স্ট্রিম ডেস্ক

কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুর নয় বছর পূর্ণ হলো আজ ২১ আগস্ট। এই বিশেষ দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান।
পোস্টে শাকিব খান লেখেন, নায়করাজকে হারানোর শূন্যতা আজও তিনি সমানভাবে অনুভব করেন। তাঁর ভাষায়, রাজ্জাক শুধু একজন কিংবদন্তি নায়ক ছিলেন না, ছিলেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অভিভাবক, অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসার এক বিশাল আশ্রয়।
নিজের সঙ্গে নায়করাজের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও পোস্টে তুলে ধরেন শাকিব খান। তিনি জানান, রাজ্জাক তাঁর মাথার ওপর ছায়ার মতো ছিলেন—স্নেহ দিয়েছেন, আগলে রেখেছেন, পরামর্শ দিয়েছেন। দীর্ঘদিন দেখা না হলেও নায়করাজ কীভাবে যেন বুঝে যেতেন তিনি কেমন আছেন, কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। শাকিবের ভাষায়, তাঁকে হারানোর বেদনা নিজের অভিভাবক হারানোর মতোই ব্যক্তিগত।

স্ট্যাটাসের শেষ অংশে শাকিব খান লেখেন, নায়করাজ আজ নেই, কিন্তু তাঁর স্নেহ, শিক্ষা ও আশীর্বাদ এখনও তাঁর পথচলার অনুপ্রেরণা হয়ে আছে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র যতদিন থাকবে, ততদিন নায়করাজও দর্শকের হৃদয়ে অহংকার হয়ে থাকবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় প্রয়াত নায়ককে স্মরণ করে পোস্টটি শেষ করেন শাকিব খান।
উল্লেখ্য, ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি কলকাতায় জন্ম নেওয়া আব্দুর রাজ্জাক ষাটের দশকে ঢাকায় এসে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন এবং পরবর্তী পাঁচ দশকে হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা। পাঁচবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া রাজ্জাক ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চলচ্চিত্রাঙ্গনের বিভিন্ন অভিনয়শিল্পী ও ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শ্রদ্ধা জানিয়ে যাচ্ছেন।

কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুর নয় বছর পূর্ণ হলো আজ ২১ আগস্ট। এই বিশেষ দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান।
পোস্টে শাকিব খান লেখেন, নায়করাজকে হারানোর শূন্যতা আজও তিনি সমানভাবে অনুভব করেন। তাঁর ভাষায়, রাজ্জাক শুধু একজন কিংবদন্তি নায়ক ছিলেন না, ছিলেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অভিভাবক, অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসার এক বিশাল আশ্রয়।
নিজের সঙ্গে নায়করাজের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও পোস্টে তুলে ধরেন শাকিব খান। তিনি জানান, রাজ্জাক তাঁর মাথার ওপর ছায়ার মতো ছিলেন—স্নেহ দিয়েছেন, আগলে রেখেছেন, পরামর্শ দিয়েছেন। দীর্ঘদিন দেখা না হলেও নায়করাজ কীভাবে যেন বুঝে যেতেন তিনি কেমন আছেন, কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। শাকিবের ভাষায়, তাঁকে হারানোর বেদনা নিজের অভিভাবক হারানোর মতোই ব্যক্তিগত।

স্ট্যাটাসের শেষ অংশে শাকিব খান লেখেন, নায়করাজ আজ নেই, কিন্তু তাঁর স্নেহ, শিক্ষা ও আশীর্বাদ এখনও তাঁর পথচলার অনুপ্রেরণা হয়ে আছে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র যতদিন থাকবে, ততদিন নায়করাজও দর্শকের হৃদয়ে অহংকার হয়ে থাকবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় প্রয়াত নায়ককে স্মরণ করে পোস্টটি শেষ করেন শাকিব খান।
উল্লেখ্য, ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি কলকাতায় জন্ম নেওয়া আব্দুর রাজ্জাক ষাটের দশকে ঢাকায় এসে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন এবং পরবর্তী পাঁচ দশকে হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা। পাঁচবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া রাজ্জাক ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চলচ্চিত্রাঙ্গনের বিভিন্ন অভিনয়শিল্পী ও ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শ্রদ্ধা জানিয়ে যাচ্ছেন।
.png)

আজকের দিনে একটি ভাইরাল ভিডিও, একটি রিয়েলিটি শো কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কয়েকটি পোস্টই যথেষ্ট হতে পারে লাখো মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য। কিন্তু নায়ক রাজ্জাকের সময়ে এই শর্টকাটের কোনো সুযোগ ছিল না। দর্শক প্রথমে তাঁকে একটি চরিত্রে দেখতেন, তারপর আরেকটিতে, তারপর আরও একটিতে—আর এই পুনরাবৃত্তির ভেতর
২ ঘণ্টা আগে
১৯৬৪ সালে কলকাতা থেকে ঢাকায় এসে যে তরুণটি চলচ্চিত্রে জায়গা খুঁজছিলেন, মাত্র দুই বছরের মধ্যে তিনিই হয়ে উঠলেন ‘বেহুলা’র নায়ক। এরপর পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক অস্থিরতা, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলাদেশ, নতুন চলচ্চিত্রের ভাষা, বাণিজ্যিক সিনেমার উত্থান—সবকিছুর মধ্য দিয়েই রাজ্জাকের ক্যারিয়ার এগিয়েছে। প্রায়
৪ ঘণ্টা আগে
‘আশা ছিল ভালোবাসা ছিল’, ‘সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা’, ‘মেরে সপ্নো কি রানি’, ‘রূপ তেরা মস্তানা’ কিংবা ‘জিন্দেগি এক সফর হ্যায় সুহানা’—এমন অসংখ্য জনপ্রিয় গানের কণ্ঠশিল্পী বলিউডের কিংবদন্তি কিশোর কুমার। সময় বদলেছে, প্রজন্ম বদলেছে, কিন্তু তাঁর গান আজও মানুষের মনে একই রকম জনপ্রিয়। রোমান্টিক গানে যেমন শ্রোত