সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ঈদ পালনে পরিবর্তন এসেছে, কতজনের জীবন থেকে হারিয়ে গেছে কত প্রিয়জনের ভালবাসা। কিন্তু আজও চোখ বুজলে আমরা সেই পুরোনো স্মৃতির গন্ধ পাই। এ কারণে ঈদের সঙ্গে সুগন্ধির সম্পর্কটি ভীষণ পবিত্র। এবারের ঈদে কেমন সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারেন তা নিয়েই আজকের লেখা।
তামান্না আনজুম

ঈদের সকালটা অন্য রকম আনন্দ নিয়ে আসে। নতুন কাপড়ের গন্ধ, ঘরে রান্নার ব্যস্ততা আর আতরের মিষ্টি সুবাস মিলিয়ে তৈরি হয় উৎসবের আলাদা এক অনুভূতি। অনেকের মতো আমারও এখনো ঈদের সকালে বাবা বা ভাইয়ের নতুন পাঞ্জাবিতে লাগানো আতরের গন্ধ খুব পরিচিত লাগে।
শৈশবের ঈদগুলোতে দাদা-নানার গায়ে মাখা সেই পরিচিত আতরের গন্ধ পুরোটা দিন উৎসবের আনন্দে ভরিয়ে রাখত আমাদের। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ঈদ পালনে পরিবর্তন এসেছে, কতজনের জীবন থেকে হারিয়ে গেছে কত প্রিয়জনের ভালবাসা। কিন্তু আজও চোখ বুজলে আমরা সেই পুরোনো স্মৃতির গন্ধ পাই। এ কারণে ঈদের সঙ্গে সুগন্ধির সম্পর্কটি ভীষণ পবিত্র। এবারের ঈদে কেমন সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারেন তা নিয়েই আজকের লেখা।
ঈদের নামাজে পরতে যাওয়ার সময় সুগন্ধি মাখা আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য এবং তা সুন্নতও বটে। বাজারে এখন নানা ধরনের দেশি-বিদেশি সুগন্ধি পাওয়া যায়। আপনার রুচি ও পছন্দের ওপর ভিত্তি করে বেছে নিতে পারেন সেরা সুবাসটি।
বর্তমানে চন্দন, গোলাপ, আম্বর, মাস্ক, বাকুর এবং জান্নাতুল ফেরদাউসের মতো ক্ল্যাসিক আতরগুলোর পাশাপাশি অ্যারাবিয়ান ‘উদ’-এর বেশ চাহিদা রয়েছে। দামের ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্নতা।

সাধারণ মানের আতর ১০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যেই ছোট বোতল বা রোল-অন হিসেবে পাওয়া যায়। তবে যারা একটু প্রিমিয়াম সুবাস পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য রয়েছে দুবাই বা মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করা নামিদামি ব্র্যান্ডের অ্যালকোহলমুক্ত আতর। খাঁটি উদ, মাস্ক বা আগরউডের দাম ১ হাজার থেকে শুরু করে ১০-৫০ হাজার টাকা বা তারও বেশি হতে পারে। বাজেটের মধ্যে পছন্দমতো একটি সুবাস বেছে নিয়ে ঈদের সকালটা স্নিগ্ধ করে তুলতে পারেন।
ঈদের নামাজ শেষ করে বাসায় ফেরার পর শুরু হয় দিনের দ্বিতীয় ভাগ। আরামদায়ক পোশাক পরা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া, আত্মীয়স্বজনের বাসায় দাওয়াত কিংবা পরিবার নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে সবারই। এবারের ঈদে যেহেতু গরম একটু কম, তাই ঘাম নিয়ে দুশ্চিন্তা না করলেও হবে। দুপুরের দিকে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বা বাইরে ঘুরতে যাওয়ার সময় ব্যবহার করতে পারেন হালকা, ফ্রেশ এবং সাইট্রাস (লেবু, কমলা বা মাল্টা জাতীয়) নোটের বডি স্প্রে বা ডিওডোরেন্ট।
অন্যদিকে, বিকেলের দিকে বা রাতের দাওয়াতে যাওয়ার সময় বেছে নিতে পারেন একটু প্রিমিয়াম মানের পারফিউম। গরমের সন্ধ্যায় উডি, অ্যাকোয়াটিক বা হালকা ফ্লোরাল (ফুলের সুবাস) নোটের পারফিউমগুলো আপনার ব্যক্তিত্বে আলাদা আভিজাত্য এনে দেবে। সাধারণত ছেলেদের ক্ষেত্রে মাস্কুলিন বা স্পাইসি পারফিউম এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে হালকা মিষ্টি, ফ্রুট বা ফ্লোরাল সুবাস দাওয়াতের পরিবেশে বেশ মানানসই। দাওয়াতে যাওয়ার সময় এমন পারফিউম বেছে নেবেন যেগুলোর ঘ্রাণ অনেকক্ষণ স্থায়ী হয়, কিন্তু উগ্র নয়।
সুগন্ধি কেনা বা ব্যবহারের আগে কিছু ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখলে আপনার ঈদের সাজ আরও নিখুঁত হতে পারে।
যেমন অতিরিক্ত কড়া, মিষ্টি বা ভারী সুগন্ধি এড়িয়ে চলুন। গরমে ফ্রেশ, কুল বা অ্যাকোয়াটিক সুবাস বেশি আরামদায়ক। অন্যদিকে এসি রুমে দাওয়াত থাকলে উডি বা স্পাইসি ঘ্রাণ দারুণ মানিয়ে যায়।
আরেকটি বিষয় মাথায় রাখবেন, একই পারফিউম বা আতর ভিন্ন ভিন্ন মানুষের শরীরে ভিন্ন রকম গন্ধ ছড়াতে পারে। তাই অন্যের গায়ে ভালো লেগেছে দেখেই হুট করে না কিনে, নিজের ত্বকে একটু স্প্রে করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ঘ্রাণটি আপনার ত্বকের সঙ্গে মানিয়ে গেলে তবেই কিনুন। সুগন্ধি দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী করতে শরীরের পালস পয়েন্টগুলোতে (যেমন হাতের কবজি, গলার দুই পাশে, কানের পেছনে) স্প্রে করুন। একটি সাধারণ ভুল আমরা প্রায়ই করি—কবজিতে সুগন্ধি লাগানোর পর দুই হাত একসাথে ঘষি। এটা একদমই উচিত নয়; এতে সুগন্ধির ঘ্রাণ দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
ডিওডোরেন্ট সাধারণত ত্বকে ব্যবহার করা হয়। পারফিউম ত্বকের পালস পয়েন্টে ব্যবহার করলে ভালো স্থায়ী হয়, তবে কাপড়েও হালকা স্প্রে করা যায়। তবে আতর ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন। অনেক সময় আতরের কারণে শখের নতুন পোশাকে দাগ পড়ে যেতে পারে। তাই হাতের তালুতে আতর মেখে হালকা করে কাপড়ে বুলিয়ে নিতে পারেন। যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে, তারা সরাসরি ত্বকে সুগন্ধি ব্যবহারের আগে সতর্ক হোন।

ঈদের সকালটা অন্য রকম আনন্দ নিয়ে আসে। নতুন কাপড়ের গন্ধ, ঘরে রান্নার ব্যস্ততা আর আতরের মিষ্টি সুবাস মিলিয়ে তৈরি হয় উৎসবের আলাদা এক অনুভূতি। অনেকের মতো আমারও এখনো ঈদের সকালে বাবা বা ভাইয়ের নতুন পাঞ্জাবিতে লাগানো আতরের গন্ধ খুব পরিচিত লাগে।
শৈশবের ঈদগুলোতে দাদা-নানার গায়ে মাখা সেই পরিচিত আতরের গন্ধ পুরোটা দিন উৎসবের আনন্দে ভরিয়ে রাখত আমাদের। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ঈদ পালনে পরিবর্তন এসেছে, কতজনের জীবন থেকে হারিয়ে গেছে কত প্রিয়জনের ভালবাসা। কিন্তু আজও চোখ বুজলে আমরা সেই পুরোনো স্মৃতির গন্ধ পাই। এ কারণে ঈদের সঙ্গে সুগন্ধির সম্পর্কটি ভীষণ পবিত্র। এবারের ঈদে কেমন সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারেন তা নিয়েই আজকের লেখা।
ঈদের নামাজে পরতে যাওয়ার সময় সুগন্ধি মাখা আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য এবং তা সুন্নতও বটে। বাজারে এখন নানা ধরনের দেশি-বিদেশি সুগন্ধি পাওয়া যায়। আপনার রুচি ও পছন্দের ওপর ভিত্তি করে বেছে নিতে পারেন সেরা সুবাসটি।
বর্তমানে চন্দন, গোলাপ, আম্বর, মাস্ক, বাকুর এবং জান্নাতুল ফেরদাউসের মতো ক্ল্যাসিক আতরগুলোর পাশাপাশি অ্যারাবিয়ান ‘উদ’-এর বেশ চাহিদা রয়েছে। দামের ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্নতা।

সাধারণ মানের আতর ১০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যেই ছোট বোতল বা রোল-অন হিসেবে পাওয়া যায়। তবে যারা একটু প্রিমিয়াম সুবাস পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য রয়েছে দুবাই বা মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করা নামিদামি ব্র্যান্ডের অ্যালকোহলমুক্ত আতর। খাঁটি উদ, মাস্ক বা আগরউডের দাম ১ হাজার থেকে শুরু করে ১০-৫০ হাজার টাকা বা তারও বেশি হতে পারে। বাজেটের মধ্যে পছন্দমতো একটি সুবাস বেছে নিয়ে ঈদের সকালটা স্নিগ্ধ করে তুলতে পারেন।
ঈদের নামাজ শেষ করে বাসায় ফেরার পর শুরু হয় দিনের দ্বিতীয় ভাগ। আরামদায়ক পোশাক পরা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া, আত্মীয়স্বজনের বাসায় দাওয়াত কিংবা পরিবার নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে সবারই। এবারের ঈদে যেহেতু গরম একটু কম, তাই ঘাম নিয়ে দুশ্চিন্তা না করলেও হবে। দুপুরের দিকে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বা বাইরে ঘুরতে যাওয়ার সময় ব্যবহার করতে পারেন হালকা, ফ্রেশ এবং সাইট্রাস (লেবু, কমলা বা মাল্টা জাতীয়) নোটের বডি স্প্রে বা ডিওডোরেন্ট।
অন্যদিকে, বিকেলের দিকে বা রাতের দাওয়াতে যাওয়ার সময় বেছে নিতে পারেন একটু প্রিমিয়াম মানের পারফিউম। গরমের সন্ধ্যায় উডি, অ্যাকোয়াটিক বা হালকা ফ্লোরাল (ফুলের সুবাস) নোটের পারফিউমগুলো আপনার ব্যক্তিত্বে আলাদা আভিজাত্য এনে দেবে। সাধারণত ছেলেদের ক্ষেত্রে মাস্কুলিন বা স্পাইসি পারফিউম এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে হালকা মিষ্টি, ফ্রুট বা ফ্লোরাল সুবাস দাওয়াতের পরিবেশে বেশ মানানসই। দাওয়াতে যাওয়ার সময় এমন পারফিউম বেছে নেবেন যেগুলোর ঘ্রাণ অনেকক্ষণ স্থায়ী হয়, কিন্তু উগ্র নয়।
সুগন্ধি কেনা বা ব্যবহারের আগে কিছু ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখলে আপনার ঈদের সাজ আরও নিখুঁত হতে পারে।
যেমন অতিরিক্ত কড়া, মিষ্টি বা ভারী সুগন্ধি এড়িয়ে চলুন। গরমে ফ্রেশ, কুল বা অ্যাকোয়াটিক সুবাস বেশি আরামদায়ক। অন্যদিকে এসি রুমে দাওয়াত থাকলে উডি বা স্পাইসি ঘ্রাণ দারুণ মানিয়ে যায়।
আরেকটি বিষয় মাথায় রাখবেন, একই পারফিউম বা আতর ভিন্ন ভিন্ন মানুষের শরীরে ভিন্ন রকম গন্ধ ছড়াতে পারে। তাই অন্যের গায়ে ভালো লেগেছে দেখেই হুট করে না কিনে, নিজের ত্বকে একটু স্প্রে করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ঘ্রাণটি আপনার ত্বকের সঙ্গে মানিয়ে গেলে তবেই কিনুন। সুগন্ধি দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী করতে শরীরের পালস পয়েন্টগুলোতে (যেমন হাতের কবজি, গলার দুই পাশে, কানের পেছনে) স্প্রে করুন। একটি সাধারণ ভুল আমরা প্রায়ই করি—কবজিতে সুগন্ধি লাগানোর পর দুই হাত একসাথে ঘষি। এটা একদমই উচিত নয়; এতে সুগন্ধির ঘ্রাণ দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
ডিওডোরেন্ট সাধারণত ত্বকে ব্যবহার করা হয়। পারফিউম ত্বকের পালস পয়েন্টে ব্যবহার করলে ভালো স্থায়ী হয়, তবে কাপড়েও হালকা স্প্রে করা যায়। তবে আতর ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন। অনেক সময় আতরের কারণে শখের নতুন পোশাকে দাগ পড়ে যেতে পারে। তাই হাতের তালুতে আতর মেখে হালকা করে কাপড়ে বুলিয়ে নিতে পারেন। যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে, তারা সরাসরি ত্বকে সুগন্ধি ব্যবহারের আগে সতর্ক হোন।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১৬ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৮ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১৯ ঘণ্টা আগে