তথ্যসূত্র:

দুনিয়াজুড়েই আগের মতো এখন আর চাকরির জগৎ স্থির নেই। প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং পরিবেশবান্ধব অর্থনীতির কারণে চাকরির ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে চাকরিতে টিকে থাকতে হলে নতুন নতুন দক্ষতা শেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এখন অনেক কাজেই এআই ও অটোমেশন ব্যবহার হচ্ছে। এআই দিয়ে রিপোর্ট ঠিক করা, ডেটা বিশ্লেষণ বা বিভিন্ন কনটেন্ট তৈরি করা সম্ভব। গবেষণা বলছে, ভবিষ্যতে এআই প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টার কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করে দিতে পারবে।
এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী রিমোট বা হাইব্রিড কাজও বেড়েছে। অনেক কর্মী এখন অফিসে না গিয়ে ঘরে বসেই কাজ করেন। তাই সময় ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ এবং দলগত কাজের দক্ষতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে টিকে থাকতে কিছু দক্ষতা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যেমন—
প্রযুক্তিগত দক্ষতা এখন প্রায় সব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ কাজের জায়গায় প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। তাই প্রযুক্তি সম্পর্কে কিছু মৌলিক দক্ষতা জানা এখন অনেক চাকরির জন্যই প্রয়োজন। যেমন সাইবার নিরাপত্তা। যার মাধ্যমে হ্যাকিং বা ডেটা চুরির মতো সমস্যা থেকে তথ্য সুরক্ষিত রাখা যায়।
আবার ডেটা বিশ্লেষণ খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়। বর্তমানে জেনারেটিভ এআই–এর ব্যবহারও বাড়ছে। এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে লেখা, ছবি বা বিজ্ঞাপনসহ নানা ধরনের কনটেন্ট তৈরি করা যায়।
পাশাপাশি মেশিন লার্নিংয়ের মতো প্রযুক্তি কম্পিউটারকে এমনভাবে কাজ করতে শেখায়, যাতে এটি নিজেই তথ্য বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
ব্যবসা ও করপোরেট ক্ষেত্রেও কিছু বিশেষ দক্ষতার চাহিদা বাড়ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো বিশ্লেষণী চিন্তা, যা জটিল সমস্যা বুঝে যুক্তিসঙ্গত সমাধান খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। বিজনেস অ্যানালিটিক্সের মাধ্যমে বিভিন্ন ডেটা ব্যবহার করে ব্যবসার উন্নতির পরিকল্পনা করা যায়।
একই সঙ্গে ডিজিটাল মার্কেটিং এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি দক্ষতা, কারণ অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা প্রচার করা এখন অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কৌশল। আর প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট দক্ষতা একজনকে একটি কাজ বা প্রকল্প পরিকল্পনা করে সঠিকভাবে শেষ করতে সাহায্য করে।
তবে প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক, মানুষের সঙ্গে কাজ করার দক্ষতার গুরুত্ব কমে না। কর্মক্ষেত্রে সফল হতে হলে পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা থাকতে হয় এবং নতুন কিছু শেখার আগ্রহ রাখতে হয়। পাশাপাশি যোগাযোগ দক্ষতাও গুরুত্বপূর্ণ, যাতে নিজের কথা পরিষ্কারভাবে বলা বা লেখা যায়। নেতৃত্বের দক্ষতাও জরুরি, কারণ একটি দলকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করাতে পারলে কাজের ফল ভালো হয়।
তাই ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে টিকে থাকতে শুধু একটি বিষয়ে দক্ষ হলেই হবে না; প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা, বিশ্লেষণী চিন্তা এবং মানুষের সঙ্গে ভালোভাবে কাজ করার ক্ষমতা—এই তিনটি বিষয়ই আগামী দিনের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে।

দুনিয়াজুড়েই আগের মতো এখন আর চাকরির জগৎ স্থির নেই। প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং পরিবেশবান্ধব অর্থনীতির কারণে চাকরির ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে চাকরিতে টিকে থাকতে হলে নতুন নতুন দক্ষতা শেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এখন অনেক কাজেই এআই ও অটোমেশন ব্যবহার হচ্ছে। এআই দিয়ে রিপোর্ট ঠিক করা, ডেটা বিশ্লেষণ বা বিভিন্ন কনটেন্ট তৈরি করা সম্ভব। গবেষণা বলছে, ভবিষ্যতে এআই প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টার কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করে দিতে পারবে।
এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী রিমোট বা হাইব্রিড কাজও বেড়েছে। অনেক কর্মী এখন অফিসে না গিয়ে ঘরে বসেই কাজ করেন। তাই সময় ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ এবং দলগত কাজের দক্ষতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে টিকে থাকতে কিছু দক্ষতা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যেমন—
প্রযুক্তিগত দক্ষতা এখন প্রায় সব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ কাজের জায়গায় প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। তাই প্রযুক্তি সম্পর্কে কিছু মৌলিক দক্ষতা জানা এখন অনেক চাকরির জন্যই প্রয়োজন। যেমন সাইবার নিরাপত্তা। যার মাধ্যমে হ্যাকিং বা ডেটা চুরির মতো সমস্যা থেকে তথ্য সুরক্ষিত রাখা যায়।
আবার ডেটা বিশ্লেষণ খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়। বর্তমানে জেনারেটিভ এআই–এর ব্যবহারও বাড়ছে। এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে লেখা, ছবি বা বিজ্ঞাপনসহ নানা ধরনের কনটেন্ট তৈরি করা যায়।
পাশাপাশি মেশিন লার্নিংয়ের মতো প্রযুক্তি কম্পিউটারকে এমনভাবে কাজ করতে শেখায়, যাতে এটি নিজেই তথ্য বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
ব্যবসা ও করপোরেট ক্ষেত্রেও কিছু বিশেষ দক্ষতার চাহিদা বাড়ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো বিশ্লেষণী চিন্তা, যা জটিল সমস্যা বুঝে যুক্তিসঙ্গত সমাধান খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। বিজনেস অ্যানালিটিক্সের মাধ্যমে বিভিন্ন ডেটা ব্যবহার করে ব্যবসার উন্নতির পরিকল্পনা করা যায়।
একই সঙ্গে ডিজিটাল মার্কেটিং এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি দক্ষতা, কারণ অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা প্রচার করা এখন অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কৌশল। আর প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট দক্ষতা একজনকে একটি কাজ বা প্রকল্প পরিকল্পনা করে সঠিকভাবে শেষ করতে সাহায্য করে।
তবে প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক, মানুষের সঙ্গে কাজ করার দক্ষতার গুরুত্ব কমে না। কর্মক্ষেত্রে সফল হতে হলে পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা থাকতে হয় এবং নতুন কিছু শেখার আগ্রহ রাখতে হয়। পাশাপাশি যোগাযোগ দক্ষতাও গুরুত্বপূর্ণ, যাতে নিজের কথা পরিষ্কারভাবে বলা বা লেখা যায়। নেতৃত্বের দক্ষতাও জরুরি, কারণ একটি দলকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করাতে পারলে কাজের ফল ভালো হয়।
তাই ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে টিকে থাকতে শুধু একটি বিষয়ে দক্ষ হলেই হবে না; প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা, বিশ্লেষণী চিন্তা এবং মানুষের সঙ্গে ভালোভাবে কাজ করার ক্ষমতা—এই তিনটি বিষয়ই আগামী দিনের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে।
.png)
চিত্রশিল্পী তৌহিন হাসান ঘুরে দেখেছেন দেশ-বিদেশের বিখ্যাত সব আর্ট মিউজিয়াম ও আর্ট গ্যালারি। প্রতিটি সংগ্রহশালায় ক্যানভাস থেকে ক্যানভাসে তিনি খুঁজেছেন শিল্পের ভাষা; রঙ, আলো আর তুলির আঁচড়ে অনুভব করেছেন শিল্পীদের জীবন, সময় ও সৃষ্টির গল্প। সেই শিল্পভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে শুরু হলো নতুন ধারাবাহিক ‘আর্ট মিউজ
৩ ঘণ্টা আগে
ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
২৫ জুলাই ২০২৬
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
২৫ জুলাই ২০২৬
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
২৫ জুলাই ২০২৬