তথ্যসূত্র:

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ফোনে কথা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে লেবাননের প্রেসিডেন্সি।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) লেবাননের একটি সরকারি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট আউন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি। এর আগে ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, এই দুই নেতার মধ্যে ঐতিহাসিক আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বিবিসি আরবিও লেবানিজ প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছে, আপাতত নেতানিয়াহুর সঙ্গে কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই আউনের। লেবাননের প্রেসিডেন্ট মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি নেতানিয়াহুর কল গ্রহণ করবেন না।
প্রেসিডেন্ট আউনের এমন আচরণের কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকা অবস্থায় নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলা প্রেসিডেন্ট আউনের জন্য রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। এতে হিজবুল্লাহ এবং লেবাননের সাধারণ জনগণের ক্ষোভের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আউন ইসরায়েলের সঙ্গে সংলাপে আগ্রহী হলেও, তাঁর মূল শর্ত হলো—আগে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে। কিন্তু ইসরায়েল এখনো লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপের পর লেবাননের প্রেসিডেন্সি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, ‘স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টার জন্য প্রেসিডেন্ট আউন ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট আউন আশা প্রকাশ করেছেন, এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে গোলাবর্ষণ বন্ধ হবে।’ ট্রাম্পের পক্ষ থেকে আউন ও লেবাননের প্রতি সমর্থনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত যুদ্ধবিরতির অনুরোধ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ফোনে কথা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে লেবাননের প্রেসিডেন্সি।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) লেবাননের একটি সরকারি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট আউন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি। এর আগে ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, এই দুই নেতার মধ্যে ঐতিহাসিক আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বিবিসি আরবিও লেবানিজ প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছে, আপাতত নেতানিয়াহুর সঙ্গে কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই আউনের। লেবাননের প্রেসিডেন্ট মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি নেতানিয়াহুর কল গ্রহণ করবেন না।
প্রেসিডেন্ট আউনের এমন আচরণের কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকা অবস্থায় নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলা প্রেসিডেন্ট আউনের জন্য রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। এতে হিজবুল্লাহ এবং লেবাননের সাধারণ জনগণের ক্ষোভের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আউন ইসরায়েলের সঙ্গে সংলাপে আগ্রহী হলেও, তাঁর মূল শর্ত হলো—আগে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে। কিন্তু ইসরায়েল এখনো লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপের পর লেবাননের প্রেসিডেন্সি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, ‘স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টার জন্য প্রেসিডেন্ট আউন ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট আউন আশা প্রকাশ করেছেন, এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে গোলাবর্ষণ বন্ধ হবে।’ ট্রাম্পের পক্ষ থেকে আউন ও লেবাননের প্রতি সমর্থনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত যুদ্ধবিরতির অনুরোধ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবানন ও ইসরায়েল সম্মত হয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
প্রায় সাত সপ্তাহ পর যুদ্ধ এখন নড়বড়ে এক যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধের ঘোষিত লক্ষ্যগুলোর অনেকগুলোই এখনো অর্জিত হয়নি। তবে একটি বিষয় খুব স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের মিত্রের সংখ্যা দ্রুত কমছে।
৩১ মিনিট আগে
ইরানকে সহায়তা প্রদানকারী যেকোনো দেশের জাহাজ মার্কিন নৌবাহিনীর বাধার মুখে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন।
৩ ঘণ্টা আগে
চলমান সংঘাত নিরসনে ইরানের সঙ্গে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি না হলে আবার পুরোদমে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) পেন্টাগনের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এই হুমকি দেন।
৫ ঘণ্টা আগে