স্ট্রিম প্রতিবেদক

ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভা আহ্বানের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল। নবনির্বাচিত সরকারের শপথের আগে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়াকে অনৈতিক ও স্বার্থের সংঘাত বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকটির একটি কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে এসব জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সেক্রেটারি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। এই সময় তড়িঘড়ি করে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দিতে বোর্ড সভা আহ্বান করা হয়েছে। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে মনে করেন কর্মকর্তারা।
সংগঠনের সেক্রেটারি বলেন, গভর্নরের পূর্ববর্তী কর্মস্থলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এতে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে। তাই আহ্বানকৃত বোর্ড সভা স্থগিতের দাবি জানানো হলেও তা করা হয়নি।
তড়িঘড়ি সিদ্ধান্তে বিশেষ কোনো গোষ্ঠীকে একচেটিয়া সুবিধা দেওয়া হতে পারে বলেও আশঙ্কার কথা জানান কর্মকর্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, যথাযথ মূল্যায়ন ছাড়া নিয়োগ পাওয়া চুক্তিভিত্তিক উপদেষ্টা ও পরামর্শকদের নিয়োগ বাতিল করতে হবে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নয়জন চুক্তিভিত্তিক উপদেষ্টা কাজ করছেন।
সংগঠনটি জানায়, গত দেড় বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নিয়মিত কর্মকর্তা নিয়োগ বা পদোন্নতির কোনো ফাইল অনুমোদন হয়নি। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
গণমাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত বিষয়ে সাংঘর্ষিক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এতে ব্যাংক খাতে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
সংগঠনটি বলেছে, ব্যাংক রেজুলেশন প্রক্রিয়ায় বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে হবে। কিছু ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার বেশি হলেও তারা রেজুলেশন প্রক্রিয়ার বাইরে রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
প্রশ্নোত্তর পর্বে সংগঠনের নেতারা বলেন, ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বিকাশকে লাইসেন্স দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিকাশের প্রধান শেয়ারহোল্ডার একটি বেসরকারি ব্যাংক হওয়ায় এতে একচেটিয়া প্রভাব তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
এক সাংবাদিক জানতে চান, কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়ে সমালোচনা আছে কিনা। জবাবে নেতারা বলেন, ব্যক্তিগত পরিচয় থাকতে পারে। তবে নীতিনির্ধারণে প্রভাব খাটানো তাদের উদ্দেশ্য নয়। তারা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষায় কাজ করছেন।
গভর্নরের পদত্যাগ চান কিনা—এই প্রশ্নে সংগঠনটি জানায়, তাদের প্রধান দাবি স্বচ্ছতা ও পেশাদারত্ব নিশ্চিত করা। নেতৃত্বে পরিবর্তন প্রয়োজন হলে তা পরিস্থিতি বিবেচনায় হতে পারে।
সংগঠনটি জানায়, দাবি মানা না হলে শিগগিরই জরুরি সাধারণ সভা ডেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভা আহ্বানের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল। নবনির্বাচিত সরকারের শপথের আগে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়াকে অনৈতিক ও স্বার্থের সংঘাত বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকটির একটি কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে এসব জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সেক্রেটারি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। এই সময় তড়িঘড়ি করে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দিতে বোর্ড সভা আহ্বান করা হয়েছে। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে মনে করেন কর্মকর্তারা।
সংগঠনের সেক্রেটারি বলেন, গভর্নরের পূর্ববর্তী কর্মস্থলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এতে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে। তাই আহ্বানকৃত বোর্ড সভা স্থগিতের দাবি জানানো হলেও তা করা হয়নি।
তড়িঘড়ি সিদ্ধান্তে বিশেষ কোনো গোষ্ঠীকে একচেটিয়া সুবিধা দেওয়া হতে পারে বলেও আশঙ্কার কথা জানান কর্মকর্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, যথাযথ মূল্যায়ন ছাড়া নিয়োগ পাওয়া চুক্তিভিত্তিক উপদেষ্টা ও পরামর্শকদের নিয়োগ বাতিল করতে হবে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নয়জন চুক্তিভিত্তিক উপদেষ্টা কাজ করছেন।
সংগঠনটি জানায়, গত দেড় বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নিয়মিত কর্মকর্তা নিয়োগ বা পদোন্নতির কোনো ফাইল অনুমোদন হয়নি। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
গণমাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত বিষয়ে সাংঘর্ষিক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এতে ব্যাংক খাতে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
সংগঠনটি বলেছে, ব্যাংক রেজুলেশন প্রক্রিয়ায় বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে হবে। কিছু ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার বেশি হলেও তারা রেজুলেশন প্রক্রিয়ার বাইরে রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
প্রশ্নোত্তর পর্বে সংগঠনের নেতারা বলেন, ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বিকাশকে লাইসেন্স দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিকাশের প্রধান শেয়ারহোল্ডার একটি বেসরকারি ব্যাংক হওয়ায় এতে একচেটিয়া প্রভাব তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
এক সাংবাদিক জানতে চান, কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়ে সমালোচনা আছে কিনা। জবাবে নেতারা বলেন, ব্যক্তিগত পরিচয় থাকতে পারে। তবে নীতিনির্ধারণে প্রভাব খাটানো তাদের উদ্দেশ্য নয়। তারা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষায় কাজ করছেন।
গভর্নরের পদত্যাগ চান কিনা—এই প্রশ্নে সংগঠনটি জানায়, তাদের প্রধান দাবি স্বচ্ছতা ও পেশাদারত্ব নিশ্চিত করা। নেতৃত্বে পরিবর্তন প্রয়োজন হলে তা পরিস্থিতি বিবেচনায় হতে পারে।
সংগঠনটি জানায়, দাবি মানা না হলে শিগগিরই জরুরি সাধারণ সভা ডেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সামনে রেখে নিটওয়্যার খাতের জন্য কর-ভ্যাট সুবিধাসহ ১৩ দফা প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।
৬ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগ্লির সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। রোববার (২৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে এই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
করদাতাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ই-ট্যাক্স রিটার্ন সিস্টেমের সঙ্গে ব্যাংক হিসাবের তথ্য সংযুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর আইসিএমএবি মিলনায়তনে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এ তথ্য জানান।
১১ ঘণ্টা আগে
ভ্যাট ফাঁকি রোধ ও করের আওতা বাড়াতে দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া সব পণ্যে পর্যায়ক্রমে ‘কিউআর কোড’ বা আধুনিক ডিজিটাল ট্র্যাকিং পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর ফলে উৎপাদন পর্যায় থেকেই প্রতিটি পণ্যের তথ্য এনবিআরের কেন্দ্রীয় সার্ভারে যুক্ত হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে