আমাদের মনে প্রায়ই একটি কৌতূহল জাগে, রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কি ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি শনাক্ত করা সম্ভব? চলুন এ বিষয়ে গবেষণালব্ধ তথ্যগুলো বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
স্ট্রিম ডেস্ক

শরীরে দীর্ঘদিনের ক্লান্তি, অবসাদ কিংবা হঠাৎ করে অনেকটা ওজন কমে যাওয়ার মতো উপসর্গের মুখোমুখি হলে চিকিৎসকরা প্রথমেই রোগীকে ‘ব্লাড টেস্ট’ বা রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দেন। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে রক্ত পরীক্ষা হলো রোগ নির্ণয় ও শরীরের অভ্যন্তরীণ অবস্থা বোঝার সবচেয়ে সাধারণ ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।
কিন্তু আমাদের মনে প্রায়ই একটি কৌতূহল জাগে, রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কি ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি শনাক্ত করা সম্ভব? চলুন এ বিষয়ে গবেষণালব্ধ তথ্যগুলো বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
রক্ত পরীক্ষা মূলত ‘প্যাথলজি’র অংশ। এটা রোগের প্রকৃতি ও কারণ নিয়ে কাজ করে। আমাদের রক্তে কী পরিমাণ কোষ, প্রোটিন এবং বিভিন্ন অণু উপস্থিত আছে, তা এই পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হয়। এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা লিভার বা কিডনির মতো অঙ্গগুলোর অবস্থা, শরীরের পুষ্টির মাত্রা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কার্যকারিতা এবং কোনো ইনফেকশন আছে কি না, তা বুঝতে পারেন।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, শরীরে লোহিত রক্তকণিকা কমে গেলে রক্তশূন্যতা ধরা পড়ে। আবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা মেপে ডায়াবেটিস শনাক্ত করা হয়।
বর্তমানে কেবল রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে অধিকাংশ ক্যানসার নির্ভরযোগ্যভাবে নির্ণয় করা যায় না। এর অন্যতম বড় কারণ হলো, ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যানসার কোষ এবং স্বাভাবিক সুস্থ কোষের মধ্যে পার্থক্য করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। তবে রক্ত পরীক্ষা আমাদের শরীরে ক্যান্সারের উপস্থিতি সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকেত বা ক্লু দিতে পারে। বিজ্ঞানিরা মূলত তিনটি উপায়ে রক্তের মাধ্যমে ক্যানসার শনাক্ত করার চেষ্টা করেন।
রক্তে কোষের অস্বাভাবিকতা যাচাই
রক্তের ক্যানসার বা লিউকেমিয়ার ক্ষেত্রে রক্তকণিকার সংখ্যা এবং ধরনে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এটি ‘কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট’ (সিবিসি) পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। আমাদের শরীর যখন অস্বাভাবিক হারে কোনো নির্দিষ্ট রক্তকণিকা (যেমন শ্বেত রক্তকণিকা) তৈরি করে, তখন রক্তে এর ভারসাম্য নষ্ট হয়।
উচ্চমাত্রার শ্বেত রক্তকণিকা রক্তের ক্যান্সারের বড় লক্ষণ হতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, সিবিসি রিপোর্ট খারাপ এলেই ক্যানসার হয়েছে বলা যায় না; এটি নিশ্চিত করতে বায়োপসি বা সিটি স্ক্যান ও এক্স-রের মতো ইমেজিং পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।
টিউমার মার্কার শনাক্ত করা
কিছু ক্যানসার কোষ রক্তে এমন কিছু বিশেষ প্রোটিন তৈরি করে, যা সাধারণত সুস্থ মানুষের রক্তে খুব একটা থাকে না। এগুলোকে বলা হয় ‘টিউমার মার্কার’।
যেমন প্রোস্টেট ক্যান্সারের ক্ষেত্রে ‘প্রোস্টেট-স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন’ নামক প্রোটিনটি রক্তে বেড়ে যায়। তবে এটা শতভাগ নির্ভুল পদ্ধতি নয়। কারণ শরীরে অন্য কোনো ইনফেকশন বা প্রদাহ থাকলেও এই মার্কারের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। তাই টিউমার মার্কার পজিটিভ এলে ক্যানসার নিশ্চিত করার জন্য ডাক্তাররা আরও পরীক্ষা করেন।
বিচ্ছিন্ন ক্যানসার কোষের সন্ধান
` যখন শরীরে অনেক বেশি ছড়িয়ে পড়ে তখন মূল টিউমার থেকে কিছু কোষ বিচ্ছিন্ন হয়ে রক্তপ্রবাহে মিশে যায়। আধুনিক রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এই ‘সার্কুলেটিং টিউমার সেল’ খুঁজে বের করা সম্ভব। এটি রোগ নিশ্চিত করার চেয়ে ভবিষ্যৎ অগ্রগতি বা চিকিৎসার ফলাফল পূর্বাভাস দিতে বেশি ব্যবহৃত হয়।
বিজ্ঞানীরা এমন একটি রক্ত পরীক্ষা আবিষ্কারের চেষ্টা করছেন, যা দিয়ে এক নিমিষেই ক্যানসার ধরা পড়বে। এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে ‘সার্কুলেটিং টিউমার ডিএনএ’ বা ctDNA। আমাদের রক্তে খুব ছোট ছোট ডিএনএ অণু ভেসে বেড়ায়। যদি শরীরে ক্যানসার থাকে, তাহলে টিউমার থেকেও কিছু ডিএনএ রক্তে মিশে যায়। সেই বিশেষ ডিএনএ শনাক্ত করে বোঝা যায় ক্যানসার আছে কি না, এমনকি ক্যান্সারের ধরনও আন্দাজ করা যায়।
২০২৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেরা ৪৪১ জন কোলন ক্যানসার রোগীর ওপর একটি ট্রায়াল চালান। তাঁদের রক্তে টিউমার ডিএনএ মেপে দেখা হয়, কার শরীরে কেমোথেরাপি ভালো কাজ করছে আর কার ক্ষেত্রে কাজ করছে না। একই বছরে ৯৪০ জন ফুসফুস ক্যানসার রোগীর ওপরও একই ধরনের গবেষণা হয়। এতে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে, চিকিৎসা শুরুর আগেই বা চলাকালীন সময়ে রক্ত পরীক্ষা দেখে চিকিৎসার ফলাফল আন্দাজ করা যায় কি না।
এ ছাড়া ২০২১ সালে যুক্তরাজ্যে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয় ‘গ্যালারি টেস্ট’(Galleri Test)। দাবি করা হয়, এই টেস্টের মাধ্যমে ৫০টিরও বেশি ধরনের ক্যানসার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা সম্ভব। তবে এটি কতটা নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর, তা নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে এবং বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।
আরও একটি নতুন দিক হলো রক্তে থাকা নির্দিষ্ট কিছু চর্বি বা ফ্যাট অণু বিশ্লেষণ করে প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা পদ্ধতি ঠিক করার চেষ্টা। ২০২৫ সালের কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এসব ফ্যাট অণুর মাত্রা দেখে বোঝা যেতে পারে কোন রোগীর জন্য কোন ধরনের চিকিৎসা বেশি উপযোগী হতে পারে।
সব মিলিয়ে, ভবিষ্যতে শুধু রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যানসার দ্রুত ধরা পড়বে এবং রোগীর জন্য সঠিক চিকিৎসা বেছে নেওয়া সহজ হবে—এমন সম্ভাবনাই এখন বিজ্ঞানীরা খুঁজছেন। তবে বিষয়টি এখনো গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে।

শরীরে দীর্ঘদিনের ক্লান্তি, অবসাদ কিংবা হঠাৎ করে অনেকটা ওজন কমে যাওয়ার মতো উপসর্গের মুখোমুখি হলে চিকিৎসকরা প্রথমেই রোগীকে ‘ব্লাড টেস্ট’ বা রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দেন। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে রক্ত পরীক্ষা হলো রোগ নির্ণয় ও শরীরের অভ্যন্তরীণ অবস্থা বোঝার সবচেয়ে সাধারণ ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।
কিন্তু আমাদের মনে প্রায়ই একটি কৌতূহল জাগে, রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কি ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি শনাক্ত করা সম্ভব? চলুন এ বিষয়ে গবেষণালব্ধ তথ্যগুলো বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
রক্ত পরীক্ষা মূলত ‘প্যাথলজি’র অংশ। এটা রোগের প্রকৃতি ও কারণ নিয়ে কাজ করে। আমাদের রক্তে কী পরিমাণ কোষ, প্রোটিন এবং বিভিন্ন অণু উপস্থিত আছে, তা এই পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হয়। এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা লিভার বা কিডনির মতো অঙ্গগুলোর অবস্থা, শরীরের পুষ্টির মাত্রা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কার্যকারিতা এবং কোনো ইনফেকশন আছে কি না, তা বুঝতে পারেন।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, শরীরে লোহিত রক্তকণিকা কমে গেলে রক্তশূন্যতা ধরা পড়ে। আবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা মেপে ডায়াবেটিস শনাক্ত করা হয়।
বর্তমানে কেবল রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে অধিকাংশ ক্যানসার নির্ভরযোগ্যভাবে নির্ণয় করা যায় না। এর অন্যতম বড় কারণ হলো, ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যানসার কোষ এবং স্বাভাবিক সুস্থ কোষের মধ্যে পার্থক্য করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। তবে রক্ত পরীক্ষা আমাদের শরীরে ক্যান্সারের উপস্থিতি সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকেত বা ক্লু দিতে পারে। বিজ্ঞানিরা মূলত তিনটি উপায়ে রক্তের মাধ্যমে ক্যানসার শনাক্ত করার চেষ্টা করেন।
রক্তে কোষের অস্বাভাবিকতা যাচাই
রক্তের ক্যানসার বা লিউকেমিয়ার ক্ষেত্রে রক্তকণিকার সংখ্যা এবং ধরনে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এটি ‘কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট’ (সিবিসি) পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। আমাদের শরীর যখন অস্বাভাবিক হারে কোনো নির্দিষ্ট রক্তকণিকা (যেমন শ্বেত রক্তকণিকা) তৈরি করে, তখন রক্তে এর ভারসাম্য নষ্ট হয়।
উচ্চমাত্রার শ্বেত রক্তকণিকা রক্তের ক্যান্সারের বড় লক্ষণ হতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, সিবিসি রিপোর্ট খারাপ এলেই ক্যানসার হয়েছে বলা যায় না; এটি নিশ্চিত করতে বায়োপসি বা সিটি স্ক্যান ও এক্স-রের মতো ইমেজিং পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।
টিউমার মার্কার শনাক্ত করা
কিছু ক্যানসার কোষ রক্তে এমন কিছু বিশেষ প্রোটিন তৈরি করে, যা সাধারণত সুস্থ মানুষের রক্তে খুব একটা থাকে না। এগুলোকে বলা হয় ‘টিউমার মার্কার’।
যেমন প্রোস্টেট ক্যান্সারের ক্ষেত্রে ‘প্রোস্টেট-স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন’ নামক প্রোটিনটি রক্তে বেড়ে যায়। তবে এটা শতভাগ নির্ভুল পদ্ধতি নয়। কারণ শরীরে অন্য কোনো ইনফেকশন বা প্রদাহ থাকলেও এই মার্কারের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। তাই টিউমার মার্কার পজিটিভ এলে ক্যানসার নিশ্চিত করার জন্য ডাক্তাররা আরও পরীক্ষা করেন।
বিচ্ছিন্ন ক্যানসার কোষের সন্ধান
` যখন শরীরে অনেক বেশি ছড়িয়ে পড়ে তখন মূল টিউমার থেকে কিছু কোষ বিচ্ছিন্ন হয়ে রক্তপ্রবাহে মিশে যায়। আধুনিক রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এই ‘সার্কুলেটিং টিউমার সেল’ খুঁজে বের করা সম্ভব। এটি রোগ নিশ্চিত করার চেয়ে ভবিষ্যৎ অগ্রগতি বা চিকিৎসার ফলাফল পূর্বাভাস দিতে বেশি ব্যবহৃত হয়।
বিজ্ঞানীরা এমন একটি রক্ত পরীক্ষা আবিষ্কারের চেষ্টা করছেন, যা দিয়ে এক নিমিষেই ক্যানসার ধরা পড়বে। এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে ‘সার্কুলেটিং টিউমার ডিএনএ’ বা ctDNA। আমাদের রক্তে খুব ছোট ছোট ডিএনএ অণু ভেসে বেড়ায়। যদি শরীরে ক্যানসার থাকে, তাহলে টিউমার থেকেও কিছু ডিএনএ রক্তে মিশে যায়। সেই বিশেষ ডিএনএ শনাক্ত করে বোঝা যায় ক্যানসার আছে কি না, এমনকি ক্যান্সারের ধরনও আন্দাজ করা যায়।
২০২৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেরা ৪৪১ জন কোলন ক্যানসার রোগীর ওপর একটি ট্রায়াল চালান। তাঁদের রক্তে টিউমার ডিএনএ মেপে দেখা হয়, কার শরীরে কেমোথেরাপি ভালো কাজ করছে আর কার ক্ষেত্রে কাজ করছে না। একই বছরে ৯৪০ জন ফুসফুস ক্যানসার রোগীর ওপরও একই ধরনের গবেষণা হয়। এতে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে, চিকিৎসা শুরুর আগেই বা চলাকালীন সময়ে রক্ত পরীক্ষা দেখে চিকিৎসার ফলাফল আন্দাজ করা যায় কি না।
এ ছাড়া ২০২১ সালে যুক্তরাজ্যে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয় ‘গ্যালারি টেস্ট’(Galleri Test)। দাবি করা হয়, এই টেস্টের মাধ্যমে ৫০টিরও বেশি ধরনের ক্যানসার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা সম্ভব। তবে এটি কতটা নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর, তা নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে এবং বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।
আরও একটি নতুন দিক হলো রক্তে থাকা নির্দিষ্ট কিছু চর্বি বা ফ্যাট অণু বিশ্লেষণ করে প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা পদ্ধতি ঠিক করার চেষ্টা। ২০২৫ সালের কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এসব ফ্যাট অণুর মাত্রা দেখে বোঝা যেতে পারে কোন রোগীর জন্য কোন ধরনের চিকিৎসা বেশি উপযোগী হতে পারে।
সব মিলিয়ে, ভবিষ্যতে শুধু রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যানসার দ্রুত ধরা পড়বে এবং রোগীর জন্য সঠিক চিকিৎসা বেছে নেওয়া সহজ হবে—এমন সম্ভাবনাই এখন বিজ্ঞানীরা খুঁজছেন। তবে বিষয়টি এখনো গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে।

কর্মজীবী নারীদের জন্য ঘর আর বাহির সামলে নেওয়ার ব্যস্ততা সারাবছরই থাকে, তবে রোজার মাসে এই ব্যস্ততা যেন দ্বিগুণ হয়ে যায়। একদিকে অফিস আর যানজট, অন্যদিকে রান্নাঘর আর ইফতারের আয়োজন—এই দুইয়ের মাঝে সমন্বয় করতে করতেই একটা মাস চোখের পলকে কেটে যায় তাঁদের।
১৬ ঘণ্টা আগে
রমজান মাস মুসলমানদের জন্য আত্মশুদ্ধি ও আত্মসংযম চর্চার মাস। সারাবিশ্বের মুসলিমরা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সব ধরনের আহার থেকে বিরত থাকেন। রোজা রাখার ধর্মীয় দিকগুলো আমরা সবাই জানি, কিন্তু পুরো এক মাস টানা রোজা রাখলে আমাদের শরীরে ঠিক কী কী পরিবর্তন ঘটতে পারে, তা কি আমরা জানি?
২১ ঘণ্টা আগে
পাশ্চাত্য থেকে প্রাচ্য, সর্বত্র রয়েছে শরবতের চাহিদা। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন শরবত খাওয়ার রেওয়াজ শুরু হলো কবে থেকে?
২ দিন আগে
একটা বইয়ের দোকান হতে পারে শহরের চিন্তার আড্ডাখানা, তরুণদের বিতর্কের জায়গা, লেখকদের মিলনস্থল কিংবা কোনো বিপ্লবের নীরব সূচনা। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এমন কিছু বইয়ের দোকান আছে, যেগুলো শত বছর ধরে টিকে আছে ঝড়, যুদ্ধ, ভূমিকম্প আর সময়ের পরিবর্তনের মাঝেও। চলুন, ঘুরে আসি বিশ্বের পুরোনো ছয়টি বইয়ের দোকান থেকে
২ দিন আগে