স্ট্রিম সংবাদদাতা

পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার নাম পরিবর্তন করে পুনরায় ‘জিয়ানগর’ রাখা হয়েছে—এমন খবরে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন বিএনপির নেতারা। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় পিরোজপুর–১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে উপজেলা পরিষদ মোড় থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে জিয়ানগর বাজারে ব্যবসায়ী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
ইন্দুরকানী উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান নাম পরিবর্তনের তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করে বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ইন্দুরকানী উপজেলার নাম আবার ‘জিয়ানগর’ করার দাবি তোলে স্থানীয় জনসাধারণ। হাজার হাজার মানুষের সইসংবলিত আবেদন পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হয়। পরে বিষয়টি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে নেওয়া হয় এবং নিকার বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইন্দুরকানী উপজেলার নাম আবার ‘জিয়ানগর’ রাখার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়ে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তবে মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্যের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে ‘জিয়ানগর’ নাম ফিরে পাওয়ায় আয়োজিত আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফাইজুল কবির তালুকদার, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তানজিদ হাসান শাওন, জেলা যুবদলের সদস্য এস কে আল আমিন প্রমুখ।
জানা গেছে, বিএনপি–জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০২ সালের ২৭ মার্চ নিকার বৈঠকে ইন্দুরকানী থানাকে ‘জিয়ানগর উপজেলা’ নামকরণের প্রস্তাব অনুমোদন পায়। পরে ১৭ এপ্রিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে পত্তাশী, পাড়েরহাট ও বালিপাড়া ইউনিয়নের ৯২ দশমিক ৫৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে ‘জিয়ানগর’ নামে নতুন উপজেলা গঠন করা হয়। একই বছরের ২১ এপ্রিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া পিরোজপুর সফরকালে জিয়ানগর উপজেলার উদ্বোধন করেন।
এর আগে ১৯৮০ সালের ২৮ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর শাসনামলে ইন্দুরকানী নৌ থানাকে পূর্ণাঙ্গ থানায় রূপান্তর করা হয়। ইন্দুরকানীকে ‘জিয়ানগর’ নামকরণের বিষয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক প্রয়াত সংসদ সদস্য, জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী।
পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ৯ জানুয়ারি নিকার বৈঠকে নাম পরিবর্তন করে আবারও ‘ইন্দুরকানী’ করার অনুমোদন দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে গেজেট জারি করা হয়।

পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার নাম পরিবর্তন করে পুনরায় ‘জিয়ানগর’ রাখা হয়েছে—এমন খবরে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন বিএনপির নেতারা। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় পিরোজপুর–১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে উপজেলা পরিষদ মোড় থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে জিয়ানগর বাজারে ব্যবসায়ী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
ইন্দুরকানী উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান নাম পরিবর্তনের তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করে বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ইন্দুরকানী উপজেলার নাম আবার ‘জিয়ানগর’ করার দাবি তোলে স্থানীয় জনসাধারণ। হাজার হাজার মানুষের সইসংবলিত আবেদন পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হয়। পরে বিষয়টি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে নেওয়া হয় এবং নিকার বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইন্দুরকানী উপজেলার নাম আবার ‘জিয়ানগর’ রাখার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়ে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তবে মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্যের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে ‘জিয়ানগর’ নাম ফিরে পাওয়ায় আয়োজিত আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফাইজুল কবির তালুকদার, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তানজিদ হাসান শাওন, জেলা যুবদলের সদস্য এস কে আল আমিন প্রমুখ।
জানা গেছে, বিএনপি–জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০২ সালের ২৭ মার্চ নিকার বৈঠকে ইন্দুরকানী থানাকে ‘জিয়ানগর উপজেলা’ নামকরণের প্রস্তাব অনুমোদন পায়। পরে ১৭ এপ্রিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে পত্তাশী, পাড়েরহাট ও বালিপাড়া ইউনিয়নের ৯২ দশমিক ৫৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে ‘জিয়ানগর’ নামে নতুন উপজেলা গঠন করা হয়। একই বছরের ২১ এপ্রিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া পিরোজপুর সফরকালে জিয়ানগর উপজেলার উদ্বোধন করেন।
এর আগে ১৯৮০ সালের ২৮ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর শাসনামলে ইন্দুরকানী নৌ থানাকে পূর্ণাঙ্গ থানায় রূপান্তর করা হয়। ইন্দুরকানীকে ‘জিয়ানগর’ নামকরণের বিষয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক প্রয়াত সংসদ সদস্য, জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী।
পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ৯ জানুয়ারি নিকার বৈঠকে নাম পরিবর্তন করে আবারও ‘ইন্দুরকানী’ করার অনুমোদন দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে গেজেট জারি করা হয়।

চব্বিশে জুলাই-আগস্ট আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে গুলি ও দুজনকে হত্যা মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল আজ বুধবার (৪ মার্চ)। তবে প্রসিকিউশনের আবেদনে তা স্থগিত করা হয়েছে।
২২ মিনিট আগে
রাজধানীর শ্যামপুর থানার মীরহাজীরবাগ পাইপ রাস্তা এলাকার একটি বাসা থেকে লাকি আক্তার নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে
বর্ষীয়ান অভিনেতা বৈদ্যনাথ সাহা (৭৩) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বৈদ্যনাথ বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং অপর দুই কমিশনারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে তাদের এই পদত্যাগ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে