স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনার দ্বিতীয় ধাপে অংশ নিতে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে এসে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে তাঁর বৈঠক করার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানি গণমাধ্যম জিও নিউজ।
বৈঠকটি মূলত ‘যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ বন্ধ এবং এই অঞ্চলে শান্তি পুনরুদ্ধারে’ পাকিস্তানের চলমান মধ্যস্থতা ও প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
তিনি আজ ভোরে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা এক টুইটে লিখেছেন, ‘আমাদের প্রতিনিধি একটি সরকারি সফরে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, যা আমাদের অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত আগ্রাসী যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পাকিস্তানের চলমান মধ্যস্থতা ও সদিচ্ছামূলক উদ্যোগের অংশ।’
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো বৈঠক হওয়ার পরিকল্পনা নেই উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘ইরানের পর্যবেক্ষণগুলো পাকিস্তানের মাধ্যমে জানানো হবে।’
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, আরাগচি শুক্রবার থেকে পাকিস্তান, ওমান এবং রাশিয়া—এই তিন দেশ সফরে বের হবেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরানা জানায়, ‘এই সফরের উদ্দেশ্য হলো দ্বিপাক্ষিক পরামর্শ এবং অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা।’
এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে ইরানের সঙ্গে নতুন দফার আলোচনার জন্য মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার শনিবার পাকিস্তানে যাবেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট ফক্স নিউজকে বলেন, ‘আমি নিশ্চিত করছি যে বিশেষ দূত উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার আলোচনার জন্য আগামীকাল সকালে আবারও পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হবেন।’
লেভিট আরও জানান, জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকলেও আপাতত তিনি যাচ্ছেন না। তবে প্রয়োজনে যেকোনো সময় সবাই সেখানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবেন। সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার আগে একটি মার্কিন লজিস্টিক ও নিরাপত্তা দল ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদে অবস্থান করছে।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি নিয়ে উভয় পক্ষ একমত হতে না পারায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানজুড়ে হামলা চালানোর পর তেহরান ওই জলপথ বন্ধ করে দেয় এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালায়।
পরে ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করেন এবং ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে প্রথম দফার আলোচনার ব্যবস্থা করেন। তবে সেই আলোচনা কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি বন্দরে নৌ-অবরোধের ঘোষণা দেন।
যদিও ইরান ১৭ এপ্রিল হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়েছিল, কিন্তু মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে ১৮ এপ্রিল তারা পুনরায় এটি বন্ধ করে দেয়। এই বৈরিতার মধ্যেও ইসলামাবাদ দুই পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে। গত ২২ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেন, পাকিস্তানের অনুরোধে তিনি যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধি করছেন, যাতে ইরানি নেতারা একটি সমন্বিত প্রস্তাব পেশ করতে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনার দ্বিতীয় ধাপে অংশ নিতে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে এসে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে তাঁর বৈঠক করার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানি গণমাধ্যম জিও নিউজ।
বৈঠকটি মূলত ‘যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ বন্ধ এবং এই অঞ্চলে শান্তি পুনরুদ্ধারে’ পাকিস্তানের চলমান মধ্যস্থতা ও প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
তিনি আজ ভোরে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা এক টুইটে লিখেছেন, ‘আমাদের প্রতিনিধি একটি সরকারি সফরে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, যা আমাদের অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত আগ্রাসী যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পাকিস্তানের চলমান মধ্যস্থতা ও সদিচ্ছামূলক উদ্যোগের অংশ।’
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো বৈঠক হওয়ার পরিকল্পনা নেই উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘ইরানের পর্যবেক্ষণগুলো পাকিস্তানের মাধ্যমে জানানো হবে।’
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, আরাগচি শুক্রবার থেকে পাকিস্তান, ওমান এবং রাশিয়া—এই তিন দেশ সফরে বের হবেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরানা জানায়, ‘এই সফরের উদ্দেশ্য হলো দ্বিপাক্ষিক পরামর্শ এবং অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা।’
এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে ইরানের সঙ্গে নতুন দফার আলোচনার জন্য মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার শনিবার পাকিস্তানে যাবেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট ফক্স নিউজকে বলেন, ‘আমি নিশ্চিত করছি যে বিশেষ দূত উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার আলোচনার জন্য আগামীকাল সকালে আবারও পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হবেন।’
লেভিট আরও জানান, জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকলেও আপাতত তিনি যাচ্ছেন না। তবে প্রয়োজনে যেকোনো সময় সবাই সেখানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবেন। সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার আগে একটি মার্কিন লজিস্টিক ও নিরাপত্তা দল ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদে অবস্থান করছে।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি নিয়ে উভয় পক্ষ একমত হতে না পারায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানজুড়ে হামলা চালানোর পর তেহরান ওই জলপথ বন্ধ করে দেয় এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালায়।
পরে ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করেন এবং ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে প্রথম দফার আলোচনার ব্যবস্থা করেন। তবে সেই আলোচনা কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি বন্দরে নৌ-অবরোধের ঘোষণা দেন।
যদিও ইরান ১৭ এপ্রিল হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়েছিল, কিন্তু মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে ১৮ এপ্রিল তারা পুনরায় এটি বন্ধ করে দেয়। এই বৈরিতার মধ্যেও ইসলামাবাদ দুই পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে। গত ২২ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেন, পাকিস্তানের অনুরোধে তিনি যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধি করছেন, যাতে ইরানি নেতারা একটি সমন্বিত প্রস্তাব পেশ করতে পারেন।

ইরানের সঙ্গে সরাসরি শান্তি আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারকে ইসলামাবাদ পাঠাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ট্রাম্প প্রশাসনের দুজন কর্মকর্তা সিএনএনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
১১ ঘণ্টা আগে
বিশ্লেষকরা বলছেন, অবরোধে ইরান কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই সংকট সহ্য করার রাজনৈতিক ক্ষমতা দেশটির রয়েছে। গত মাসে উচ্চ মূল্যের কারণে ইরান তেলের বাজারে ভালো করেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধে প্রত্যাশিত সমর্থন না পাওয়ায় ন্যাটো মিত্রদের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়ে ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগনের একটি গোপন অভ্যন্তরীণ ই-মেইলে এ নিয়ে একাধিক কঠোর পদক্ষেপের প্রস্তাব আলোচনা হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।
১২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) পাকিস্তানের সরকারি সূত্রের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসলামাবাদে দুই দেশের আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতির ‘উচ্চ সম্ভাবনা’ রয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে