স্ট্রিম ডেস্ক

ইসলাম ধর্মে ‘হাজার মাসের চেয়ে উত্তম’ হিসেবে বিবেচিত পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর এবার মধ্যপ্রাচ্যে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। একদিকে ইবাদত-বন্দেগির আধ্যাত্মিক আবহ, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের শঙ্কা—এই দুইয়ের মাঝে পড়ে নিস্তব্ধতা ও গভীর বিষণ্ণতায় কেটেছে এই রজনী।
মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া এই পবিত্র রাতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে চিরাচরিত উৎসবের আমেজ ছিল অনুপস্থিত। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে বিরাজ করছিল চরম উদ্বেগ। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত ইরান থেকে যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় মুসল্লিরা তটস্থ ছিলেন। এবার ১৫ ও ১৬ মার্চের মধ্যবর্তী রাতে শবে কদর পালিত হলেও বারুদের গন্ধে ম্লান হয়ে গেছে এর পবিত্র আনন্দ।
জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ কমপ্লেক্সে এবার ছিল সুনসান নীরবতা। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির অজুহাতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তাজনিত কারণে এই পবিত্র স্থানটি বন্ধ করে দেয়। ফলে হাজার হাজার মুসল্লির সমাগমের পরিবর্তে মসজিদ প্রাঙ্গণ ছিল জনশূন্য। মুসল্লিরা মসজিদের বাইরে অস্থায়ী জায়গায় নামাজ আদায় করতে বাধ্য হন।
ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যম ইয়াফা নিউজ নেটওয়ার্কের তথ্যমতে, গত ১৬ দিন ধরে আল-আকসা কমপ্লেক্স বন্ধ রয়েছে। ১৯৬৭ সালে ইসরায়েলের পূর্ব জেরুজালেম দখলের পর থেকে এটিই দীর্ঘতম সময় ধরে মসজিদ বন্ধ রাখার রেকর্ড। ইসরায়েলি পুলিশ পুরনো শহরের চারপাশে ব্যারিয়ার স্থাপন করেছে এবং মসজিদে প্রয়োজনীয় রসদ সরবরাহও বন্ধ করে দিয়েছে।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। দেশগুলো এই পদক্ষেপকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ এবং আল-আকসার ঐতিহাসিক মর্যাদার অবমাননা হিসেবে অভিহিত করে অবিলম্বে সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
ওয়াশিংটনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘এআই মনিটর’ এবং ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াইনেট’ জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকির কারণে বড় বড় জনসমাগম ও ইফতার আয়োজন বাতিল করা হয়েছে, ফলে মসজিদগুলো ছিল অনেকটাই খালি। ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে।
দুবাই ও আবুধাবিতে কিছু ইফতার আয়োজন হলেও মানুষের মনে ছিল অজানা আতঙ্ক। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ‘আল-ধাফরা’ ইরানের টার্গেট হতে পারে—এমন ভাবনায় সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন। এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এক পর্যায়ে ১৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১১৩টি ড্রোন ভূপাতিত করলেও সেগুলোর ধ্বংসাবশেষে প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটেছিল।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মাত্র তিন সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ৯টি দেশে ১,৭০০-এর বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে শবে কদরের মতো গভীর আধ্যাত্মিক রজনীতেও মধ্যপ্রাচ্যের মানুষ শান্তি ও নিরাপত্তা খুঁজে পায়নি। প্রার্থনার পরিবর্তে মানুষের প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে জীবন ও নিরাপত্তা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায়। বৈশ্বিক এই সংঘাতের ছায়া হাজার মাসের সেরা এই রাতটির প্রশান্তি কেড়ে নিয়েছে।

ইসলাম ধর্মে ‘হাজার মাসের চেয়ে উত্তম’ হিসেবে বিবেচিত পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর এবার মধ্যপ্রাচ্যে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। একদিকে ইবাদত-বন্দেগির আধ্যাত্মিক আবহ, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের শঙ্কা—এই দুইয়ের মাঝে পড়ে নিস্তব্ধতা ও গভীর বিষণ্ণতায় কেটেছে এই রজনী।
মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া এই পবিত্র রাতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে চিরাচরিত উৎসবের আমেজ ছিল অনুপস্থিত। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে বিরাজ করছিল চরম উদ্বেগ। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত ইরান থেকে যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় মুসল্লিরা তটস্থ ছিলেন। এবার ১৫ ও ১৬ মার্চের মধ্যবর্তী রাতে শবে কদর পালিত হলেও বারুদের গন্ধে ম্লান হয়ে গেছে এর পবিত্র আনন্দ।
জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ কমপ্লেক্সে এবার ছিল সুনসান নীরবতা। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির অজুহাতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তাজনিত কারণে এই পবিত্র স্থানটি বন্ধ করে দেয়। ফলে হাজার হাজার মুসল্লির সমাগমের পরিবর্তে মসজিদ প্রাঙ্গণ ছিল জনশূন্য। মুসল্লিরা মসজিদের বাইরে অস্থায়ী জায়গায় নামাজ আদায় করতে বাধ্য হন।
ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যম ইয়াফা নিউজ নেটওয়ার্কের তথ্যমতে, গত ১৬ দিন ধরে আল-আকসা কমপ্লেক্স বন্ধ রয়েছে। ১৯৬৭ সালে ইসরায়েলের পূর্ব জেরুজালেম দখলের পর থেকে এটিই দীর্ঘতম সময় ধরে মসজিদ বন্ধ রাখার রেকর্ড। ইসরায়েলি পুলিশ পুরনো শহরের চারপাশে ব্যারিয়ার স্থাপন করেছে এবং মসজিদে প্রয়োজনীয় রসদ সরবরাহও বন্ধ করে দিয়েছে।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। দেশগুলো এই পদক্ষেপকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ এবং আল-আকসার ঐতিহাসিক মর্যাদার অবমাননা হিসেবে অভিহিত করে অবিলম্বে সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
ওয়াশিংটনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘এআই মনিটর’ এবং ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াইনেট’ জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকির কারণে বড় বড় জনসমাগম ও ইফতার আয়োজন বাতিল করা হয়েছে, ফলে মসজিদগুলো ছিল অনেকটাই খালি। ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে।
দুবাই ও আবুধাবিতে কিছু ইফতার আয়োজন হলেও মানুষের মনে ছিল অজানা আতঙ্ক। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ‘আল-ধাফরা’ ইরানের টার্গেট হতে পারে—এমন ভাবনায় সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন। এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এক পর্যায়ে ১৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১১৩টি ড্রোন ভূপাতিত করলেও সেগুলোর ধ্বংসাবশেষে প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটেছিল।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মাত্র তিন সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ৯টি দেশে ১,৭০০-এর বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে শবে কদরের মতো গভীর আধ্যাত্মিক রজনীতেও মধ্যপ্রাচ্যের মানুষ শান্তি ও নিরাপত্তা খুঁজে পায়নি। প্রার্থনার পরিবর্তে মানুষের প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে জীবন ও নিরাপত্তা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায়। বৈশ্বিক এই সংঘাতের ছায়া হাজার মাসের সেরা এই রাতটির প্রশান্তি কেড়ে নিয়েছে।

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য প্রতি বুধবার সরকারি প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে শ্রীলংকা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ঘাটতির আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। অর্থাৎ এখন থেকে শ্রীলঙ্কায় সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে তিন দিন।
১ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য এক ভয়াবহ অগ্নিকুণ্ডের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে ইরান ও ইসরায়েলের সরাসরি সংঘাতের হুমকি, অন্যদিকে আমেরিকান স্বার্থ রক্ষার মরিয়া চেষ্টা—এই সব মিলিয়ে পুরো অঞ্চলের মানচিত্র ও ক্ষমতা কাঠামোর আমূল পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলী লারিজানি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
৩ ঘণ্টা আগে
সবশেষে, তেলের চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো—ভবিষ্যতের বিশ্ব ক্ষমতা কার হাতে থাকবে? কয়েক দশক ধরে বিশ্ব মার্কিন ডলারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। কিন্তু এখন চীনের অর্থনৈতিক উত্থান এবং রাশিয়ার প্রতিরোধ সেই ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। ইরানের এই 'ইউয়ান প্রস্তাব' হয়তো সেই বড় পরিবর্তনেরই একটি ক্ষুদ্র অংশ।
৫ ঘণ্টা আগে