, গণঅধিকার পরিষদের দুই নেতার দলীয় প্রতীক ট্রাক নিয়ে লড়ার কথা ছিল।
এর মধ্যে রাশেদ খাঁন বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। পরে রাতে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এ বিষয়ে দলীয় অবস্থান ব্যাখ্যা করেন গণঅধিকারের সভাপতি নুর।
নুরুল হক নুর জানান, নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবে রাশেদ খাঁন গণঅধিকারের সাধারণ সম্পাদকের পদ ছাড়ছেন। নির্বাচনে জয়লাভের জন্য ধানের শীষের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে রাশেদ খান বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ নেবেন। কৌশলগত কারণে দল থেকে তাঁকে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি নিজের ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদনও করেছেন। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার স্থায়ী ভোটার হতে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব বরাবর আবেদন করেন তিনি।
রাশেদ খান ঝিনাইদহ পৌরসভার মুরারিদহ গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি ভোটারও ঝিনাইদহ পৌরসভার। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সমঝোতার ভিত্তিতে তাঁর জন্য ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ-সদর আংশিক) আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। এই আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে রাশেদ আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগও দিয়েছেন। এরমধ্যে মনোনয়নপত্রও সংগ্রহ করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় রাশেদ খান কালীগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হওয়ার আবেদন করেছেন। কালীগঞ্জ পৌরসভা থেকে এ সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্রও নিয়েছেন তিনি।
বিষয়টি নিয়ে শনিবার দুপুরে রাশেদ খান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে ভোটার স্থানান্তরের আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। কালীগঞ্জে যেহেতু নির্বাচন করবো, আমি সেই এলাকারই ভোটার হবো। আমি কালীগঞ্জবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নতুন করে উন্নত কালীগঞ্জ গড়ে তুলতে চাই।’
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে আসন সমঝোতায় সম্প্রতি গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে পটুয়াখালী-৩ এবং সাধারণ সম্পাদক রাশেদকে ঝিনাইদহ-৪ আসন ছেড়ে দেয় বিএনপি।
নির্বাচন কমিশনের নতুন নিয়ম অনুসারে, জোট গঠন করলেও নিজ দলের প্রতীকেই প্রার্থীদের নির্বাচন করতে হবে। সেই হিসেবে, গণঅধিকার পরিষদের দুই নেতার দলীয় প্রতীক ট্রাক নিয়ে লড়ার কথা ছিল।
এর মধ্যে রাশেদ খাঁন বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। পরে রাতে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এ বিষয়ে দলীয় অবস্থান ব্যাখ্যা করেন গণঅধিকারের সভাপতি নুর।
নুরুল হক নুর জানান, নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবে রাশেদ খাঁন গণঅধিকারের সাধারণ সম্পাদকের পদ ছাড়ছেন। নির্বাচনে জয়লাভের জন্য ধানের শীষের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে রাশেদ খান বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ নেবেন। কৌশলগত কারণে দল থেকে তাঁকে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের পর তৎপরতা বাড়িয়েছে কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞায় থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। কার্যক্রম বাড়লেও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব কাঠামোতে আমূল পরিবর্তনে আগে সরকারে থাকা দল বিএনপির কাছ থেকে ছাড় পাবে না।
২০ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে সংসদে অভিশংসনের পর দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও গোপনীয় বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ ভঙ্গ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
১ দিন আগে
সপরিবারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ইফতারের দাওয়াত দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। আন্তরিকতার সঙ্গে তিনি দাওয়াত কবুল করেছেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
১ দিন আগে