স্ট্রিম ডেস্ক

ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান অনেক সময়ই ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে আসে না; আসে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ, আত্মত্যাগ ও অভিজ্ঞতার গল্প থেকে। চব্বিশের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সেই জনতার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্র ‘জুলাই ডায়েরিজ’।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো একক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নির্মিত হয়েছে এই প্রামাণ্যচিত্র। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই নির্মাণযাত্রায় যুক্ত হয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অসংখ্য তরুণ-তরুণী। ক্যামেরার সামনে ও পেছনে তাঁদের অদম্য উৎসাহ, স্বেচ্ছাশ্রম ও জনসম্পৃক্ততার ভিত্তিতেই সম্পন্ন হয়েছে প্রতিটি ধাপ।
নির্মাতাদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাণ করা, যার বয়ান যেকোনো ক্ষমতাকাঠামো বা একক অর্থদাতার প্রভাবমুক্ত থাকবে। তাঁরা মনে করেন, একটি সমাজ তার ইতিহাসকে শুধু বইয়ের পাতায় নয়; শিল্প, সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়েও সংরক্ষণ করে। ‘জুলাই ডায়েরিজ’ সেই চলমান স্মৃতি সংরক্ষণেরই একটি বিনীত প্রয়াস। এর উদ্দেশ্য কেবল অতীতকে স্মরণ করা নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাষ্য পৌঁছে দেওয়া।
প্রামাণ্যচিত্রটির নির্মাতা লিখন দত্ত ও তাঁর দল প্রত্যাশা করছেন, এই ছবি কেবল প্রেক্ষাগৃহের গণ্ডিতে আটকে থাকবে না। এটি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, চলচ্চিত্র সংসদ, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে এবং নতুন রাজনৈতিক আলাপের সূত্র হয়ে উঠবে।
‘জুলাই ডায়েরিজ’ প্রামাণ্যচিত্রের নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে আছেন সাইদুল ইসলাম। এতে নেপথ্যকণ্ঠ দিয়েছেন মানজুর আল মতিন। ক্যামেরায় ছিলেন মিসবাহুল ইসলাম, দিপায়ন দেব ও তানভীর ইসলাম লিমন। লাইন প্রডিউসারের দায়িত্ব পালন করেছেন নুসরাত ফাতেমা।
এ ছাড়া ছবিটির টেকনিক্যাল সাপোর্টে যুবায়ের আহমেদ; রংবিন্যাসে সুদীপ্ত দাশগুপ্ত; সাউন্ড ডিজাইনে কাজী শামস; আবহসংগীতে ইয়াসির রামিত ও কাজী শামস; সম্পাদনায় লিখন দত্ত ও সুদীপ্ত দাশগুপ্ত এবং পোস্টার ডিজাইনে কাজ করেছেন রাজীব দত্ত।
ইতিহাস সংরক্ষণের এই স্বাধীন যাত্রার অংশ হতে এবং জনতার জুলাইয়ের গল্প ছড়িয়ে দিতে দর্শকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রামাণ্যচিত্রটির কলাকুশলীরা।

ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান অনেক সময়ই ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে আসে না; আসে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ, আত্মত্যাগ ও অভিজ্ঞতার গল্প থেকে। চব্বিশের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সেই জনতার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্র ‘জুলাই ডায়েরিজ’।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো একক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নির্মিত হয়েছে এই প্রামাণ্যচিত্র। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই নির্মাণযাত্রায় যুক্ত হয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অসংখ্য তরুণ-তরুণী। ক্যামেরার সামনে ও পেছনে তাঁদের অদম্য উৎসাহ, স্বেচ্ছাশ্রম ও জনসম্পৃক্ততার ভিত্তিতেই সম্পন্ন হয়েছে প্রতিটি ধাপ।
নির্মাতাদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাণ করা, যার বয়ান যেকোনো ক্ষমতাকাঠামো বা একক অর্থদাতার প্রভাবমুক্ত থাকবে। তাঁরা মনে করেন, একটি সমাজ তার ইতিহাসকে শুধু বইয়ের পাতায় নয়; শিল্প, সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়েও সংরক্ষণ করে। ‘জুলাই ডায়েরিজ’ সেই চলমান স্মৃতি সংরক্ষণেরই একটি বিনীত প্রয়াস। এর উদ্দেশ্য কেবল অতীতকে স্মরণ করা নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাষ্য পৌঁছে দেওয়া।
প্রামাণ্যচিত্রটির নির্মাতা লিখন দত্ত ও তাঁর দল প্রত্যাশা করছেন, এই ছবি কেবল প্রেক্ষাগৃহের গণ্ডিতে আটকে থাকবে না। এটি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, চলচ্চিত্র সংসদ, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে এবং নতুন রাজনৈতিক আলাপের সূত্র হয়ে উঠবে।
‘জুলাই ডায়েরিজ’ প্রামাণ্যচিত্রের নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে আছেন সাইদুল ইসলাম। এতে নেপথ্যকণ্ঠ দিয়েছেন মানজুর আল মতিন। ক্যামেরায় ছিলেন মিসবাহুল ইসলাম, দিপায়ন দেব ও তানভীর ইসলাম লিমন। লাইন প্রডিউসারের দায়িত্ব পালন করেছেন নুসরাত ফাতেমা।
এ ছাড়া ছবিটির টেকনিক্যাল সাপোর্টে যুবায়ের আহমেদ; রংবিন্যাসে সুদীপ্ত দাশগুপ্ত; সাউন্ড ডিজাইনে কাজী শামস; আবহসংগীতে ইয়াসির রামিত ও কাজী শামস; সম্পাদনায় লিখন দত্ত ও সুদীপ্ত দাশগুপ্ত এবং পোস্টার ডিজাইনে কাজ করেছেন রাজীব দত্ত।
ইতিহাস সংরক্ষণের এই স্বাধীন যাত্রার অংশ হতে এবং জনতার জুলাইয়ের গল্প ছড়িয়ে দিতে দর্শকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রামাণ্যচিত্রটির কলাকুশলীরা।
.png)

সংগঠক, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ৮৭তম জন্মদিন আজ। ১৯৩৯ সালের ২৫ জুলাই কলকাতার পার্ক সার্কাসে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা কলেজের পেছনের ছোট্ট এক মিলনায়তন কক্ষ থেকে শুরু হওয়া স্বপ্ন আজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী সাংস্কৃতিক-শিক্ষামূলক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তার নাম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।
৩ ঘণ্টা আগে
১৯৫১ সালে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় ব্যঙ্গপত্র অচলপত্র একটি কার্টুন প্রকাশ করেছিল। নাম ‘বেঙ্গলের হিরো’। সেখানে হাঁটতে থাকা একটি শিশুর মুখে বসানো হয়েছিল এক নবাগত অভিনেতার চেহারা। প্রেমিকার গলায় ঝুলে সে বলছে, ‘ডার্লিং, তুমি কি আমাকে ভালোবাসো?’ সেই মুখটি ছিল উত্তম কুমার চট্টোপাধ্যায়ের। যাকে আমরা চিনি ‘উত্তম
১৬ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদ রশিদুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রের রোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক। তিনি ব্রিটিশ শাসনামলের ভারত, পকিস্তান ও বাংলাদেশ নিয়ে বেশ কিছু প্রশংসিত গ্রন্থের লেখক। এক দশকেরও বেশি সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। এই নিবন্ধটি ২০২১ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত বই ‘আইডেন্টিটি অব আ মুসলিম ফ্যা
১৮ ঘণ্টা আগে