স্ট্রিম ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য ও ভুল তথ্য ছড়ানোর ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়ন (এআরইউ)। সংগঠনটি মালয়েশিয়া সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি আইনি কাঠামোর নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) নিউইয়র্ক থেকে দেওয়া বিবৃতিতে এই আহ্বান জানায় এআরইউ। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনটির মহাপরিচালক রেজা উদ্দিন।
এতে বলা হয়, মিয়ানমারের আরাকানে রোহিঙ্গারা ধর্মীয় নিপীড়ন ও গণহত্যার মুখে পড়েছে। সেই পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছে।
ইউএনএইচসিআর মালয়েশিয়া–এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষে মালয়েশিয়ায় নিবন্ধিত শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২ লাখ ১৫ হাজার ৬০০। এর মধ্যে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজারের বেশি।
এআরইউ বলছে, দীর্ঘদিন মালয়েশিয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ আশ্রয়। এজন্য রোহিঙ্গা সম্প্রদায় দেশটির প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের কিছু সদস্যকে লক্ষ্য করে ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে। একইসঙ্গে ভুল তথ্যও ছড়ানো হচ্ছে।
এর আগে ৩ জুন মালয়েশিয়ার মানবাধিকার কমিশন সুহাকাম রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক বক্তব্য, অনলাইন আক্রমণ ও ক্রমবর্ধমান বিদ্বেষ নিয়ে উদ্বেগ জানায়।
একই উদ্বেগ জানিয়ে এআরইউ বলেছে, এ ধরনের বক্তব্য ও প্রচার সামাজিক সম্প্রীতির জন্য হুমকি তৈরি করছে। সংগঠনটির ভাষ্য, বহু বছর ধরে যে সম্প্রীতি গড়ে উঠেছে, তা এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই প্রচার রোহিঙ্গাদের দৈনন্দিন জীবনকেও কঠিন করে তুলছে। বিশেষ করে যারা এ ধরনের বক্তব্যের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন, তারা নানা জটিলতার মুখে পড়ছেন।
এই পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়া সরকার ও জনগণের প্রতি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এআরইউ। সংগঠনটি বলেছে, মালয়েশিয়ার আইনি কাঠামোর নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য ও ভুল তথ্য ছড়ানোর ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়ন (এআরইউ)। সংগঠনটি মালয়েশিয়া সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি আইনি কাঠামোর নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) নিউইয়র্ক থেকে দেওয়া বিবৃতিতে এই আহ্বান জানায় এআরইউ। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনটির মহাপরিচালক রেজা উদ্দিন।
এতে বলা হয়, মিয়ানমারের আরাকানে রোহিঙ্গারা ধর্মীয় নিপীড়ন ও গণহত্যার মুখে পড়েছে। সেই পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছে।
ইউএনএইচসিআর মালয়েশিয়া–এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষে মালয়েশিয়ায় নিবন্ধিত শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২ লাখ ১৫ হাজার ৬০০। এর মধ্যে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজারের বেশি।
এআরইউ বলছে, দীর্ঘদিন মালয়েশিয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ আশ্রয়। এজন্য রোহিঙ্গা সম্প্রদায় দেশটির প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের কিছু সদস্যকে লক্ষ্য করে ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে। একইসঙ্গে ভুল তথ্যও ছড়ানো হচ্ছে।
এর আগে ৩ জুন মালয়েশিয়ার মানবাধিকার কমিশন সুহাকাম রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক বক্তব্য, অনলাইন আক্রমণ ও ক্রমবর্ধমান বিদ্বেষ নিয়ে উদ্বেগ জানায়।
একই উদ্বেগ জানিয়ে এআরইউ বলেছে, এ ধরনের বক্তব্য ও প্রচার সামাজিক সম্প্রীতির জন্য হুমকি তৈরি করছে। সংগঠনটির ভাষ্য, বহু বছর ধরে যে সম্প্রীতি গড়ে উঠেছে, তা এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই প্রচার রোহিঙ্গাদের দৈনন্দিন জীবনকেও কঠিন করে তুলছে। বিশেষ করে যারা এ ধরনের বক্তব্যের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন, তারা নানা জটিলতার মুখে পড়ছেন।
এই পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়া সরকার ও জনগণের প্রতি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এআরইউ। সংগঠনটি বলেছে, মালয়েশিয়ার আইনি কাঠামোর নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের (হিমার্স) মহড়া চালিয়েছে তাইওয়ান। কৌশলগত জলসীমায় চীনের সম্ভাব্য আগ্রাসন মোকাবিলায় দেশটির দিকে প্রথমবার বুধবার (১০ জুন) এই মহড়া চালানো হয়।
৯ ঘণ্টা আগেযুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে দেশটির সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে ইসলামিক রেভ্যুলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
১৪ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের তিনটি প্রদেশে পাকিস্তানের বিমান হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আফগান কর্তৃপক্ষ। খবর বার্তা সংস্থা এপির।
১৫ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সহিংসতায় জড়িত ও সহায়তাকারী নেটওয়ার্কের ওপর সমন্বিতভাবে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও নরওয়ে।
১৬ ঘণ্টা আগে