স্পোর্টস ডেস্ক

দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ। বিশ্বমঞ্চে শিরোপা উদ্ধারে মাঠে নামছে লাতিন পরাশক্তি ব্রাজিল। হলুদ-সবুজ জার্সিতে পাঁচ সোনালি তারা জ্বলজ্বল করলেও ভক্তদের স্বপ্ন কেবল হেক্সাকে ঘিরে।
ফুটবল ইতিহাসের একমাত্র দল হিসেবে প্রতিটি বিশ্বকাপে খেলার রেকর্ড রয়েছে ব্রাজিলের। ১৯৫৮-এর সুইডেন বিশ্বকাপে প্রথম শিরোপা জেতে তারা। এরপর ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ সালেও শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট বসেছিল ব্রাজিলের। সর্বশেষ ২০০২ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফুটবল বিশ্বের একমাত্র দল হিসেবে পাঁচবার শিরোপা জিতেছে তারা।
ফুটবল আর ব্রাজিলের গল্প আসলেই একে অপরের পরিপূরক। ফুটবলকে ‘দ্য বিউটিফুল গেম’ উপাধি দিয়েছিল এই দেশই। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ জেতেনি। বহুল কাঙ্ক্ষিত ‘হেক্সা’ বা ষষ্ঠ ট্রফির খরা কাটাতে এবার মরিয়া ব্রাজিল।
১৯৩০ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া ব্রাজিল ২৩তম বারের মতো বিশ্বমঞ্চে নামছে। বিশ্বকাপে ১১৪ ম্যাচে ৭৬ জয়, ১৯ ড্র ও ১৯ পরাজয় রয়েছে তাদের ঝুলিতে। ফিফার র্যাঙ্কিংয়ে ৬ষ্ঠ এই দল ফুটবল বিশ্বে ‘সেলেসাও’ নামে পরিচিত।
প্রথমবারের মতো ব্রাজিল বিশ্বকাপ দলের নেতৃত্বে আছেন ভিনদেশি কোচ কার্লো আনচেলত্তি। কোচ হিসেবে ক্লাব পর্যায়ে পাঁচবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন। রিয়াল মাদ্রিদ, এসি মিলান, বায়ার্ন মিউনিখ ও জুভেন্টাস, নেপোলি, পিএসজি, এভারটন ও চেলসির ডাগআউটও সামলিয়েছেন তিনি।
তবে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে নিজের সহজাত মুনশিয়ানা দেখাতে পারেনি ব্রাজিল। ১৮ ম্যাচে ৮ জয়, ৪ ড্র, ৬ হারে পয়েন্ট টেবিলে পঞ্চম হয়ে বিশ্বকাপের টিকিট পায়।

বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে খেলতে হবে গ্রুপ ‘সি’-তে। ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে হেক্সা মিশন শুরু। এরপর ২০ জুন হাইতি এবং ২৫ জুন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে সেলেসাওরা।
এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ‘প্লেয়ার টু ওয়াচ’ হলেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমে ক্লাবের হয়ে ১৬ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট নিয়ে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন তিনি। তাঁর সহযোগী হিসেবে আলো ছড়াবেন ব্রাজিলের জার্সিতে ১১ গোল করা বার্সেলোনার উইঙ্গার রাফিনহা।
তবে সমর্থকদের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হয়ে থাকবেন নেইমার জুনিয়র। সদ্য চোট কাটিয়ে ফেরা এই ফরোয়ার্ড জাতীয় দলের হয়ে রেকর্ড ৭৯ গোল করেছেন। আনচেলত্তির অভিজ্ঞতা এবং নেইমার-রাফিনহা-ভিনিসিয়ুসদের এই ত্রিমুখী আক্রমণের মিশেলে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ট্রফি বা ‘হেক্সা’ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ব্রাজিল।
কাগজে-কলমে ব্রাজিল গ্রুপ ‘সি’-এর পরিষ্কার ফেবারিট। তবে মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই শক্ত পরীক্ষা দিতে হবে সেলেসাওদের। মরক্কোকে হারাতে পারলে দলের আত্মবিশ্বাস বাড়বে। গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়েই নকআউটে যেতে চাইবে আনচেলত্তির শিষ্যরা।
তবে ব্রাজিলের লক্ষ্য শুধু নকআউট বা কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা নয়; দলটি এবার মাঠে নামছে তাদের বহু কাঙ্ক্ষিত ও অধরা 'হেক্সা' বা ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের মিশনে। ২০০২ সালের পর গত ৫ বিশ্বকাপে একই মিশনে নেমে বারবার ব্যর্থ হয়েছে তারা। তাই ফুটবলপ্রেমীরা বলছেন, ব্রাজিলের এবার দুই তরফেই হেক্সা মিশন—জিতলে হেক্সা শিরোপা, আর হারলে টানা ৬ বিশ্বকাপে ব্যর্থতার হেক্সা!
গোলরক্ষক: অ্যালিসন বেকার, এদেরসন মোরায়েস, ওয়েভারতন।
রক্ষণ: মার্কিনিয়োস, গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েস, অ্যালেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, দগলাস সান্তোস, রজার ইবানিয়েস, লিও পেরেইরা, ওয়েসলি।
মাঝমাঠ: ব্রুনো গিমারেস, কাসেমিরো, দানিলো সান্তোস, ফাবিনিয়ো, লুকাস পাকেতা।
আক্রমণ: অ্যান্ড্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, ইগর থিয়াগো, লুইস এনরিকে, মাথেউস কুনহা, নেইমার জুনিয়র, ভিনিসিউস জুনিয়র, রাফিনিয়া, রায়ান।

দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ। বিশ্বমঞ্চে শিরোপা উদ্ধারে মাঠে নামছে লাতিন পরাশক্তি ব্রাজিল। হলুদ-সবুজ জার্সিতে পাঁচ সোনালি তারা জ্বলজ্বল করলেও ভক্তদের স্বপ্ন কেবল হেক্সাকে ঘিরে।
ফুটবল ইতিহাসের একমাত্র দল হিসেবে প্রতিটি বিশ্বকাপে খেলার রেকর্ড রয়েছে ব্রাজিলের। ১৯৫৮-এর সুইডেন বিশ্বকাপে প্রথম শিরোপা জেতে তারা। এরপর ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ সালেও শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট বসেছিল ব্রাজিলের। সর্বশেষ ২০০২ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফুটবল বিশ্বের একমাত্র দল হিসেবে পাঁচবার শিরোপা জিতেছে তারা।
ফুটবল আর ব্রাজিলের গল্প আসলেই একে অপরের পরিপূরক। ফুটবলকে ‘দ্য বিউটিফুল গেম’ উপাধি দিয়েছিল এই দেশই। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ জেতেনি। বহুল কাঙ্ক্ষিত ‘হেক্সা’ বা ষষ্ঠ ট্রফির খরা কাটাতে এবার মরিয়া ব্রাজিল।
১৯৩০ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া ব্রাজিল ২৩তম বারের মতো বিশ্বমঞ্চে নামছে। বিশ্বকাপে ১১৪ ম্যাচে ৭৬ জয়, ১৯ ড্র ও ১৯ পরাজয় রয়েছে তাদের ঝুলিতে। ফিফার র্যাঙ্কিংয়ে ৬ষ্ঠ এই দল ফুটবল বিশ্বে ‘সেলেসাও’ নামে পরিচিত।
প্রথমবারের মতো ব্রাজিল বিশ্বকাপ দলের নেতৃত্বে আছেন ভিনদেশি কোচ কার্লো আনচেলত্তি। কোচ হিসেবে ক্লাব পর্যায়ে পাঁচবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন। রিয়াল মাদ্রিদ, এসি মিলান, বায়ার্ন মিউনিখ ও জুভেন্টাস, নেপোলি, পিএসজি, এভারটন ও চেলসির ডাগআউটও সামলিয়েছেন তিনি।
তবে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে নিজের সহজাত মুনশিয়ানা দেখাতে পারেনি ব্রাজিল। ১৮ ম্যাচে ৮ জয়, ৪ ড্র, ৬ হারে পয়েন্ট টেবিলে পঞ্চম হয়ে বিশ্বকাপের টিকিট পায়।

বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে খেলতে হবে গ্রুপ ‘সি’-তে। ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে হেক্সা মিশন শুরু। এরপর ২০ জুন হাইতি এবং ২৫ জুন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে সেলেসাওরা।
এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ‘প্লেয়ার টু ওয়াচ’ হলেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমে ক্লাবের হয়ে ১৬ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট নিয়ে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন তিনি। তাঁর সহযোগী হিসেবে আলো ছড়াবেন ব্রাজিলের জার্সিতে ১১ গোল করা বার্সেলোনার উইঙ্গার রাফিনহা।
তবে সমর্থকদের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হয়ে থাকবেন নেইমার জুনিয়র। সদ্য চোট কাটিয়ে ফেরা এই ফরোয়ার্ড জাতীয় দলের হয়ে রেকর্ড ৭৯ গোল করেছেন। আনচেলত্তির অভিজ্ঞতা এবং নেইমার-রাফিনহা-ভিনিসিয়ুসদের এই ত্রিমুখী আক্রমণের মিশেলে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ট্রফি বা ‘হেক্সা’ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ব্রাজিল।
কাগজে-কলমে ব্রাজিল গ্রুপ ‘সি’-এর পরিষ্কার ফেবারিট। তবে মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই শক্ত পরীক্ষা দিতে হবে সেলেসাওদের। মরক্কোকে হারাতে পারলে দলের আত্মবিশ্বাস বাড়বে। গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়েই নকআউটে যেতে চাইবে আনচেলত্তির শিষ্যরা।
তবে ব্রাজিলের লক্ষ্য শুধু নকআউট বা কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা নয়; দলটি এবার মাঠে নামছে তাদের বহু কাঙ্ক্ষিত ও অধরা 'হেক্সা' বা ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের মিশনে। ২০০২ সালের পর গত ৫ বিশ্বকাপে একই মিশনে নেমে বারবার ব্যর্থ হয়েছে তারা। তাই ফুটবলপ্রেমীরা বলছেন, ব্রাজিলের এবার দুই তরফেই হেক্সা মিশন—জিতলে হেক্সা শিরোপা, আর হারলে টানা ৬ বিশ্বকাপে ব্যর্থতার হেক্সা!
গোলরক্ষক: অ্যালিসন বেকার, এদেরসন মোরায়েস, ওয়েভারতন।
রক্ষণ: মার্কিনিয়োস, গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েস, অ্যালেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, দগলাস সান্তোস, রজার ইবানিয়েস, লিও পেরেইরা, ওয়েসলি।
মাঝমাঠ: ব্রুনো গিমারেস, কাসেমিরো, দানিলো সান্তোস, ফাবিনিয়ো, লুকাস পাকেতা।
আক্রমণ: অ্যান্ড্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, ইগর থিয়াগো, লুইস এনরিকে, মাথেউস কুনহা, নেইমার জুনিয়র, ভিনিসিউস জুনিয়র, রাফিনিয়া, রায়ান।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
২০ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
১ দিন আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
২০ জুলাই ২০২৬
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
২০ জুলাই ২০২৬