সিলেট টেস্ট
স্ট্রিম প্রতিবেদক

দুর্দান্ত বোলিংয়ে সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটি নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে বাবর আজম ছাড়া কেউই ক্রিজে থিতু হতে পারেননি। তাসকিন ও মিরাজের জোড়া আঘাতে প্রথম ইনিংসে ৮০ রান করার আগেই হারিয়েছে ৪ উইকেট।
শনিবার পাকিস্তানের সঙ্গে সিরিজের শেষ টেস্ট খেলতে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নামে বাংলাদেশ। তবে পাকিস্তানি বোলারদের তোপে প্রথম দিনেই ২৭৮ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন লিটন দাস। বাংলাদেশের মোট রানের প্রায় অর্ধেকই (১২৬) আসে তার ব্যাট থেকে। এরপর পাকিস্তান কোনো উইকেট না হারিয়ে ২১ রানে দিন শেষ করে।
আজ দিনের শুরুতেই বাংলাদেশের একটা ব্রেক থ্রু দরকার ছিল। সেটি এনে দেন তাসকিন। তাঁর জোড়া আঘাতে ২ রান তুলতেই দুই ওপেনারকে হারায় পাকিস্তান। উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন আগের টেস্টে জোড়া ফিফটি করা ওপেনার আব্দুল্লাহ ফাজাল। এরপর গত টেস্টে সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া আওয়াইসকে ব্যক্তিগত ১৩ রানে সাজঘরে ফিরিয়ে দ্বিতীয় ব্রেক-থ্রু এনে দেন তাসকিন।
ওয়ান ডাউনে নামা পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ অভিজ্ঞ বাবর আজমকে কিছুটা প্রতিরোধ তুলেছিলেন। তবে অফস্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের দারুণ লো টার্নিং ডেলিভারিতে ২১ রান করে শান মাসুদকে পরাস্ত করেন। ৬২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান যখন চাপে, তখন দলের হাল ধরেন বাবর আজম ও সৌদ শাকিল।
তবে প্রথম সেশনের খেলা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে সৌদ শাকিল (২৮ বলে ৮ রান) তুলে নেন মিরাজ। ৭৯ রানে পাকিস্তান হারায় চতুর্থ উইকেট। এরপর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯৬ রান নিয়ে মধ্যাহ্নভোজে যায় পাকিস্তান।
দ্বিতীয় সেশনে অবশ্য বেশ দেখে শুনে খেলছে পাকিস্তান। এরই মধ্যে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন বাবর আজম। ৩৭ ওভার শেষে ৬৩ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। অপরপ্রান্তে ১৭ রান নিয়ে তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছেন সালমান আগা।
বাংলাদেশ (১ম ইনিংস) ২৭৮/১০ (লিটন ১২৬, শান্ত ২৯ ; শেহজাদ ৪/৮১, আব্বাস ৩/৪৫)
পাকিস্তান (১ম ইনিংস) ১৩৩/৪ (বাবর ৬৩*, শান মাসুদ ২১; মিরাজ ২/১৪, তাসকিন ২/৩০)

দুর্দান্ত বোলিংয়ে সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটি নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে বাবর আজম ছাড়া কেউই ক্রিজে থিতু হতে পারেননি। তাসকিন ও মিরাজের জোড়া আঘাতে প্রথম ইনিংসে ৮০ রান করার আগেই হারিয়েছে ৪ উইকেট।
শনিবার পাকিস্তানের সঙ্গে সিরিজের শেষ টেস্ট খেলতে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নামে বাংলাদেশ। তবে পাকিস্তানি বোলারদের তোপে প্রথম দিনেই ২৭৮ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন লিটন দাস। বাংলাদেশের মোট রানের প্রায় অর্ধেকই (১২৬) আসে তার ব্যাট থেকে। এরপর পাকিস্তান কোনো উইকেট না হারিয়ে ২১ রানে দিন শেষ করে।
আজ দিনের শুরুতেই বাংলাদেশের একটা ব্রেক থ্রু দরকার ছিল। সেটি এনে দেন তাসকিন। তাঁর জোড়া আঘাতে ২ রান তুলতেই দুই ওপেনারকে হারায় পাকিস্তান। উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন আগের টেস্টে জোড়া ফিফটি করা ওপেনার আব্দুল্লাহ ফাজাল। এরপর গত টেস্টে সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া আওয়াইসকে ব্যক্তিগত ১৩ রানে সাজঘরে ফিরিয়ে দ্বিতীয় ব্রেক-থ্রু এনে দেন তাসকিন।
ওয়ান ডাউনে নামা পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ অভিজ্ঞ বাবর আজমকে কিছুটা প্রতিরোধ তুলেছিলেন। তবে অফস্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের দারুণ লো টার্নিং ডেলিভারিতে ২১ রান করে শান মাসুদকে পরাস্ত করেন। ৬২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান যখন চাপে, তখন দলের হাল ধরেন বাবর আজম ও সৌদ শাকিল।
তবে প্রথম সেশনের খেলা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে সৌদ শাকিল (২৮ বলে ৮ রান) তুলে নেন মিরাজ। ৭৯ রানে পাকিস্তান হারায় চতুর্থ উইকেট। এরপর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯৬ রান নিয়ে মধ্যাহ্নভোজে যায় পাকিস্তান।
দ্বিতীয় সেশনে অবশ্য বেশ দেখে শুনে খেলছে পাকিস্তান। এরই মধ্যে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন বাবর আজম। ৩৭ ওভার শেষে ৬৩ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। অপরপ্রান্তে ১৭ রান নিয়ে তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছেন সালমান আগা।
বাংলাদেশ (১ম ইনিংস) ২৭৮/১০ (লিটন ১২৬, শান্ত ২৯ ; শেহজাদ ৪/৮১, আব্বাস ৩/৪৫)
পাকিস্তান (১ম ইনিংস) ১৩৩/৪ (বাবর ৬৩*, শান মাসুদ ২১; মিরাজ ২/১৪, তাসকিন ২/৩০)

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
১৪ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
১৭ ঘণ্টা আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
১৮ ঘণ্টা আগে
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
২১ ঘণ্টা আগে