স্ট্রিম ডেস্ক

চীনের সেনাবাহিনীতে শুদ্ধি অভিযান চালাচ্ছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বিশেষ করে শীর্ষ জেনারেলদের মধ্যে তিনি দুর্নীতিবিরোধী ‘শুদ্ধি’ অভিযান চালাচ্ছেন। এই অভিযানের সর্বশেষ ঘটনা হলো দেশটির প্রভাবশালী শীর্ষ জেনারেল ঝাং ইউকসিয়ার অপসারণ।
এদিকে, তার অপসারণে দুশ্চিন্তায় পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। চীনের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের সেতু হিসেবে ইউকসিয়া কাজ করতেন। তাঁর অপসারণে সেই যোগাযোগে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকরা।
আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউকসিয়ার পতনের মাধ্যমে বেইজিংয়ের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে বেইজিংয়ের পিপলস লিবারেশন আর্মিও (পিএলএ) একজন অভিজ্ঞ কমান্ডারের সংকটে পড়েছে।
এর আগে গত শনিবার চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সেকেন্ড ইন কমান্ড, সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের (সিএমসি) ভাইস চেয়ারম্যান ঝাং ইউকসিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। এটিই ছিল দেশটির শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শি’র দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের সর্বশেষ ঘটনা।
এদিকে, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, চীনের পিএলএ-তে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে বেশ টানাপোড়েন চলছে বলে ধারণা। কারণ ঝাং ইউকসিয়ার আগে আরেক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল লিউ ঝেনলিকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এসব ঘটনার পর দেশটির অভিজাত শ্রেণি ক্ষমতার লড়াই নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। পাশাপাশি ইউকসিয়ার অপসারণ যুদ্ধক্ষেত্রে পিএলএ’র সক্ষমতায় কীভাবে প্রভাবিত করবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে চীনের সামর্থ্য নিয়েও।
অন্যদিকে, ওয়াশিংটনের জন্য ঝাং ইউকসিয়ার অপসারণ বড় এক বিস্ময়। কারণ যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন বিশ্বের দুই পরাশক্তির শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে সফল যোগাযোগ স্থাপনে পরিচিত এ জেনারেলের বেশ বড় ভূমিকা ছিল। তাঁর সফল যোগাযোগের কারণেই দুই পক্ষের মধ্যে যেকোনো ধরনের ‘দুর্ঘটনা’ এড়ানো সম্ভব হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, ঝাং ইউকসিয়ার অপসারণ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ধাক্কা।
এর আগে, বাইডেন প্রশাসনের আমলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের তৎকালীন স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে অচলাবস্থা তৈরি হয়। ওই সময় প্রায় ১৭ মাস যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে চীনের বাহিনীর সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে ১৭ মাস পর তৎকালীন বাইডেন প্রশাসনের সময়ই ইউকসিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগের অনুমতি দেন শি।
চীনের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর চেয়ে ইউকসিয়াকে উচ্চপদস্থ এবং তাঁর সঙ্গে সংযোগকে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক মনে করা হতো। আর যেকোনো ধরনের আলোচনার জন্য তাঁকে কার্যকর সেতু হিসেবেও দেখতো যুক্তরাষ্ট্র।
গত শতকের ৭০ এর দশকের শেষের দিকে ভিয়েতনামে চালানো চীনের আক্রমণের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার একজন ছিলেন ঝাং ইউকসিয়া। আর যুক্তরাষ্ট্র তাঁকে শি’র একজন দক্ষ উপদেষ্টা হিসেবে দেখতো। ইউকসিয়া কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এখন শি’র মাত্র একজন জেনারেল ও একজন পেশাগত রাজনৈতিক কমিশনার অবশিষ্ট আছেন।
প্রসঙ্গত, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সামরিক জেনারেলদের মধ্যে এক নজিরবিহীন শুদ্ধি অভিযান চালাচ্ছেন। ২০২২ সালের শেষ দিকে শি জিনপিং চীনের ২০ লাখ সদস্যের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে কাজের জন্য ছয়জনকে নিয়োগ দেন। তাঁরা সবাই শি’র অধীনে ছিলেন। মাত্র তিন বছরের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে তিনি সিএমসি’র ছয় সদস্যের মধ্যে পাঁচজনকেই সরিয়ে দিয়েছেন। একে একে তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। সামরিক নেতৃত্বের নিম্ন পদের কিছু ব্যক্তিকে প্রথমে সরিয়ে দেওয়াটা সবার নজর কেড়েছিল, কিন্তু এখন শীর্ষ জেনারেল ইউকসিয়ার অপসারণ বিশ্লেষকদের কাছে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে ধরা দিয়েছে।

চীনের সেনাবাহিনীতে শুদ্ধি অভিযান চালাচ্ছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বিশেষ করে শীর্ষ জেনারেলদের মধ্যে তিনি দুর্নীতিবিরোধী ‘শুদ্ধি’ অভিযান চালাচ্ছেন। এই অভিযানের সর্বশেষ ঘটনা হলো দেশটির প্রভাবশালী শীর্ষ জেনারেল ঝাং ইউকসিয়ার অপসারণ।
এদিকে, তার অপসারণে দুশ্চিন্তায় পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। চীনের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের সেতু হিসেবে ইউকসিয়া কাজ করতেন। তাঁর অপসারণে সেই যোগাযোগে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকরা।
আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউকসিয়ার পতনের মাধ্যমে বেইজিংয়ের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে বেইজিংয়ের পিপলস লিবারেশন আর্মিও (পিএলএ) একজন অভিজ্ঞ কমান্ডারের সংকটে পড়েছে।
এর আগে গত শনিবার চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সেকেন্ড ইন কমান্ড, সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের (সিএমসি) ভাইস চেয়ারম্যান ঝাং ইউকসিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। এটিই ছিল দেশটির শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শি’র দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের সর্বশেষ ঘটনা।
এদিকে, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, চীনের পিএলএ-তে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে বেশ টানাপোড়েন চলছে বলে ধারণা। কারণ ঝাং ইউকসিয়ার আগে আরেক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল লিউ ঝেনলিকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এসব ঘটনার পর দেশটির অভিজাত শ্রেণি ক্ষমতার লড়াই নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। পাশাপাশি ইউকসিয়ার অপসারণ যুদ্ধক্ষেত্রে পিএলএ’র সক্ষমতায় কীভাবে প্রভাবিত করবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে চীনের সামর্থ্য নিয়েও।
অন্যদিকে, ওয়াশিংটনের জন্য ঝাং ইউকসিয়ার অপসারণ বড় এক বিস্ময়। কারণ যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন বিশ্বের দুই পরাশক্তির শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে সফল যোগাযোগ স্থাপনে পরিচিত এ জেনারেলের বেশ বড় ভূমিকা ছিল। তাঁর সফল যোগাযোগের কারণেই দুই পক্ষের মধ্যে যেকোনো ধরনের ‘দুর্ঘটনা’ এড়ানো সম্ভব হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, ঝাং ইউকসিয়ার অপসারণ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ধাক্কা।
এর আগে, বাইডেন প্রশাসনের আমলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের তৎকালীন স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে অচলাবস্থা তৈরি হয়। ওই সময় প্রায় ১৭ মাস যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে চীনের বাহিনীর সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে ১৭ মাস পর তৎকালীন বাইডেন প্রশাসনের সময়ই ইউকসিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগের অনুমতি দেন শি।
চীনের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর চেয়ে ইউকসিয়াকে উচ্চপদস্থ এবং তাঁর সঙ্গে সংযোগকে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক মনে করা হতো। আর যেকোনো ধরনের আলোচনার জন্য তাঁকে কার্যকর সেতু হিসেবেও দেখতো যুক্তরাষ্ট্র।
গত শতকের ৭০ এর দশকের শেষের দিকে ভিয়েতনামে চালানো চীনের আক্রমণের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার একজন ছিলেন ঝাং ইউকসিয়া। আর যুক্তরাষ্ট্র তাঁকে শি’র একজন দক্ষ উপদেষ্টা হিসেবে দেখতো। ইউকসিয়া কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এখন শি’র মাত্র একজন জেনারেল ও একজন পেশাগত রাজনৈতিক কমিশনার অবশিষ্ট আছেন।
প্রসঙ্গত, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সামরিক জেনারেলদের মধ্যে এক নজিরবিহীন শুদ্ধি অভিযান চালাচ্ছেন। ২০২২ সালের শেষ দিকে শি জিনপিং চীনের ২০ লাখ সদস্যের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে কাজের জন্য ছয়জনকে নিয়োগ দেন। তাঁরা সবাই শি’র অধীনে ছিলেন। মাত্র তিন বছরের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে তিনি সিএমসি’র ছয় সদস্যের মধ্যে পাঁচজনকেই সরিয়ে দিয়েছেন। একে একে তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। সামরিক নেতৃত্বের নিম্ন পদের কিছু ব্যক্তিকে প্রথমে সরিয়ে দেওয়াটা সবার নজর কেড়েছিল, কিন্তু এখন শীর্ষ জেনারেল ইউকসিয়ার অপসারণ বিশ্লেষকদের কাছে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে ধরা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চীনের সঙ্গে চুক্তি করা ব্রিটেনের জন্য ‘খুবই বিপজ্জনক’। এই চুক্তি যুক্তরাজ্যের জন্য খুবই বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ধারাবাহিকভাবে ইরানের সামরিক হামলা চালানোর হুমকি দিয়ে আসছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরান কর্তৃপক্ষ বলছে, যেকোনো হামলা থেকে নিজেদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত আছে ইরান।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাজ্য থেকে লরিতে করে ফ্রান্সে পাচারের সময় ২৩ বাংলাদেশি অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে ব্রিটিশ ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ)।
১ দিন আগে
বিক্ষোভকারীদের উৎসাহ দিতে ইরানে হামলার পরিকল্পনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এই হামলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী এবং দেশটির নেতারা।
১ দিন আগে