স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গড়ে তোলা রাজীব শাহের ‘নবাবপাড়া’ গুঁড়িয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও গণপূর্ত অধিদপ্তর যৌথভাবে এই অভিযান চালায়।
অভিযান শেষে ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজীব শাহ নামে এক ব্যক্তির আস্তানা এবং তাঁর গড়ে তোলা মসজিদও রয়েছে। এখানে ভ্রাম্যমাণ যা কিছু পেয়েছি, তা উচ্ছেদ করেছি। যেগুলো উচ্ছেদ করা যায়নি, সেগুলো সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের সময় দিয়েছি।’
উদ্যানে এভাবে অনুমতি ছাড়া মসজিদ নির্মাণ শুরুতে কেন উচ্ছেদ করা হলো না– প্রশ্নে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের (ঢাকা বিভাগের) নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এখানে মসজিদ নির্মাণ করার তথ্য সঠিক নয়। এখানে রাজীব শাহ কয়েকজনকে নিয়ে নামাজ পড়ছিলেন, যেটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়ালে আলোচনায় আসে। আমাদের নজরে আসার পর মৌখিকভাবে রাজীবকে অনেকবার বলেছি। কিন্তু তাতে তিনি কান দেননি। অবশেষে আমরা সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান চালালাম।’

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে রাজীব শাহের মসজিদ নির্মাণের তথ্য। মসজিদের ভিডিও ও ছবি শেয়ার করে অনেকেই মন্তব্য করছেন। রাজীব শাহকে ঘিরেও বাড়ছে রহস্য। কে তিনি, কেন এসব করছেন– প্রশ্নে রাজীব শাহ আগে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, উদ্যানে টুকিয়ে পাওয়া বোতল বিক্রির টাকায় তিনি মসজিদ নির্মাণ করেছেন। পরে বিভিন্নজনের সহযোগিতা পেয়েছেন।
মসজিদের পাশে ধান আবাদ; ফুলের গাছ লাগিয়ে রাজীব নিজেই এটিকে ‘নবাবপাড়া’ নাম দিয়েছিলেন। উচ্ছেদের সময় রাজীব শাহ কিংবা তাঁর অনুসারীদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
উদ্যানের টোকাই ও ভ্রাম্যমাণ পানি বিক্রেতারা জানান, কয়েক মাস আগে এখানে থাকা শুরু করেন রাজীব শাহ। পরে তিনি ধান লাগান। বেশ কয়েকটি ফুলগাছ লাগিয়ে শোভা বাড়ান। নিজের থাকার জন্য ছোট্ট খুপড়ি ঘরও করেন। একপর্যায়ে নিজ উদ্যোগে রাজীব মসজিদ নির্মাণ করেন।

মূলত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও নাট্যশালার মধ্যবর্তী এলাকায় মসজিদ করা হয়। সেখানে ইটের তৈরি মেঝেতে কার্পেট ও জায়নামাজ বিছানো ছিল। বৃষ্টি ও রোদ এড়াতে উপরে ত্রিপল টানানো। নামাজিদের অজুর জন্য পানির ট্যাংক এবং একটি অস্থায়ী ওয়াশরুম করেছিলেন রাজীব শাহ।
অভিযোগ রয়েছে, মসজিদের ইটগুলো নির্মাণাধীন নাট্যমঞ্চ থেকে চুরি করেছেন রাজীব শাহ। এই কাজে বাধা দিলে তিনি নিরাপত্তা প্রহরীদের ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ বলে গালাগাল করেছেন।

নাট্যমঞ্চের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা শরীফুল মোল্লা স্ট্রিমকে বলেন, ‘নাট্যমঞ্চের ইটগুলো রাজীব শাহ নিতে এলে আমরা বাধা দিই। তখন তিনি আমাদের নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে গালাগাল করেন। পরে গভীর রাতে এবং ভারী বৃষ্টির মধ্যে আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে তিনি কয়েকশ’ ইট নিয়ে যান।’
এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযানের সময় আমরা রাজীব শাহ কিংবা মসজিদে ইমাম– কাউকে পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে চুরির বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গড়ে তোলা রাজীব শাহের ‘নবাবপাড়া’ গুঁড়িয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও গণপূর্ত অধিদপ্তর যৌথভাবে এই অভিযান চালায়।
অভিযান শেষে ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজীব শাহ নামে এক ব্যক্তির আস্তানা এবং তাঁর গড়ে তোলা মসজিদও রয়েছে। এখানে ভ্রাম্যমাণ যা কিছু পেয়েছি, তা উচ্ছেদ করেছি। যেগুলো উচ্ছেদ করা যায়নি, সেগুলো সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের সময় দিয়েছি।’
উদ্যানে এভাবে অনুমতি ছাড়া মসজিদ নির্মাণ শুরুতে কেন উচ্ছেদ করা হলো না– প্রশ্নে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের (ঢাকা বিভাগের) নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এখানে মসজিদ নির্মাণ করার তথ্য সঠিক নয়। এখানে রাজীব শাহ কয়েকজনকে নিয়ে নামাজ পড়ছিলেন, যেটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়ালে আলোচনায় আসে। আমাদের নজরে আসার পর মৌখিকভাবে রাজীবকে অনেকবার বলেছি। কিন্তু তাতে তিনি কান দেননি। অবশেষে আমরা সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান চালালাম।’

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে রাজীব শাহের মসজিদ নির্মাণের তথ্য। মসজিদের ভিডিও ও ছবি শেয়ার করে অনেকেই মন্তব্য করছেন। রাজীব শাহকে ঘিরেও বাড়ছে রহস্য। কে তিনি, কেন এসব করছেন– প্রশ্নে রাজীব শাহ আগে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, উদ্যানে টুকিয়ে পাওয়া বোতল বিক্রির টাকায় তিনি মসজিদ নির্মাণ করেছেন। পরে বিভিন্নজনের সহযোগিতা পেয়েছেন।
মসজিদের পাশে ধান আবাদ; ফুলের গাছ লাগিয়ে রাজীব নিজেই এটিকে ‘নবাবপাড়া’ নাম দিয়েছিলেন। উচ্ছেদের সময় রাজীব শাহ কিংবা তাঁর অনুসারীদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
উদ্যানের টোকাই ও ভ্রাম্যমাণ পানি বিক্রেতারা জানান, কয়েক মাস আগে এখানে থাকা শুরু করেন রাজীব শাহ। পরে তিনি ধান লাগান। বেশ কয়েকটি ফুলগাছ লাগিয়ে শোভা বাড়ান। নিজের থাকার জন্য ছোট্ট খুপড়ি ঘরও করেন। একপর্যায়ে নিজ উদ্যোগে রাজীব মসজিদ নির্মাণ করেন।

মূলত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও নাট্যশালার মধ্যবর্তী এলাকায় মসজিদ করা হয়। সেখানে ইটের তৈরি মেঝেতে কার্পেট ও জায়নামাজ বিছানো ছিল। বৃষ্টি ও রোদ এড়াতে উপরে ত্রিপল টানানো। নামাজিদের অজুর জন্য পানির ট্যাংক এবং একটি অস্থায়ী ওয়াশরুম করেছিলেন রাজীব শাহ।
অভিযোগ রয়েছে, মসজিদের ইটগুলো নির্মাণাধীন নাট্যমঞ্চ থেকে চুরি করেছেন রাজীব শাহ। এই কাজে বাধা দিলে তিনি নিরাপত্তা প্রহরীদের ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ বলে গালাগাল করেছেন।

নাট্যমঞ্চের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা শরীফুল মোল্লা স্ট্রিমকে বলেন, ‘নাট্যমঞ্চের ইটগুলো রাজীব শাহ নিতে এলে আমরা বাধা দিই। তখন তিনি আমাদের নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে গালাগাল করেন। পরে গভীর রাতে এবং ভারী বৃষ্টির মধ্যে আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে তিনি কয়েকশ’ ইট নিয়ে যান।’
এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযানের সময় আমরা রাজীব শাহ কিংবা মসজিদে ইমাম– কাউকে পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে চুরির বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
.png)

দেশের বাজারে পরিচিত ব্র্যান্ডের টুথপেস্টের চারটির মধ্যে তিনটিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। মোট ১৯ ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২৬টি প্রায় ৭৭ শতাংশ নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণার উপস্থিতি পেয়েছেন গবেষকরা।
৫ মিনিট আগে
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ৪৫৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
১৭ মিনিট আগে
হামের উপসর্গে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি। রোববার (২৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশে ৯৯০ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক কিশোরকে তুলে নিয়ে নির্যাতনে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি মো. নুরুল ইসলাম ওরফে ইরান (৪০) পিটুনিতে নিহত হয়েছেন। পরে তাঁর বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় এলাকার বিক্ষুব্ধরা। তবে বাড়িতে হামলায় ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও স্থানীয় ইউপি সদস্য নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে নিহতের ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে