জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য প্রতি বুধবার সরকারি ছুটি শ্রীলঙ্কায়

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২৬, ১৭: ৫৯
শ্রীলঙ্কার পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য প্রতি বুধবার সরকারি প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে শ্রীলংকা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ঘাটতির আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। অর্থাৎ এখন থেকে শ্রীলঙ্কায় সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে তিন দিন।

জরুরি বৈঠকে বলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট আনুঢ়া কুমারা বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় এশিয়ার দেশগুলো একের পর এক জ্বালানি সাশ্রয়ের পদক্ষেপ নিচ্ছে। গত বছর এই প্রণালী দিয়ে যে তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়েছে, তার প্রায় ৯০ শতাংশই এশিয়ায় গিয়েছিল।

চাপ কমাতে থাইল্যান্ড, মায়ানমার, ফিলিপাইন্সের এর মতো এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোও নানা ধরনের সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নিচ্ছে। ভিয়েতনামে সবাইকে বাড়িতে বেশি সময় থাকার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি সবাইকেই ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার সীমিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শ্রীলংকায় নতুন চারদিনের এই কর্মসপ্তাহ স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। তবে স্বাস্থ্যসেবা ও ইমিগ্রেশনসহ জরুরি পরিষেবাগুলো এর বাইরে থাকবে। টানা তিন দিন ছুটি এড়াতে শুক্রবারের পরিবর্তে বুধবার অতিরিক্ত ছুটির দিন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, মোটরযান চালকদের জন্য এখন ‘ন্যাশনাল ফুয়েল পাস’ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ জ্বালানি কেনা যাবে। যদিও এই ব্যবস্থায় অসন্তোষ দেখা গেছে, কারণ ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ১৫ লিটার এবং মোটরসাইকেলের জন্য ৫ লিটার কোটা অনেকের কাছে কম মনে হচ্ছে।

এই রেশনিং ব্যবস্থা প্রথম চালু হয় ২০২২ সালে, যখন দেশটি তীব্র অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে। বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতির কারণে তখন প্রয়োজনীয় পণ্য ও জ্বালানি আমদানি করতে সমস্যায় পড়েছিলো দেশটি।

সম্প্রতি এই যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়ে বর্তমানে প্রতি ব্যারেল প্রায় ১০০ ডলারে পৌঁছেছে।

সম্পর্কিত