স্ট্রিম প্রতিবেদক

জীবাশ্মজ্বালানির ওপর বাংলাদেশের অতিরিক্ত নির্ভরতা সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে। সাধারণ মানুষের ক্ষতির পাশাপাশি এই নির্ভরতা শিল্পখাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা দুর্বল করছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) আয়োজিত সংলাপে এ অভিমত দেন বক্তারা। তারা জীবাশ্মনির্ভরতা কমিয়ে সবুজ জ্বালানির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
‘বাংলাদেশের জ্বালানি রূপান্তর: অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, সবুজ প্রণোদনা ও শিল্প দক্ষতা’ শীর্ষক নীতিনির্ধারণী সংলাপে বাংলাদেশের জ্বালানি রূপান্তর-সংক্রান্ত বছরব্যাপী একটি গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।
এতে বলা হয়, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জীবাশ্মজ্বালানির দামের ধাক্কায় বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, সাধারণ মানুষের জীবনমান ও শিল্পখাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
গবেষণা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান। গবেষণায় বাংলাদেশের জ্বালানি রূপান্তর-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ তিনটি দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করা হয়। প্রথমত, জীবাশ্মজ্বালানির দামের ধাক্কায় সামগ্রিক অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়ে। দ্বিতীয়ত, নবায়নযোগ্য জ্বালানি গ্রহণে করনীতির ভূমিকা কী এবং তৃতীয়ত, শিল্পখাতে জ্বালানি দক্ষতার জন্য একটি জরুরি নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা।
গবেষণায় বলা হয়েছে, জ্বালানির দামের ধাক্কা দরিদ্র পরিবারের ওপর বেশি প্রভাব ফেলে। নিম্ন শ্রেণির মানুষের প্রকৃত আয় কমে যায়। বিশেষ করে স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে এর প্রভাব তীব্র। যদিও দীর্ঘমেয়াদে আয়ের ক্ষতি তুলনামূলক সমান হয়ে আসে।
গবেষণার দ্বিতীয় অংশে ৮৭টি নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্পর্কিত পণ্যের ওপর কর বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, উচ্চ করহার এখনো খাত সম্প্রসারণে বড় বাধা। কর শূন্যে নামলে রাজস্ব ক্ষতি হলেও মানুষের কল্যাণ এবং বিনিয়োগ বাড়ে বলে জানানো হয়েছে।
গবেষণার তৃতীয় অংশে বাংলাদেশের জন্য একটি খসড়া শিল্প জ্বালানি দক্ষতা নীতি প্রস্তাব করা হয়। গবেষণায় অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ এবং উৎপাদন শিল্পের তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে কয়েকটি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত এবং বাধ্যতামূলক জ্বালানি নিরীক্ষা চালুর সুপারিশ করা হয়েছে। সবুজ অর্থায়নে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার প্রস্তাব ও বিদ্যুৎ গ্রিড আধুনিকায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে গবেষণায়।
সমন্বিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, লক্ষ্যভিত্তিক কর সংস্কার, শিল্পখাতে বিস্তৃত ও কঠোর জ্বালানি দক্ষতা নীতিমালা কার্যকরের সুপারিশ করেছে সানেম।

জীবাশ্মজ্বালানির ওপর বাংলাদেশের অতিরিক্ত নির্ভরতা সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে। সাধারণ মানুষের ক্ষতির পাশাপাশি এই নির্ভরতা শিল্পখাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা দুর্বল করছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) আয়োজিত সংলাপে এ অভিমত দেন বক্তারা। তারা জীবাশ্মনির্ভরতা কমিয়ে সবুজ জ্বালানির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
‘বাংলাদেশের জ্বালানি রূপান্তর: অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, সবুজ প্রণোদনা ও শিল্প দক্ষতা’ শীর্ষক নীতিনির্ধারণী সংলাপে বাংলাদেশের জ্বালানি রূপান্তর-সংক্রান্ত বছরব্যাপী একটি গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।
এতে বলা হয়, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জীবাশ্মজ্বালানির দামের ধাক্কায় বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, সাধারণ মানুষের জীবনমান ও শিল্পখাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
গবেষণা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান। গবেষণায় বাংলাদেশের জ্বালানি রূপান্তর-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ তিনটি দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করা হয়। প্রথমত, জীবাশ্মজ্বালানির দামের ধাক্কায় সামগ্রিক অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়ে। দ্বিতীয়ত, নবায়নযোগ্য জ্বালানি গ্রহণে করনীতির ভূমিকা কী এবং তৃতীয়ত, শিল্পখাতে জ্বালানি দক্ষতার জন্য একটি জরুরি নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা।
গবেষণায় বলা হয়েছে, জ্বালানির দামের ধাক্কা দরিদ্র পরিবারের ওপর বেশি প্রভাব ফেলে। নিম্ন শ্রেণির মানুষের প্রকৃত আয় কমে যায়। বিশেষ করে স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে এর প্রভাব তীব্র। যদিও দীর্ঘমেয়াদে আয়ের ক্ষতি তুলনামূলক সমান হয়ে আসে।
গবেষণার দ্বিতীয় অংশে ৮৭টি নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্পর্কিত পণ্যের ওপর কর বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, উচ্চ করহার এখনো খাত সম্প্রসারণে বড় বাধা। কর শূন্যে নামলে রাজস্ব ক্ষতি হলেও মানুষের কল্যাণ এবং বিনিয়োগ বাড়ে বলে জানানো হয়েছে।
গবেষণার তৃতীয় অংশে বাংলাদেশের জন্য একটি খসড়া শিল্প জ্বালানি দক্ষতা নীতি প্রস্তাব করা হয়। গবেষণায় অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ এবং উৎপাদন শিল্পের তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে কয়েকটি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত এবং বাধ্যতামূলক জ্বালানি নিরীক্ষা চালুর সুপারিশ করা হয়েছে। সবুজ অর্থায়নে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার প্রস্তাব ও বিদ্যুৎ গ্রিড আধুনিকায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে গবেষণায়।
সমন্বিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, লক্ষ্যভিত্তিক কর সংস্কার, শিল্পখাতে বিস্তৃত ও কঠোর জ্বালানি দক্ষতা নীতিমালা কার্যকরের সুপারিশ করেছে সানেম।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সামনে রেখে নিটওয়্যার খাতের জন্য কর-ভ্যাট সুবিধাসহ ১৩ দফা প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।
৮ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগ্লির সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। রোববার (২৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে এই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
করদাতাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ই-ট্যাক্স রিটার্ন সিস্টেমের সঙ্গে ব্যাংক হিসাবের তথ্য সংযুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর আইসিএমএবি মিলনায়তনে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এ তথ্য জানান।
১৩ ঘণ্টা আগে
ভ্যাট ফাঁকি রোধ ও করের আওতা বাড়াতে দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া সব পণ্যে পর্যায়ক্রমে ‘কিউআর কোড’ বা আধুনিক ডিজিটাল ট্র্যাকিং পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর ফলে উৎপাদন পর্যায় থেকেই প্রতিটি পণ্যের তথ্য এনবিআরের কেন্দ্রীয় সার্ভারে যুক্ত হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে