‘সাইবেরিয়ার তুষারপাতে সবুজ ফসল ফলবে না’—এই তথ্য তাসনিয়া ফারিণ গানে গানে জানালেও সেখানকার মানুষ সপ্তাহে কতদিন গোসল করেন তা নিয়ে কিছু বলেননি। এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজব এই লেখায়।
ফাবিহা বিনতে হক

শীত কমে আসতে শুরু করেছে। কয়েকদিন আগেও যেন সাইবেরিয়ার শীত এসে ভর করেছিল আমাদের শরীরে। সোয়েটারের বহর একটু বেশি হলেই বলতে শোনা যেত, ‘সাইবেরিয়া থেকে আসলে নাকি?’ এদিকে হাড়কাঁপানো শীতে গোসল করা সবচেয়ে বড় ঝক্কি। কয়দিন পরপর গোসল করা উচিত তা নিয়ে ফেসবুকে গবেষণাও দেখা গেছে। এমনকি উইন্টার লাভাররাও প্রতিদিন গোসল করার ঝামেলায় যেতে চান না।
কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন সাইবেরিয়ায় বসবাসকারী মানুষজন সপ্তাহে কয়দিন গোসল করেন? যেখানে তাপমাত্রা অঞ্চলভেদে হিমাঙ্কের নিচে ৩০ থেকে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়। ‘সাইবেরিয়ার তুষারপাতে সবুজ ফসল ফলবে না’—এই তথ্য তাসনিয়া ফারিণ গানে গানে জানালেও সেখানকার মানুষ সপ্তাহে কতদিন গোসল করেন তা নিয়ে কিছু বলেননি। এই ‘জটিল’ প্রশ্নের উত্তর খুঁজব এই লেখায়।
রাশিয়ার এই বরফশীতল অঞ্চলে মানুষ কীভাবে বসবাস করে, আর কীভাবেই বা গোসল করে—সেটি আমাদের কল্পনারও বাইরে। যে শীতে আমরা কাঁপতে কাঁপতে সোয়েটার খুঁজি, সেটি হয়ত তাপমাত্রার বিচারে তাঁদের কাছে উষ্ণ। সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রা আর গোসলের রীতি শুনলে আপনার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠবে।
সাইবেরিয়ার ওইমিয়াকন বা ইয়াকুতস্কের মতো দূরবর্তী গ্রামাঞ্চলে মানুষ আমাদের মতো প্রতিদিন গোসল করেন না। সেখানকার বাসিন্দারা সাধারণত সপ্তাহে মাত্র একদিন বা কয়েকদিন পরপর গোসল করেন। এর পেছনে অবশ্য যৌক্তিক কারণও আছে।
আমাদের মতো ট্যাপ ঘোরালেই সেখানে পানি পড়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, এত কম তাপমাত্রায় মাটির নিচ দিয়ে যাওয়া পানির পাইপ মুহূর্তেই জমে ফেটে যায়। তাই ওইমিয়াকন বা এর আশেপাশের গ্রামে আধুনিক প্লাম্বিং ব্যবস্থার কোনো সুযোগ নেই। যদিও শহরের দিকে এই চিত্র কিছুটা ভিন্ন। ওইমিয়াকন ও আশেপাশের গ্রামগুলোর মানুষকে পানির জন্য নির্ভর করতে হয় নদী বা হ্রদের বরফের ওপর। জমে যাওয়া নদী থেকে বিশাল বিশাল বরফের চাঁই কেটে, সেগুলোকে স্লেজ গাড়িতে বা ট্রাক্টরে করে বাড়িতে আনতে হয়।

এরপর সেই শক্ত বরফ ঘরের উষ্ণতায় গলিয়ে পানি তৈরি করতে হয়। এক বালতি ব্যবহারের পানি তৈরি করতেই যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরিশ্রম করতে হয়, সেখানে প্রতিদিন গোসলের জন্য এত বিপুল পরিমাণ পানি খরচ করা বা জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব।
এছাড়া তাঁদের এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যগত কারণও রয়েছে। সাইবেরিয়ার বাতাস অত্যন্ত শুষ্ক। এমন আবহাওয়ায় প্রতিদিন গরম পানি ও সাবান দিয়ে গোসল করলে ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যার ফলে ত্বক ফেটে যাওয়া, র্যাশ বা একজিমার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তবে গোসল না করলেও শরীর পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য তাঁদের নিজস্ব কিছু পদ্ধতি রয়েছে, যা বেশ বিজ্ঞানসম্মত। গোসল ছাড়াই নিজেদের পরিচ্ছন্ন রাখেন ‘স্পঞ্জ বাথ’ বা শরীর মোছার মাধ্যমে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বা দিনের নির্দিষ্ট সময়ে এক মগ গরম পানিতে তোয়ালে বা কাপড় ভিজিয়ে শরীর মুছে নেন। এখানকার স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন, সপ্তাহে একদিন বাষ্প স্নান বা স্টিম বাথ শরীরের ময়লা দূর করার জন্য যথেষ্ট।
সাইবেরিয়ার স্থানীয়রা যে স্থানটিতে গোসল করেন সেটি কোনো সাধারণ স্নানাগার নয়। স্থানীয় ভাষায় এই ঐতিহ্যবাহী স্নানাগারকে বলা হয় ‘বানিয়া’। এটি মূলত কাঠের তৈরি একটি ছোট ঘর, যা বাড়ির বাইরে আলাদা করে বানানো থাকে। গোসলের দিন প্রচুর কাঠ পুড়িয়ে এই ঘরটিকে প্রচণ্ড গরম করা হয়। ঘরের এক কোণে থাকে বিশেষ পাথর। আগুনের তাপে পাথরগুলো যখন লালচে হয়ে ওঠে, তখন তার ওপর পানি ঢেলে তৈরি করা হয় প্রচুর বাষ্প।
বাইরের তাপমাত্রা যখন মাইনাস ৫০, তখন বানিয়ার ভেতরের তাপমাত্রা থাকে প্রায় ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই বাষ্প ওঠা প্রচণ্ড উষ্ণ ঘরে তাঁরা দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকেন শরীর ঘামানোর জন্য। গোসলের এই রীতি শুনে ভাবছেন এই বুঝি গায়ে পানি ঢেলে গোসল করে তাঁরা। কিন্তু ‘পিকচার আভি বাকি হ্যা’।

বানিয়াতে গোসলের সবচেয়ে অদ্ভুত ও রোমাঞ্চকর অংশ হলো গাছের ডাল দিয়ে শরীর পেটানো। শুকনো বার্চ বা ওক গাছের ডাল দিয়ে তৈরি এক ধরনের ঝাড়ু বা আঁটি, যাকে তাঁরা ‘ভেনিক’ বলে, তা গরম পানিতে ভিজিয়ে নিজেদের শরীরে জোরে জোরে আঘাত করেন বা মাসাজ করেন। শুনতে বেদনাদায়ক মনে হলেও, সাইবেরিয়ার প্রচণ্ড ঠান্ডায় এই বেদনাও তাঁদের কাছে অত্যন্ত আরামদায়ক।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, প্রচণ্ড গরমে শরীর থেকে ঘাম ঝরিয়ে এবং ডালের আঘাতে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে তাঁরা শরীরকে বিষমুক্ত বা ডিটক্স করেন। এটি তাঁদের হাজার বছরের পুরোনো ঐতিহ্য, যা ছাড়া গোসল অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তবে চিকিৎসকেরা বলেন, হঠাৎ খুব ঠান্ডা পানিতে নামা সবার জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে, রক্তচাপজনিত সমস্যা থাকলে বিশেষ সতর্কতা জরুরি।
উত্তপ্ত বানিয়া থেকে বের হয়েই তাঁরা যা করেন, তা দেখলে আপনি অবাক বনে যাবেন। স্টিম বাথ বা বাষ্প স্নান শেষ করেই দৌড়ে বাইরে গিয়ে বরফশীতল পানিতে ঝাঁপ দেন অথবা তুষারের ওপর গড়াগড়ি খান। একে বলা হয় ‘কনট্রাস্ট বাথ’। স্থানীয়দের বিশ্বাস, ফুটন্ত গরম ঘর থেকে সোজা হিমাঙ্কের নিচে; তাপমাত্রার এই বিশাল পার্থক্য তাঁদের শরীরকে চাঙ্গা করে তোলে। তাঁরা মনে করেন, এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, ত্বক টানটান থাকে এবং শরীরে বয়সের ছাপ পড়ে না। শিশু থেকে বৃদ্ধ, বয়স যাই হোক না কেন, গোসল সারবার জন্য সাইবেরিয়ায় বসবাসকারী প্রায় সবাইকে এই সাহসী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

শীত কমে আসতে শুরু করেছে। কয়েকদিন আগেও যেন সাইবেরিয়ার শীত এসে ভর করেছিল আমাদের শরীরে। সোয়েটারের বহর একটু বেশি হলেই বলতে শোনা যেত, ‘সাইবেরিয়া থেকে আসলে নাকি?’ এদিকে হাড়কাঁপানো শীতে গোসল করা সবচেয়ে বড় ঝক্কি। কয়দিন পরপর গোসল করা উচিত তা নিয়ে ফেসবুকে গবেষণাও দেখা গেছে। এমনকি উইন্টার লাভাররাও প্রতিদিন গোসল করার ঝামেলায় যেতে চান না।
কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন সাইবেরিয়ায় বসবাসকারী মানুষজন সপ্তাহে কয়দিন গোসল করেন? যেখানে তাপমাত্রা অঞ্চলভেদে হিমাঙ্কের নিচে ৩০ থেকে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়। ‘সাইবেরিয়ার তুষারপাতে সবুজ ফসল ফলবে না’—এই তথ্য তাসনিয়া ফারিণ গানে গানে জানালেও সেখানকার মানুষ সপ্তাহে কতদিন গোসল করেন তা নিয়ে কিছু বলেননি। এই ‘জটিল’ প্রশ্নের উত্তর খুঁজব এই লেখায়।
রাশিয়ার এই বরফশীতল অঞ্চলে মানুষ কীভাবে বসবাস করে, আর কীভাবেই বা গোসল করে—সেটি আমাদের কল্পনারও বাইরে। যে শীতে আমরা কাঁপতে কাঁপতে সোয়েটার খুঁজি, সেটি হয়ত তাপমাত্রার বিচারে তাঁদের কাছে উষ্ণ। সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রা আর গোসলের রীতি শুনলে আপনার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠবে।
সাইবেরিয়ার ওইমিয়াকন বা ইয়াকুতস্কের মতো দূরবর্তী গ্রামাঞ্চলে মানুষ আমাদের মতো প্রতিদিন গোসল করেন না। সেখানকার বাসিন্দারা সাধারণত সপ্তাহে মাত্র একদিন বা কয়েকদিন পরপর গোসল করেন। এর পেছনে অবশ্য যৌক্তিক কারণও আছে।
আমাদের মতো ট্যাপ ঘোরালেই সেখানে পানি পড়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, এত কম তাপমাত্রায় মাটির নিচ দিয়ে যাওয়া পানির পাইপ মুহূর্তেই জমে ফেটে যায়। তাই ওইমিয়াকন বা এর আশেপাশের গ্রামে আধুনিক প্লাম্বিং ব্যবস্থার কোনো সুযোগ নেই। যদিও শহরের দিকে এই চিত্র কিছুটা ভিন্ন। ওইমিয়াকন ও আশেপাশের গ্রামগুলোর মানুষকে পানির জন্য নির্ভর করতে হয় নদী বা হ্রদের বরফের ওপর। জমে যাওয়া নদী থেকে বিশাল বিশাল বরফের চাঁই কেটে, সেগুলোকে স্লেজ গাড়িতে বা ট্রাক্টরে করে বাড়িতে আনতে হয়।

এরপর সেই শক্ত বরফ ঘরের উষ্ণতায় গলিয়ে পানি তৈরি করতে হয়। এক বালতি ব্যবহারের পানি তৈরি করতেই যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরিশ্রম করতে হয়, সেখানে প্রতিদিন গোসলের জন্য এত বিপুল পরিমাণ পানি খরচ করা বা জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব।
এছাড়া তাঁদের এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যগত কারণও রয়েছে। সাইবেরিয়ার বাতাস অত্যন্ত শুষ্ক। এমন আবহাওয়ায় প্রতিদিন গরম পানি ও সাবান দিয়ে গোসল করলে ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যার ফলে ত্বক ফেটে যাওয়া, র্যাশ বা একজিমার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তবে গোসল না করলেও শরীর পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য তাঁদের নিজস্ব কিছু পদ্ধতি রয়েছে, যা বেশ বিজ্ঞানসম্মত। গোসল ছাড়াই নিজেদের পরিচ্ছন্ন রাখেন ‘স্পঞ্জ বাথ’ বা শরীর মোছার মাধ্যমে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বা দিনের নির্দিষ্ট সময়ে এক মগ গরম পানিতে তোয়ালে বা কাপড় ভিজিয়ে শরীর মুছে নেন। এখানকার স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন, সপ্তাহে একদিন বাষ্প স্নান বা স্টিম বাথ শরীরের ময়লা দূর করার জন্য যথেষ্ট।
সাইবেরিয়ার স্থানীয়রা যে স্থানটিতে গোসল করেন সেটি কোনো সাধারণ স্নানাগার নয়। স্থানীয় ভাষায় এই ঐতিহ্যবাহী স্নানাগারকে বলা হয় ‘বানিয়া’। এটি মূলত কাঠের তৈরি একটি ছোট ঘর, যা বাড়ির বাইরে আলাদা করে বানানো থাকে। গোসলের দিন প্রচুর কাঠ পুড়িয়ে এই ঘরটিকে প্রচণ্ড গরম করা হয়। ঘরের এক কোণে থাকে বিশেষ পাথর। আগুনের তাপে পাথরগুলো যখন লালচে হয়ে ওঠে, তখন তার ওপর পানি ঢেলে তৈরি করা হয় প্রচুর বাষ্প।
বাইরের তাপমাত্রা যখন মাইনাস ৫০, তখন বানিয়ার ভেতরের তাপমাত্রা থাকে প্রায় ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই বাষ্প ওঠা প্রচণ্ড উষ্ণ ঘরে তাঁরা দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকেন শরীর ঘামানোর জন্য। গোসলের এই রীতি শুনে ভাবছেন এই বুঝি গায়ে পানি ঢেলে গোসল করে তাঁরা। কিন্তু ‘পিকচার আভি বাকি হ্যা’।

বানিয়াতে গোসলের সবচেয়ে অদ্ভুত ও রোমাঞ্চকর অংশ হলো গাছের ডাল দিয়ে শরীর পেটানো। শুকনো বার্চ বা ওক গাছের ডাল দিয়ে তৈরি এক ধরনের ঝাড়ু বা আঁটি, যাকে তাঁরা ‘ভেনিক’ বলে, তা গরম পানিতে ভিজিয়ে নিজেদের শরীরে জোরে জোরে আঘাত করেন বা মাসাজ করেন। শুনতে বেদনাদায়ক মনে হলেও, সাইবেরিয়ার প্রচণ্ড ঠান্ডায় এই বেদনাও তাঁদের কাছে অত্যন্ত আরামদায়ক।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, প্রচণ্ড গরমে শরীর থেকে ঘাম ঝরিয়ে এবং ডালের আঘাতে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে তাঁরা শরীরকে বিষমুক্ত বা ডিটক্স করেন। এটি তাঁদের হাজার বছরের পুরোনো ঐতিহ্য, যা ছাড়া গোসল অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তবে চিকিৎসকেরা বলেন, হঠাৎ খুব ঠান্ডা পানিতে নামা সবার জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে, রক্তচাপজনিত সমস্যা থাকলে বিশেষ সতর্কতা জরুরি।
উত্তপ্ত বানিয়া থেকে বের হয়েই তাঁরা যা করেন, তা দেখলে আপনি অবাক বনে যাবেন। স্টিম বাথ বা বাষ্প স্নান শেষ করেই দৌড়ে বাইরে গিয়ে বরফশীতল পানিতে ঝাঁপ দেন অথবা তুষারের ওপর গড়াগড়ি খান। একে বলা হয় ‘কনট্রাস্ট বাথ’। স্থানীয়দের বিশ্বাস, ফুটন্ত গরম ঘর থেকে সোজা হিমাঙ্কের নিচে; তাপমাত্রার এই বিশাল পার্থক্য তাঁদের শরীরকে চাঙ্গা করে তোলে। তাঁরা মনে করেন, এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, ত্বক টানটান থাকে এবং শরীরে বয়সের ছাপ পড়ে না। শিশু থেকে বৃদ্ধ, বয়স যাই হোক না কেন, গোসল সারবার জন্য সাইবেরিয়ায় বসবাসকারী প্রায় সবাইকে এই সাহসী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

দোহারের ইকরাশি গ্রামের শান্তি রানী পাল। বয়স ৯২ বছর। বয়সের ভারে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন। চোখের আলো কমে গেছে, গলার স্বরও ভেঙে গেছে; তবু সংসারের চাকাকে সচল রাখতে আদি পেশা হিসেবে কুমারের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
১৬ ঘণ্টা আগে
জেনে অবাক হবেন যে শত বছর আগে বৃহত্তর বগুড়া অঞ্চলে বন্যপ্রাণী বাস করত। কোন কোন বন্যপ্রাণী ও পাখি সেখানে ছিল? নদী, জলাভূমি ও পুকুরে কী কী মাছ পাওয়া যেত? ১৯১০ সালে প্রকাশিত জে এন গুপ্ত-এর পূর্ববঙ্গ ও আসামের ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার (বগুড়া) থেকে অনুবাদ করেছেন ভূ-পর্যটক তারেক অণু।
১৮ ঘণ্টা আগে
আজ ২৫ জানুয়ারি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মদিন। সাহিত্যিক হিসেবে সাহিত্য-পরিসরে শতবর্ষ পরেও তিনি বেঁচে আছেন সক্রিয়তার ভেতর দিয়েই। এও সত্য যে, তাঁকে নিয়ে তাঁর কালেই তো বেশ জোরজারের সাথে চর্চা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ধুন্ধুমারভাবে প্রভাবিত করে গেছেন বিচিত্র ধারার সাহিত্যের লোকজনকে। এসবের পরও সেইকালে মধুসূদন
১ দিন আগে
হাতে বই কিংবা অফিসের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে মনোযোগ ধরে রাখার চেষ্টা করলেও কিছুক্ষণ পরই চোখ চলে যায় স্মার্টফোনে। সিনেমা দেখতে বসেও কয়েক মিনিটের মধ্যে অন্য কনটেন্টে চলে যাওয়ার অভ্যাস এখন পরিচিত দৃশ্য। এই অস্থির মনোযোগ ও দ্রুত বিষয় বদলের প্রবণতাকেই আধুনিক মনোবিজ্ঞানে বলা হচ্ছে ‘পপকর্ন ব্রেইন’।
২ দিন আগে