স্ট্রিম ডেস্ক

বিশ্বকাপ ২০২৬-এর দামামা বাজার আগেই ব্রাজিল ফুটবল দলে বড়সড় এক পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেল। আসন্ন ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য ঘোষিত ২৬ সদস্যের সেলেসাওদের অফিসিয়াল স্কোয়াডে জায়গা পাননি পোস্টার বয় ও তাদের নির্ভরযোগ্য নেইমার জুনিয়র।
বিশ্বকাপের আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি হিসেবে এই প্রীতি ম্যাচগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে ব্রাজিল। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ তারকা নেইমারকে স্কোয়াডের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড আনচেলত্তি। তবে কার্লো আনচেলত্তি বলেছেন, ‘নেইমারের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ এখনো শেষ হয়ে যায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবারের দলে তাকে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে মে মাসের কল-আপে নেইমার যদি পুরোপুরি ইনজুরিমুক্ত ও শতভাগ ফিট থাকে, তাহলে অবশ্যই তাকে দলে বিবেচনা করা হবে।’
দল থেকে বাদ পড়ার পর নেইমার তার নীরবতা ভেঙে একটি পডকাস্টে এক বিমর্ষ কিন্তু লড়াকু বার্তা দিয়েছেন । নিজের আবেগ চেপে রাখতে না পেরে তিনি বলেন, ‘আমি এটা নিয়ে কথা না বলে পারছি না। সত্যি বলতে, ডাক না পেয়ে আমি অত্যন্ত মর্মাহত এবং বিষণ্ণ। কিন্তু আমার লক্ষ্য অটুট। প্রতিটি ট্রেনিং, প্রতিটি ম্যাচে নিজেকে উজার করে দিচ্ছি। এখনো একটি শেষ সুযোগ (ফাইনাল কল-আপ) বাকি আছে এবং আমার স্বপ্ন এখনো বেঁচে আছে। আমরা একসঙ্গেই এই পথ পাড়ি দেব।’
ঘোষিত স্কোয়াডে গোলকিপিং পজিশনে যথারীতি আধিপত্য ধরে রেখেছেন অ্যালিসন ও এদেরসন। তবে রক্ষণে ফ্লামেঙ্গোর দাপট স্পষ্ট; দানিলো ও অ্যালেক্স সান্দ্রোর মতো অভিজ্ঞদের সাথে লিও পেরেইরাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মধ্যমাঠে ক্যাসেমিরোর অভিজ্ঞতার পাশাপাশি গ্যাব্রিয়েল সারা ও আন্দ্রে সান্তোসের মতো তরুণ প্রতিভাদের ওপর আস্থা রেখেছেন কোচ।
আক্রমণভাগে ভিনিসিউস জুনিয়র ও রাফিনহার সাথে তরুণ তুর্কি এন্ড্রিক এবং জোয়াও পেদ্রোদের উপস্থিতি বলে দিচ্ছে, নেইমার পরবর্তী যুগের জন্য সেলেসাওরা এখন থেকেই প্রস্তুত হচ্ছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাথেউস কুনিয়া এবং আর্সেনালের গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির অন্তর্ভুক্তি আক্রমণভাগকে আরও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গোলরক্ষক: অ্যালিসন (লিভারপুল), বেন্টো (আল নাসর), এদেরসন (ফেনারবাচে)।
রক্ষণভাগ: অ্যালেক্স সান্দ্রো (ফ্লামেঙ্গো), ব্রেমার (জুভেন্টাস), দানিলো (ফ্লামেঙ্গো), দগলাস সান্তোস (জেনিত), গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস (আর্সেনাল), ইবানেজ (আল আহলি), লিও পেরেইরা (ফ্লামেঙ্গো), মার্কুইনহোস (পিএসজি), ওয়েসলি (রোমা)।
মধ্যমাঠ: আন্দ্রে সান্তোস (চেলসি), ক্যাসেমিরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), দানিলো (বোটাফোগো), ফাবিনহো (আল ইতিহাদ), গ্যাব্রিয়েল সারা (গালাতাসারে)।
আক্রমণভাগ: এন্ড্রিক (লিওঁ), গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি (আর্সেনাল), ইগর থিয়াগো (ব্রেন্টফোর্ড), লুইজ হেনরিক (জেনিত), মাথেউস কুনিয়া (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), রাফিনহা (বার্সেলোনা), রায়ান (বোর্নমাউথ), ভিনি জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ), জোয়াও পেদ্রো (চেলসি)।

বিশ্বকাপ ২০২৬-এর দামামা বাজার আগেই ব্রাজিল ফুটবল দলে বড়সড় এক পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেল। আসন্ন ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য ঘোষিত ২৬ সদস্যের সেলেসাওদের অফিসিয়াল স্কোয়াডে জায়গা পাননি পোস্টার বয় ও তাদের নির্ভরযোগ্য নেইমার জুনিয়র।
বিশ্বকাপের আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি হিসেবে এই প্রীতি ম্যাচগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে ব্রাজিল। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ তারকা নেইমারকে স্কোয়াডের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড আনচেলত্তি। তবে কার্লো আনচেলত্তি বলেছেন, ‘নেইমারের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ এখনো শেষ হয়ে যায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবারের দলে তাকে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে মে মাসের কল-আপে নেইমার যদি পুরোপুরি ইনজুরিমুক্ত ও শতভাগ ফিট থাকে, তাহলে অবশ্যই তাকে দলে বিবেচনা করা হবে।’
দল থেকে বাদ পড়ার পর নেইমার তার নীরবতা ভেঙে একটি পডকাস্টে এক বিমর্ষ কিন্তু লড়াকু বার্তা দিয়েছেন । নিজের আবেগ চেপে রাখতে না পেরে তিনি বলেন, ‘আমি এটা নিয়ে কথা না বলে পারছি না। সত্যি বলতে, ডাক না পেয়ে আমি অত্যন্ত মর্মাহত এবং বিষণ্ণ। কিন্তু আমার লক্ষ্য অটুট। প্রতিটি ট্রেনিং, প্রতিটি ম্যাচে নিজেকে উজার করে দিচ্ছি। এখনো একটি শেষ সুযোগ (ফাইনাল কল-আপ) বাকি আছে এবং আমার স্বপ্ন এখনো বেঁচে আছে। আমরা একসঙ্গেই এই পথ পাড়ি দেব।’
ঘোষিত স্কোয়াডে গোলকিপিং পজিশনে যথারীতি আধিপত্য ধরে রেখেছেন অ্যালিসন ও এদেরসন। তবে রক্ষণে ফ্লামেঙ্গোর দাপট স্পষ্ট; দানিলো ও অ্যালেক্স সান্দ্রোর মতো অভিজ্ঞদের সাথে লিও পেরেইরাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মধ্যমাঠে ক্যাসেমিরোর অভিজ্ঞতার পাশাপাশি গ্যাব্রিয়েল সারা ও আন্দ্রে সান্তোসের মতো তরুণ প্রতিভাদের ওপর আস্থা রেখেছেন কোচ।
আক্রমণভাগে ভিনিসিউস জুনিয়র ও রাফিনহার সাথে তরুণ তুর্কি এন্ড্রিক এবং জোয়াও পেদ্রোদের উপস্থিতি বলে দিচ্ছে, নেইমার পরবর্তী যুগের জন্য সেলেসাওরা এখন থেকেই প্রস্তুত হচ্ছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাথেউস কুনিয়া এবং আর্সেনালের গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির অন্তর্ভুক্তি আক্রমণভাগকে আরও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গোলরক্ষক: অ্যালিসন (লিভারপুল), বেন্টো (আল নাসর), এদেরসন (ফেনারবাচে)।
রক্ষণভাগ: অ্যালেক্স সান্দ্রো (ফ্লামেঙ্গো), ব্রেমার (জুভেন্টাস), দানিলো (ফ্লামেঙ্গো), দগলাস সান্তোস (জেনিত), গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস (আর্সেনাল), ইবানেজ (আল আহলি), লিও পেরেইরা (ফ্লামেঙ্গো), মার্কুইনহোস (পিএসজি), ওয়েসলি (রোমা)।
মধ্যমাঠ: আন্দ্রে সান্তোস (চেলসি), ক্যাসেমিরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), দানিলো (বোটাফোগো), ফাবিনহো (আল ইতিহাদ), গ্যাব্রিয়েল সারা (গালাতাসারে)।
আক্রমণভাগ: এন্ড্রিক (লিওঁ), গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি (আর্সেনাল), ইগর থিয়াগো (ব্রেন্টফোর্ড), লুইজ হেনরিক (জেনিত), মাথেউস কুনিয়া (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), রাফিনহা (বার্সেলোনা), রায়ান (বোর্নমাউথ), ভিনি জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ), জোয়াও পেদ্রো (চেলসি)।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
১৫ ঘণ্টা আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
১৭ ঘণ্টা আগে
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
২০ ঘণ্টা আগে